জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সরিষাবাড়ী জোনাল অফিসের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

0
36

ফারিয়াজ ফাহিম
স্বাধীন নিউজ, জামালপুর প্রতিনিধি।

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ঘুষ দুর্নীতি অনিয়মসহ গ্রাহক হয়রানি অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যুৎ সংযোগের নামে নানা ভাবে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের অর্থ। অর্থ দিয়েও হয়রানীর শিকার হচ্ছে বিদ্যুৎ গ্রাহকরা। উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের বারইপটল গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফাসহ এলাকার পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকরা নানা ভাবে হয়রানির শিকার হয়ে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

লিখিত অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের বারইপটল গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএম গোলাম মোস্তফার স্ত্রী রওশনআরা বেগম পল্লী বিদ্যুতের একজন সেচ গ্রাহক। ২০১৯ সালে ৩৫০ ফুট দুর থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে সেচ পাস্প চালিয়ে আসছেন তিনি। এর হিসাব নাম্বার ৫৬/১৫৬০। এরপর তার সেচপাম্পের নিকট খুঁটি থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে আবেদন করেন সরিষাবাড়ী পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএমের কাছে। এ সংযোগ দিতে লাইন স্থানান্তরের জন্য ২০ হাজার ৩৯৫ টাকা দাবি করেন পল্লী বিদ্যুৎ অফিস। পরে ওই টাকা পল্লী বিদ্যুতের রশিদের মাধ্যমে জমা করেন বিদ্যুৎ গ্রাচহক রওশনআরা বেগম। এই বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে আরও ৫ হাজার টাকা দাবি করে পল্লী বিদ্যুতে কর্মচারি হিসেবে পরিচিত একজন দালাল। তিনি বলেন ডিজিএমকে না দিলে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া যাবে না। এতে ১ হাজার টাকা দেন রওশনআরার স্বামী গোলাম মোস্তফা। এরপর গোলাম মোস্তফা জানতে পারে তার কাছ থেকে পল্লী বিদ্যুৎ অফিস অতিরিক্ত ১৮ হাজার ৮৯৫ টাকা নিয়েছে।

ভুক্তভোগি গোলাম মোস্তফা জানান, পল্লী বিদ্যুৎ অফিস লাইন স্থানান্তরের জন্য ১ হাজার ৫০০ ও ট্রান্সফরমা স্থাপনের নামে অতিরিক্ত ১৮ হাজার ৮৯৫ টাকাসহ মোট ২০ হাজার ৩৯৫ টাকা দাবি করেন। পরে এ টাকা পল্লী বিদ্যুতের রশিদের মাধ্যমে জমা করা হয়।

সরিষাবাড়ী পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম শিফাজ উদ্দিন মল্লিক জানান, বিদ্যুৎ লাইন স্থানান্তরের জন্য অতিরিক্ত ১৮ হাজার ৮৯৫ টাকা জমা নেয়া হয়েছে। এ টাকা গ্রাহক ফেরত চেয়ে আবেদন করলে ওই টাকা ফেরত দেয়া হবে। এ গ্রাহকের কাছে অনৈতিক ভাবে টাকা দাবি করায় অভিযুক্ত অস্থায়ী কর্মচারি কে পল্লী বিদ্যুতের কাজে থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।