কালীগঞ্জের টেপুর বাজারে পল্লী চিকিৎসার আড়ালে চলছে চাঁদাবাজি ও রম রমা সুদের কারবার।

0
19

দীপু আহসান,
লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ

পূর্বের দাবীকৃত চাঁদার টাকা না পেয়ে দোকানে ডুকে অস্ত্র ঠেকিয়ে জোরপূর্বক নগদ টাকা নিয়ে ষ্টাম্প ও চেকে স্বাক্ষর নিয়ে প্রাণনাশের হুমকি প্রদর্শনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের টেপুরবাজার নামক স্হানে।এ বিষয়ে ভুক্তভোগী নিত্যানন্দ কালীগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে।

অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে যে,কালীগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের হররাম গ্রামের শিব প্রসাদ বর্মনের পুত্র নিত্যা নন্দ (৪০) বিগত দিন যাবৎ হররামের টেপুর বাজারে চায়ের দোকান করিয়া আসিতেছে,এমতাবস্থায় পার্শ্ববর্তী দোকানদার এরশাদ আলী(৩৫)পিতা আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান ও এরশাদ আলী(৩২) পিতা তোতা মিয়া এ দুজনের সাথে ব্যবসায়ীক মতপার্থক্যর সৃষ্টি হয়।

এরই জের ধরে গত ০৮-০৬-২০২১ ইং তারিখে অভিযুক্ত দু’জন রাত১১ঃ৩০ ঘটিকায় নিত্যানন্দের দোকান বন্ধ করে দিয়ে ৫০০০০ টাকা দাবি করলে নিত্যনন্দ টাকা দিতে অস্বীকার করলে তারা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ১০০ টাকা মূল্যের ৩ টি ফাঁকা স্টাম্পে স্বাক্ষর এবং তার নিজ নামে ব্যাংক একাউন্ট(পূবালী ব্যাংক,তুষভান্ডার শাখা ২২২১৯০১০২৪৪৬১)এর দুটি পাতা নং (৪৬৬১৫৫১ ও ৪৬৬১৫৫২) স্বাক্ষর নিয়ে দোকানের ড্রয়ার ভেঙ্গে ২৫,৫০০ টাকা নিয়ে চলে যায়।

পরের দিন নিত্যানন্দ বিষয়টি স্হানীয় গণ্য মান্য ব্যাক্তি বর্গদের জানালে তারা ঘটনাটি মিমাংসায় ব্যার্থ হলে তিনি দু’জনকে আসামী করে কালীগঞ্জ উপজেলায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

এ বিষয় স্থানীয়রা জানান যে মোঃ এরশাদ আলী নিজেকে পল্লী চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দিলেও তিনি চিকিৎসার কিছুই বুঝেন না তার কোন একাডেমিক ও পল্লী চিকিৎসকের কোর্সের কোন সাটিফিকেট নেই। তিনি মূলত চিকিৎসার আড়ালে দীর্ঘ দিন থেকে রম রমা সুদের ব্যবসা করেন।

এ বিষয় জানতে চাইলে কালীগঞ্জ তদন্ত কারি অফিসার এস আই তুষার বলেন বিষয় টি তদন্ত চলছে।