জ্যোতিষ বলে দেবে লম্বা বা ছোট সঙ্গীর দৈর্ঘ্যই স্বভাব!

স্বাধীন নিউজ ডেস্ক:

রাশিফল বা কোষ্ঠী বিচার করেই যে ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে জানা যায় তা নয়। বরং ব্যক্তির শারীরিক গঠন, যেমন হাত, পা, চুল, নাক, মুখ এমনকি উচ্চতা দেখেও তাঁদের চরিত্রের বিভিন্ন গোপন দিক সম্পর্কে জানা যেতে পারে। ঋষি সমুদ্র রচিত সমুদ্র শাস্ত্র অনুযায়ী ব্যক্তির শারীরিক গঠন দেখে তাঁদের স্বভাব, ব্যক্তিত্ব জানা যেতে পারে।

এমনকি দৈর্ঘ্য বা উচ্চতাও ব্যক্তি সম্পর্কে অনেক কিছু জানিয়ে থাকে। সমুদ্র শাস্ত্র অনুযায়ী স্ত্রী বা পুরুষের দৈর্ঘ্য তাঁদের ব্যক্তিত্বের নানান অজানা দিন প্রকাশ করে। উচ্চতা ব্যক্তির স্বভাব সম্পর্কে কী জানায়? জানুন এখানে।

লম্বা ব্যক্তিঃ

যে স্ত্রী বা পুরুষ লম্বা তাঁরা গুণী, বিবেকপূর্ণ ও আকাঙ্খায় ভরপুর হন। মধুর ভাষায় কথা বলেন এঁরা। এঁদের আত্মসম্মান বোধ প্রখর। বিন্দাস হন, নিজের মর্জিমাফিক কাজ করতে ভালোবাসেন এই জাতকরা। তবে ধর্ম-কর্ম ও আধ্যাত্মিকতায় এঁদের রুচি খুব কম থাকে।

নিজের কাজ যে ভাবেই হোক না-কেন, হাসিল করে থাকেন এই জাতকরা। সমুদ্র শাস্ত্র অনুযায়ী লম্বা স্ত্রী বা পুরুষরা কারও অধীনে থাকতে ভালোবাসেন না। অন্য দিকে লম্বা মহিলারা অত্যন্ত শৌখিন হন। এঁরা সাজতে ভালোবাসেন। বইয়ের চেয়ে বেশি বিনোদনে রুচি থাকে এই জাতিকাদের।

খাটো ব্যক্তিঃ

সমুদ্র শাস্ত্র অনুযায়ী যে জাতকদের দৈর্ঘ্য সাধারণের চেয়ে ছোট, তাঁরা অত্যন্ত প্র্যাক্টিক্যাল হন। খুব বেশি চিন্তাভাবনা করে অর্থ ব্যয় করেন এই জাতক। এ কারণে অনেকে এঁদের বিভ্রান্ত মনে করতে পারেন। উল্লেখ্য খাটো ব্যক্তিরা মিতব্যয়ী হন।

তুখর বুদ্ধিসম্পন্ন হন এই জাতকরা। যে কোনও পন্থা অবলম্বন করতে হোক না-কেন, এঁরা নিজের কাজ হাসিল করে দম নেন। বাকপটু এই জাতকরা এতটাই মাধুর্যপূর্ণ ব্যবহার করেন যে, কেউ এঁদের মনের কথা আঁচ করতে পারেন না। তাই খাটো ব্যক্তিদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা বা লেনদেনের সময় সচেতন ও সতর্ক থাকা উচিত।

সাধারণ দৈর্ঘ্য সম্পন্ন ব্যক্তিঃ

যে জাতকদের দৈর্ঘ্য সাধারণ, তাঁরা খুব বেশি চিন্তাভাবনা করেন। ধর্মীয় কাজে খুব বেশি রুচি রাখেন এই জাতকরা। সমুদ্র শাস্ত্র অনুযায়ী এই জাতকরা খুব শীঘ্র রেগে যান। এমনকি সকলের সামনে নিজের রাগ প্রকট করতে ভয়ও পান না এঁরা।

এই দৈর্ঘ্যের জাতকরা পরিশ্রমী, গুণী, বুদ্ধিমান, ভদ্র ও বিবেকবান হন। এই দৈর্ঘ্যের স্ত্রী-পুরুষরা ভারসাম্য বজায় রেখে সমস্ত কাজ করতে ভালোবাসেন। এঁদের মধ্যে দয়া, ক্ষমা, শান্তি, ধৈর্যের মতো গুণ বর্তমান। তবে অধিক আবেগপ্রবণতার কারণে এঁদের সংঘর্ষ করতে হয়।

এই ওয়েবসাইটের সকল লেখার দায়ভার লেখকের নিজের, স্বাধীন নিউজ কতৃপক্ষ প্রকাশিত লেখার দায়ভার বহন করে না।
এই বিভাগের আরও খবর
- Advertisment -

সর্বাধিক পঠিত

- Advertisment -