কথা সাহিত্যের ঝুড়ি নিয়ে কামালপুরের সুমাইয়া মিরার “বিরহ বিসর্জন”

মেহেদী হাসান, স্টাফ রিপোর্টারঃ
“বিরহ বিসর্জন”
হে উজ্জ্বলতার অভিযাত্রী, কার অপেক্ষার প্রহর গুনছো? কোন মহারথীর পথ চেয়ে বসে আছো? তবে কি তুমি ভুলে গেলে  তোমার অভিপ্রায়?
কেনো ব্যাথিত হচ্ছো? সেই সময়তো বহু আগেই পার করে এসেছো। ব্যাথিত হওয়া তোমার শোভা পায় না। সূর্যের মতো বীরদর্পে চলার অধিকার একমাত্র তোমারই।
অবহেলা অবজ্ঞা কিছুই বাধা হতে পারবে না তোমার এগিয়ে যাওয়ায়। যার প্রতিটা নিঃশ্বাস তোমার জন্য বিষাক্ত তার কথা ভেবে হঠাৎ প্রান ব্যাকুল হওয়ার কোনো কারণ নেই।
হে প্রান, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছ তুমি। স্বার্থপর মানুষটির দিকে আবারো স্নেহের হাত বাড়িয়েছো। দ্বিতীয়বারও কি দহন যন্ত্রণায় হৃদয় পুড়ে ভস্ম করিতে চাও। মনে রেখো আমৃত্যু এ থেকে পরিত্রাণ পাবে না।
অরুণ রাঙা আকাশ দেখে মন আনচান করবেই। তাতে কি বা আসে যায়, ঐ আকাশের দিকে তাকিয়েই একদিন জীবনের সমস্ত রং বিশাল সমুদ্রের উর্মিমালায় ভাসিয়ে দিয়েছিলে। আজ আরো একবার রঙিন জীবনের স্বপ্ন দেখা তোমার জন্য উচিৎ হবে কি?
তোমার তপ্ত হৃদয়ে তাহার মুখ নিঃসৃত অমিয় বারি সিঞ্চন করার সুযোগ দিও না। ভুলে গেলে হে প্রান, তোমার কোমল হৃদয়ে অনবরত জ্বলতো ক্রোধের বহ্নিশিখা। অন্তরিক্ষের বিদ্যুৎ চমকে তোমার হৃদয়ে যখন মেঘের ঘনঘটা, কষ্টের আঘাতে জর্জরিত সেই তুমি প্রতিনিয়ত যখন তাহার ফিরে আসার অপেক্ষায় অধীর হয়ে বসে ছিলে, তখন কি সে এসেছিলো?  বলেছিলো কি তোমায়, হে কামিনী তোমার হাতে সংসার কমলের মতো সুন্দর?
মনে রেখো জীবনের সিন্ধু পাড়ে তুমি একা। একাই পথ চলতে হবে। কিছুতেই ভুলে যেওনা অতীতের কর্মকান্ড। পেছনে ফিরে সেই বিভৎস অতীতের দিকে আর দৃষ্টি দিও না। তাহার উজ্জ্বল মুখশ্রীর পানে আর কোনোদিন তাকিও না। তা না হলে দুঃখের রজনী শেষ হতে চাহিবে না তোমার মহাপ্রয়ানের আগে।
spot_imgspot_imgspot_imgspot_img
এই বিভাগের আরও খবর

বলা হলো না

তুমি আসবে বলে

- Advertisment -

সর্বাধিক পঠিত

- Advertisment -