ঈদ ও ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে কৌশলের তাগিদ বিশেষজ্ঞদের

0
20

সাইফুল ইসলাম, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

জনস্বাস্থ্যবিদরা লকডাউন বা বিধিনিষেধের সাফল্য হিসেবে দেখছেন যে, বিশ্বব্যাপী করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করা রোগীদের সংখ্যা, শনাক্তের হার ও হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা কমে আসা। একইসাথে সতর্ক না হলে, আবারও সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা। এজন্য ঈদ ও ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট সামনে রেখে সঠিক কৌশল ঠিক করার তাগিদ জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ঈদ যাতায়াতে কী পরিকল্পনা নেওয়া যায় তা এখনই ভাবতে হবে সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে। বন্ধ রাখতে হবে গণপরিবহন। মানুষের যাতায়াত সীমিত রাখতে হবে। নইলে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হার আরও বাড়তে পারে। মৃত্যুর হারও বাড়তে পারে।

চলতি বছর জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে করোনা শনাক্ত ও মৃত্যু কম হওয়ায় অনেকে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন। তবে, সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ সব হিসাব ওলটপালট করে দেয়। মার্চ থেকে রোগীর সংখ্যা আবার বাড়তে শুরু করে।

৩ মার্চ দেশে করোনা শনাক্ত হয়েছিল ৬১৪ জনের। ২৫ মার্চ প্রায় সাড়ে তিন হাজার করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এরপর এপ্রিলে রেকর্ড সংখ্যক করোনা রোগী শনাক্ত হতে থাকে।

এরপর ৭ এপ্রিল দেশে একদিনে সর্বোচ্চ সাড়ে ৭ হাজারের ওপর রোগী শনাক্ত হয়। এরপর থেকে শনাক্ত কমতে থাকে। ১৯ এপ্রিল এদিনে সর্বোচ্চ ১১২ জন মারা যান। এরপর থেকে আবারো কমতে শুরু করে মৃত্যুর সংখ্যা।

করোনা সংক্রমণ বিপর্যয়ের দিকে গেলে এপ্রিল থেকে পুনরায় বিধি-নিষেধ বা লকডাউনের দিকে যায় সরকার। সংক্রমণ কমে যওয়ার এটিকে কারণ মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

কিন্তু এই চলমান লকডাউনের মধ্যে আবার খুলে দেয়া হয় দোকানপাট-শপিংমলগুলো। যার ফলে আগে থেকেই সাবধান না হলে পুনরায় করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

এছাড়াও দোকান-শপিংমলে স্বাস্থ্যবিধি মানার কথা থাকলেও তা না মানায় আবারও সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

জনস্বাস্থ্যবিদরা বলছেন, পরপর ২ সপ্তাহ শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে না আসা পর্যন্ত বলা যাবে না সংক্রমণ কমে গেছে।