কুমারখালীর চরমপন্থী নেতা পিয়ার আলী আবারো বেপরোয়া : আতংকে সাধারণ জনগন

0
19

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :
এক সময়ের চিহ্নিত সন্ত্রাসী দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শীর্ষ চরমপন্থী সংগঠন বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি হক গ্রুপের এমএলের সক্রিয় সদস্য ও খুলনা বিভাগীয় সামরিক শাখার আঞ্চলিক কমান্ডার সাইফুল ইসলাম চান্নু একদিল বাহিনীর আঞ্চলিক কমান্ডার কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার বাগুলাট ইউনিয়নের দুধকুমরা এলাকার মৃত তুরাপ আলী সেখের ছেলে পিয়ার আলী ওরফে পিয়ো (৫২)। প্রায় ২ যুগের অধিক সময় যাবত চরমপন্থী সন্ত্রাসী সংগঠনের সাথে সে জড়িত।জাতীয় নেতা কাজী আরিফ ও এডভোকেট সৈয়দ নুর মোহাম্মদ বাবু সহ একাধিক হত্যা, ছিনতাই, রাহাজানী, কিডনাপ, ও অস্ত্র মামলার আসামী পিয়ার আলী ওরফে পিয়ো। ১৯৯৩ সালের মার্চ মাসের ২৭ তারিখে বাগুলাট ইউনিয়নের নাতুড়িয়া এলাকায় চরমপন্থী সংগঠন জাসদ ও কমিউনিস্ট পার্টির সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন নিহত হয়। সেখানে অনেক ভাড়ি ভাড়ি অস্ত্র সহ নেপথ্যে জড়িত থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন পিয়ার আলী ওরফে পিয়ো। এ ছাড়াও পিয়ার আলী আদাবাড়িয়ার লাল জমিদারকে বাশগ্রামের বাজারে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করে হত্যা করেছিলেন। মধুপুরের বাবুকে হত্যা করেছিলেন। চরমপন্থী সংগঠনের নেতা একদিল বাহিনী ক্রসফায়ারে নিহত হবার পর বাহিনীর ভারপ্রাপ্ত প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে পিয়ার আলী। তার কাছে এখনো মজুদ রয়েছে একদিলের ভারী ভারী আগ্নেয়াস্ত্র। এই ভারী ভারী আগ্নেয়াস্ত্র থাকার কারনে পিয়ার আলী নতুন করে চরমপন্থী সংগঠন তৈরী করছেন বলে জানা গেছে। যারফলে পিয়ার আলী পিয়ো বাহিনী বীরদর্পে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে দুধকুমরা চর থেকে শুরু করে চাপড়া ইউনিয়নের একাংশ। বর্তমানে সন্ত্রাসী পিয়ার আলীর ভয়ে আতঙ্কের মধ্যে বসবাস করছে এলাকার সাধারন জনগন ।এসব সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই বেরিয়ে আসবে ভারি ভারি অস্ত্র ও হত্যা কাজে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র এবং নেপথ্যে কারা কারা জড়িত রয়েছে বলে জোরালো দাবি জানিয়েছে এলাকার সচেতন মহল।