করোনার কারণে দাম নিয়ে দুশ্চিন্তায় নিয়ামতপুরের আম চাষীরা

0
10

নওগাঁর নিয়ামতপুরে আম বাগানের গাছ থেকে শুরু হয়েছে আম নামানো।নিয়ামতপুর উপজেলায় করোনা সংক্রমণের হার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে।বিশেষ করে করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির কারণে উপজেলায় চলছে কঠোর লকডাউন। রাস্তায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ প্রশাসনের কঠোর নজরদারির কারণে অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে যেতে পারছে না।লকডাউনের শুরুতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, আম বেচাকেনায় সংশ্লিষ্টরা এ বিধিনিষেধের আওতার বাইরে থাকবেন। আম পরিবহনেও কোনো বাধা নেই। তার পরও করোনা সংক্রমণের শঙ্কায় ঢাকাসহ দূরের ব্যবসায়ীরা আম কিনতে নিয়ামতপুরে আসছেন না।নিয়ামতপুরে বড় কোন আমের আড়ত না থাকা এবং করোনার কারণে আম বিপণনে আশঙ্কায় রয়েছে আম চাষীরা।লকডাউনের কারণে উপজেলার বেশির ভাগ মানুষই গৃহবন্দি। আমের বাজারে পাইকারদেরও তেমন আনাগোনা নেই।ফলে এ বছর আম বাজারে আসতে শুরু করলেও কঠোর লকডাউনের কারণে জমে ওঠেনি বেচাকেনা।এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন উপজেলার আমচাষী, ব্যবসায়ীরা।তাদের দাবি, কঠোর লকডাউনের কারণে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যাপারীরা আসতে না পারায় বাজারের এ দশা। এ অবস্থায় আম বিক্রি নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন আম চাষী-ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টরা।উপজেলার ভাবিচা এলাকার আম চাষীরা জানান,আমি আট বিঘা আম বাগান লিজ নিয়ে চাষ করেছি।গাছে যথেষ্ট আম আছে। মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে আমের দাম নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।এই মহামারী স্বাভাবিক না হলে অনেক ব্যবসায়ী ও চাষীদের পথে নামতে হবে। উপজেলা কৃষি অফিসার আমীর আব্দুল্লাহ ওয়াহিদুজ্জামান জানান,চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ৩৯৯৬ জনের ছোট বড় আম বাগান রয়েছে। এতে প্রায় ১১৩০ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে।যা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৩ হাজার ৫ শত ৬০ মে.টন।