চাপড়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের বিরুদ্ধে চেয়ারম্যানের নিকট মেম্বারের অভিযোগ

0
18

মোঃ রবিউল ইসলাম হৃদয় :

কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে চেয়ারম্যান মনির হাসান রিন্টুর নিকট অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ দিয়েছে খোদ চাপড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) মোঃ মনোয়ার হোসেন লালন। অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, চাপড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মনোয়ার হোসেন লালন ইউনিয়নের বিভিন্ন জায়গায় কয়েকটি প্রকল্পে সরকারি উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। যেই কাজের বিল চেয়ারম্যান মনির হাসান রিন্টু বিলের কাগজে স্বাক্ষর করে দিলেও সচিব শহিদুল ইসলাম সেই বিল মেম্বার লালনকে প্রদান করেনা। ইউপি সদস্য মনোয়ার হোসেন লালন সচিবের নিকট বিল চাইলে সচিব শহিদুল ইসলাম মোটা অংকের ঘুষ দাবি করে। মনোয়ার হোসেন লালন ঘুষের টাকা দিতে অস্বীকার করলে সচিব চেক লালন মেম্বারকে না দিয়ে নিজেই ব্যাংক থেকে ৯ লক্ষ টাকা উত্তোলন করে নেয়। পরবর্তীতে ইউপি সদস্য মনোয়ার হোসেন লালন সচিবের পিছে কয়েকমাস ধরে ঘুরে ঘুরে ৭ লক্ষ টাকা আদায় করেন।এছাড়া উক্ত ৯ লক্ষ টাকার এক্সট্রেনশন মানি ৮৯ হাজার টাকা ও লালন মেম্বারের ৩ মাসের মাসিক বেতন বাবদ ৩২০০ টাকা সহ সর্বমােট ৩ লক্ষ ২ হাজার ২ শত টাকা সচিব শহিদুল ইসলাম আত্মসাত করেছে। বর্তমানে এই টাকা সচিবের নিকট চাইতে গেলে লালন মেম্বারকে বিভিন্ন রকম হুমকি ধামকি প্রদান করে সচিব শহিদুল ইসলাম। এ বিষয়ে ইউপি সদস্য মনোয়ার হোসেন লালন বলেন,আমি সরকারি উন্নয়নমূলক কাজ করেছি যার বিলের কাগজে চেয়ারম্যান স্বাক্ষর করে দিলেও সচিব চেক দেওয়ার জন্য আমার নিকট ঘুষ দাবি করেছে। আমি ঘুষ দিতে অস্বীকার করায় সচিব নিজেই আমার চেক দিয়ে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করেছে। আমি কয়েকবার সচিবের পিছে ঘুরে ঘুরে কিছু টাকা নিয়েছি। আমি এখনো সচিবের নিকট ৩ লক্ষ ২ হাজার ২ শত টাকা পাবো। আমি আমার টাকা ফেরত চাই এবং সচিবের বিরুদ্ধে সঠিক বিচারের দাবি জানাচ্ছি। এ ব্যাপারে চাপড়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব শহিদুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।এ বিষয়ে চাপড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মনির হাসান রিন্টুর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।