গুমতিতে ব্রি-ধান কর্তন ও জুমধানের ফলন পরীক্ষামূলক মাঠদিবস অনুষ্ঠিত।

0
59

জসিম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:

পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার গুমতি ইউনিয়নের গালামনি পাড়ায় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর বাস্তবায়নে মাটিরাঙ্গা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন বিভাগের সহযোগিতায় পার্বত্য চট্রগ্রামে জুম ধানের অগ্রসরমান ফলন পরীক্ষামূলক ব্রি-ধান কর্তনের মাঠদিবস অনুষ্ঠিত।

রোববার (১২সেপ্টেম্বর)দুপুরের দিকে গুমতি ইউনিয়নের গালামনি পাড়ায় কৃষক আব্দুল কাদেরের জমিতে মাটিরাঙ্গা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-সহকারি কৃষি অফিসার রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় মাঠদিবস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্হিত ছিলেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট গাজীপুর এর মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড:ইফতেখার দৌলা।
বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন- খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো:মুর্তুজা আলী,প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ ড. মো. আমির হোসেন ব্রি-গাজীপুর,খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারন বিভাগের জেলা প্রশিক্ষন অফিসার মো:বাছেরুল আলম, মাটিরাঙ্গা উপজেলা কৃষি অফিসার ওঙ্কার বিশ্বাস,মাটিরাঙ্গা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি দৈনিক আমার সংবাদ পএিকার খাগড়াছড়ি জেলা প্রতিনিধি মো:জসিম উদ্দিন জয়নাল,মাটিরাঙ্গা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন বিভাগের এস,এ,পি পি ও জ্যােতি কিশোর বড়ুয়া প্রমুখ।

অন্যান্যের মাঝে গোমতি ইউনিয়নের বান্দরছড়া ব্লকের উপ-সহকারি কৃষি অফিসার মো:আমির হোসেন,উপ-সহকারি কৃষি অফিসার মো:জয়নাল আবেদীন উপ-সকারি কৃষি অফিসার নুর মোহাম্মদ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, বোনা আউশের উচ্চফলশীল জাত ব্রি ধান৮৩-সহ বিদেশী উপযোগী জাত যেমন চাইনিজ রাইস, কোশিহিকারীও জাপানিজ ব্ল্যাক রাইস এবং সে সাথে জুমের জনপ্রিয় জাত মংথংনো ও স্হানীয় জুমের জাত বিশ নাম্বার নিয়ে মোট ৬টি জাতের উপযোগিতা পরীক্ষার জন্য এই অগ্রসরমান ফলন পরীক্ষাটি স্হাপন করা হয়েছে এই পরীক্ষনের উদ্দেশ্য হলো স্বল্পকালীন সময়ে পাহাড়ি জমিতে এজাত গুলোর ফলন পরীক্ষা করে কৃষকদের পছন্দের জাতটি বাছাই করা পরবর্তীতে সেই কাংখিত জাতটির বৃহওর পরিসরে পরীক্ষনের মাধ্যমে সফল জাতটি বীজ বোর্ডের মাধ্যমে জাত হিসেবে ছাড়করণ এবং কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের সহায়তায় কৃষক পর্যায়ে সম্প্রসারন এটি অন্য ধানের তুলনায় কম খরচে ফলন বেশি। রোগ এবং পোকার আক্রমণ কম। ঝড় বাতাসে সহজেই হেলে পড়ে না।

প্রথমববারের মত জেলার মাটিরাঙ্গা,খাগড়াছড়ি সদর উপজেলায় পাহাড়ের উপরে জুমে পরীক্ষামূলক। উচ্চ ফলনশীল ব্রিধান ৮৩-৬টি জাতের ধান আবাদ হয়েছে। ফলন অনেক ভালো হওয়ায় কৃষকের মাঝে ব্যাপক সাড়া পড়েছে।

মাঠদিবসের আলোচনা সভা শেষ করে মাঠে ধান কতন করেন প্রধান অতিথি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট গাজীপুর এর মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড:ইফতেখার দৌলা,খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো:মুর্তুজা আলী,প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ ড. মো. আমির হোসেন ব্রি-গাজীপুর,খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারন বিভাগের জেলা প্রশিক্ষন অফিসার মো:বাছেরুল আলম।