*জাতির জনক বঙ্গবন্ধু*

0
44

সৈনিক অমল দাসের কবিতা

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ,করেছ বাঙ্গালি জাতি সৃষ্ট।
তুমি হে মহান, তুমি হে নেতা, তুমিই’তো আমার জাতির পিতা।।
বাংলা মায়ের ভাগ্যাকাশে জন্মেছিলে তুমি।
তোমার জন্যে পেয়েছি মোরা,স্বাধীন বঙ্গখানি।।

বঙ্গদেশের প্রকৃতির রং,রাঙ্গিয়ে দিলে তুমি।
রক্তে ভেজা,রক্তে মাখা,ছিলো বাংলার জমি।।
আমার মায়ের, আমার বোনের, ইজ্জতের দাম নাহি ছিলো।
পাক হানাদার, পাক বাহিনীর লোভ-লালসার শিকার হলো।।

নিত্য নিত্য ঘটতো শুধু পূর্ববঙ্গে ঘটনা।
পাকিস্তানি ঘাতক দালাল,করতো নতুন রটনা।।
ধষর্ন নামের সু-ধর্ষণে,মেতে
উঠতো হায়নারা।
কার সাথে কার বিবাদ হবে, করতো শুধু পায়তারা।।

অন্যায় অত্যাচার,আর জুলুমবাজির নাইসীমা।
প্রতিবাদ করলে পরে,শেষ হতো জীবন বীমা।।
টিপতো শুধু আগ্নেয়াস্ত্রের, একটি ট্রেগার গার্ড।
তাতেই আমার বঙ্গমাতার, খালি হতো হার্ট।।

কত মাতার কত পুত্র, দিলো বলিদান।
নেতা নাহি পেলো মাতা, করলো আনচান।।
হৃদয় ভরে চাইলো মাতা, একটা সঠিক নেতা।
তখনই জন্ম নিলেন আমার, বাঙ্গালি জাতির পিতা।।

শেখমুজিবুর রহমান নামে হলেন অভিভূতো।
বড় হয়ে গড়লেন বাংলা,করলেন স্বাধীনমতো।।
উপাধি পেলেন বঙ্গবন্ধু,হলেন স্বাধীনতার ঘোষক।
দেশকে স্বাধীন করে এবার হলেন জাতির জনক।।

নামটা হলো পূর্ণ এবার,
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
সতেরো কুটি বাঙ্গালির হৃদয়ের স্পন্দন,এদেশ হয়েছে মহান।।
তোমারি কারণে গর্বিত মোরা,মোরা বাঙ্গালী জাতি।
বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে, আজো দাড়িয়ে আছি।।