এতো বেশি বজ্রপাত আর মৃত্যু কিসের সংকেত দিচ্ছে

0
52

হাবিবুর রহমান সুজন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক স্বাধীন নিউজ ডটকম।

বজ্রপাত থেকে বাঁচতে বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন। ছবি: সংগৃহীত

দোর গোড়ায় বর্ষা। এই সময় যখন তখন বৃষ্টি এই সময় খুবই স্বাভাবিক। তবে এবার বর্ষা শুরুর অনেক আগেই ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সেই সঙ্গে ঘন ঘন বজ্রপাতও। বৃষ্টি বিলাসের এবার আর সুযোগ নেই। বজ্রপাতের আতঙ্কে তটস্থ দেশের মানুষ। প্রাকৃতিক নিয়মেই এসব দুর্যোগের সম্মুখীন আমরা প্রতি বছর হই। তবে এবার ঝড়বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাতের সংখ্যা অনেক বেশি। দেশের বিভিন্ন এলাকায় মাঠে-ঘাটে-ছাদে বজ্রপাতে হতাহতের ঘটনা বেড়েছে।
একে মহামারিতে মানুষ জীবন মরণের মাঝখানে দুলছে। অন্যদিকে বজ্রঝড়ে মৃত্যুর মিছিলে যোগ হচ্ছে লাশের সংখ্যা। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় বজ্রপাতের তীব্রতা বেড়েছে। তবে কেন এতো বেড়েছে বজ্রপাত, এই ভাবনা বিশেষজ্ঞদের কপালের ভাঁজ দীর্ঘ হচ্ছে। ‘ইভেন্টের পার্টিকুলার ডে বা শর্ট পিরিয়ডে’ বেশি বজ্রপাত বৈশিষ্ট্য বেড়ে গেছে। সাম্প্রতিককালে বজ্রপাতের এমন ঘটনাকে ‘শর্ট লিফট লাইটেনিং ফেনোমেনা’ বলা হয়- এর ঘনঘটা বাড়ছে।

বজ্রপাত বেড়ে যাওয়ার একটা অন্যতম কারণ যেমন বাতাসে জলীয় বাষ্পের আধিক্য, তেমনই আর একট কারণ তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া। আর এই তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত দূষণ। দূষণের মাত্রা যত বাড়ছে, গড় তাপমাত্রা তত বাড়ছে। ফলে বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হওয়ার আদর্শ পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।

বজ্রঝড়ের সময় সাধারণত ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট বজ্রপাতের ভয় থাকে। কিউমুলোনিম্বাস মেঘ তৈরি হয়, তখনই বজ্রঝড় হয়ে থাকে। কিউমুলোনিম্বাস মেঘ হচ্ছে খাড়াভাবে সৃষ্টি হওয়া বিশাল আকৃতির পরিচালন মেঘ; যা থেকে শুধু বিদ্যুৎ চমকানো নয়, বজ্রপাত-ভারি বর্ষণ-শিলাবৃষ্টি-দমকা-ঝড়ো হাওয়া এমনকি টর্নেডোও সৃষ্টি হতে পারে।