ইসরাইলি অস্ত্র জাহাজে তুলতে অস্বীকৃতি জানালো ইতালির বন্দরকর্মীরা

0
80

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।

ইসরাইলের অ’স্ত্র ও বি’স্ফোরক জানার পর তা জাহাজে তুলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ইতালির লিভোর্নো বন্দরের কর্মীরা।

কর্মীরা আবি’ষ্কার করেন যে, অ’স্ত্রবোঝাই এই জাহাজটি ইসরাইলের আশদদ বন্দরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে।

এরপরই তারা আর এতে অ’স্ত্র তুলবেন না বলে জানিয়ে দেন। এ নিয়ে বন্দরটিতে শ্র’মিকদের সংগঠন ইউএসবি বলেছে, লিভোর্নো বন্দর ফিলিস্তিনিদের হ’’ত্যাযজ্ঞের সহযোগি হবে না।

ওই জাহাজটিতে ছিল ব্যাপক পরিমাণ অ’স্ত্র ও বি’স্ফোরক। শ্র’মিকদের ধারণা, এই অ’স্ত্র ব্যবহার করে ফিলিস্তিনিদের হ’’ত্যা করা হবে। যদিও জাহাজটি ইতালির অন্য আরেকটি বন্দর নেপলসের দিকে যাত্রা করে। সেখানে শ্র’মিকরা স্বাভাবিকভাবেই জাহাজে সব কিছু তুলে দেন।

তবে শ্র’মিকদের সংগঠনগুলো যাতে নিজেদের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে ইসরাইলের অ’স্ত্র ও বি’স্ফোরক লোডে কাজ না করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে এমন চেষ্টা চলছে।

গত কয়েকদিনে ফিলিস্তিনের গাজায় হা’মলার প্র’তিবাদে আন্দোলন হয়েছে ইতালির বেশ কয়েকটি শহরে। ইসরাইলি হা’মলায় নি’হত হয়েছেন প্রায় ১৮০ ফিলিস্তিনি। আ’হত হয়ে
ইসরায়েলের আশকেলন শহরে বদর-৩ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন ইসলামি জিহাদের সামরিক শাখা আল-কুদস ব্রিগেড। ২৫০ কেজি বোমা বহন করতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি।

রোববার (১৬ মে) আল-কুদস ব্রিগেড এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে বলে ইরানি সংবাদমাধ্যম পার্স টুডের খবরে বলা হয়েছে। ভিডিওতে বদর-৩ ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েল অধিকৃত আশকেলন নগরীর বিভিন্ন অবস্থানে আঘাত হানতে দেখা যায়।

এর আগে ২০১৯ সালের ৪ ও ৫ মে প্রথম বদর-৩ ক্ষেপণাস্ত্র প্রথম ব্যবহার করা হয়। সেসময় আশকেলন নগরীর আকাশে অন্তত চারটি বদর-৩ ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া হয়।

এর আগে, রোববার (১৬ মে) ফিলিস্তিনের ইসলামি জিহাদ আন্দোলনের সামরিক শাখা আল-কুদস ব্রিগেড উন্নতমানের ‘কাসেম’ ক্ষেপণাস্ত্রের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেছে।

ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রোববার দিনব্যাপী হামলায় গাজায় ১০ শিশুসহ ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, হামাসও পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে নিরবচ্ছিন্ন রকেট হামলা চালিয়েছে।

আল-জাজিরার সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলি হামলায় গাজায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৯৮ জনে দাঁড়িয়েছে, যার মধ্যে ৫৮টি শিশু রয়েছে। আহত হয়েছেন এক হাজার ২০০ জনেরও বেশি।