গৌরীপুরে সোনালী ব্যাংকের স্থান পরিবর্তনের দাবী বিক্ষুব্দ গ্রাহকদের

0
17

হলি সিয়াম শ্রাবণ, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

একদিকে গৌরীপুরে করোনার প্রকোপ বেড়েই চলেছে, অন্যদিকে ঈদ। এই ঈদকে সামনে রেখে ময়মনসিংহের গৌরীপুর সোনালী ব্যাংক শাখায় ছিলো উপচেপড়া ভিড়। ছিলো না স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দুরত্ব।

ঈদের পূর্বে সোমবারে সরজমিনে গৌরীপুর সোনালী ব্যাংক লিমিটেডে গিয়ে দেখা যায়, প্রত্যেকটি ক্যাশ কাউন্টারের সামনে দীর্ঘ সারি। ব্যাংকের ভিতরে তিল ধারণের ঠাঁইও ছিলো না। বিক্ষুব্দ গ্রাহক এমদাদুল বলেন, এমনস্থানে ব্যাংক হতে পারে না। ভিতরে জেলখানার মতো গাদাগাদি করে দাঁড়াতে হয়েছে। মানুষ লাইনে দাঁড়াবে এমন জায়গাও ছিলো না। আরেকজন গ্রাহক হামিদুর রহমান জানান, দুই ঘন্টা ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। সামনে কেউ এগুচ্ছে এমনটা দেখা যায়নি। এদিকে কিছুদিন পূর্বে এ ব্যাংকের এক কর্মকর্তারও করোনা পজেটিভ আসে। এর প্রসঙ্গে উজ্জল চন্দ্র রবিদাস বলেন, ব্যাংকের কর্মকর্তাগণও জীবনের ঝুঁকিতে রয়েছেন। এ দৃশ্য দেখে হতাশ খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, মনে হচ্ছে করোনা এখান থেকে পালিয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. মহসীন হোসাইন বলেন, এই ব্যাংকের জন্য এ বিল্ডিং উপযোগী নয়। বিক্ষুব্দ গ্রাহকরা এ সময় অবিলম্বে ব্যাংকের স্থান পরিবর্তনের দাবি জানান। এ প্রসঙ্গে ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক শারফুল আজিজ জানান, ব্যাংকের ভিতরে গ্রাহকদের নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। স্থান কম গ্রাহক বেশি, তারপরেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সেবাদানের চেষ্টা করছি।
এদিকে জনতা ব্যাংক লিমিটেডে তেমন ভিড় পরিলক্ষিত হয়নি। তবে ছিলো না স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দুরত্ব।