এবার আর্জেন্টিনা সমর্থক ব্রাজিলিয়ানদের একহাত নিলেন থিয়াগো সিলভা

0
13

স্পোর্টস ডেস্ক

লিওনেল মেসি ও থিয়াগো সিলভা/ছবি: সংগৃহীত

কোপা আমেরিকার ফাইনালের আগে নিজ দেশের আর্জেন্টিনা সমর্থকদের ওপর ক্ষোভ ঝেড়েছেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড নেইমার জুনিয়র। এবার ফাইনালেও একই ঘটনা ঘটায় খেপেছেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার থিয়াগো সিলভাও।

রোববার মারাকানা স্টেডিয়ামে ব্রাজিলকে ১-০ গোলে হারিয়ে ২৮ বছর পর কোপার শিরোপা জিতেছে আর্জেন্টিনা। তবে অবাক করা বিষয় হলো, ফাইনাল চলাকালীন স্টেডিয়ামের গ্যালারিতেই অনেক ব্রাজিলিয়ান দর্শক মেসিদের সমর্থনে গলা ফাটিয়েছেন।

পরে মাঠের বাইরে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের সঙ্গে শিরোপা উদযাপনও করতে দেখা গেছে অনেক ব্রাজিলিয়ানকে। বিষয়টা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন থিয়াগো সিলভা।
ফাইনালে হেরে যাওয়ার পর ৩৬ বছর বয়সী চেলসির ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, ‘এখন আমাদের নতুন করে ব্যাটারি রিচার্জ করার এবং শক্তভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর সময়। যারা আমাদের বিপক্ষে ছিলেন, আশা করি আপনারা এখন খুশি! কিন্তু পরে আবার বন্ধু সেজে সাক্ষাৎকার কিংবা তোমার সন্তান এবং বন্ধুদের জন্য টিকিট, শার্ট বা ছবি নিতে এসো না যেন।


এর আগে নেইমার ইনস্টাগ্রামে ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘আমি একজন গর্বিত ব্রাজিলিয়ান। ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে খেলা এবং সমর্থকদের (উৎসাহব্যঞ্জক) মুখে গান শোনা আমার আজীবনের স্বপ্ন ছিল। ’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘খেলা কিংবা মডেলিং প্রতিযোগিতা বা অস্কার, যেখানেই হোক, আমি কখনোই ব্রাজিলের প্রতিক্ষকে সমর্থন করিনি, আর করবোও না। যদি সেখানে ব্রাজিল থাকে, তাহলে আমি তাদের সমর্থক। ‘

তবে থিয়াগো বা নেইমার রাগ করলেও ব্রাজিলের কিছু মানুষ আর্জেন্টিনাকে সমর্থন দিয়েছেন অন্য কারণে। এর সঙ্গে খেলার চেয়ে বেশি কাজ করেছে দেশের করোনা পরিস্থিতি। করোনা মহামারিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু দেখেছে যে দেশ, সেখানে কোপার মতো বড় আসর বসানোয় ক্ষুব্ধ দেশটির অধিকাংশ মানুষ।

মহামারি সামলানোর ক্ষেত্রে ব্রাজিল সরকারের ব্যর্থতার কারণে এখনও দেশটিতে আন্দোলন চলছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশটির সাধারণ মানুষের মতো জাতীয় ফুটবল দলের সদস্যরাও শুরুতে কোপা আয়োজনের বিরোধিতায় মুখ খুলেছিলেন। এমনকি বয়কটের সিদ্ধান্ত নিতে চেয়েছিলেন নেইমার-কাসেমিরোরা। পরে অবশ্য সেই সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসেন তিতে শিষ্যরা। তবে আয়োজকদের সমালোচনা কিন্তু ঠিকই করেছিলেন তারা।