দেশজুড়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায়

 

 

স্বাধীন নিউজ ডেস্ক!

 

 

ঘন কুয়াশার কারণে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলে বেলা গড়িয়ে দুপুর হলেও সূর্যের দেখা মিলছে না। পাশাপাশি তীব্র ঠান্ডা বাতাসের কারণে বিপর্যস্ত জনজীবন।

সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হচ্ছে ফেরি, লঞ্চ, বাস ও বিমান চলাচল। দুদিন ধরে এমনটাই অবস্থা রাজধানীসহ সারা দেশে।

কনকনে শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন। বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, শনিবার (৭ জানুয়ারি) চুয়াডাঙ্গায় সকাল ৯টায় ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে।

শুক্রবার ছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ হিসাবে শূন্য দশমিক ৬ ডিগ্রি কমেছে শনিবারের তাপমাত্রা। তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।

দেশে এ বছর কুয়াশার পরিমাণ বেশি হওয়ার কারণ হিসেবে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশীদ বলেন, আবহাওয়ার ধরণ অনেকটা বদলে গেছে। এখন যে কুয়াশাটা আছে সেটাকে বলা হয় “অ্যাডভেকশন ফগ”। শীতল ভূমির ওপর দিয়ে উষ্ণ ও আর্দ্র বাতাস বয়ে যায় তখন এমন কুয়াশা দেখা দেয়।

এদিকে রাজধানী ঢাকায় সর্বনিম্ন বা রাতের তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমেছে। তবে শনিবার (৭ জানুয়ারি) দিনের তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

নওগাঁ, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, যশোর ও চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা পার্থক্য কমে যাওয়ার কারণে দেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল এবং মধ্যাঞ্চলে মাঝারি থেকে তীব্র শীতের অনুভূতি থাকতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

 

এই ওয়েবসাইটের সকল লেখার দায়ভার লেখকের নিজের, স্বাধীন নিউজ কতৃপক্ষ প্রকাশিত লেখার দায়ভার বহন করে না।
এই বিভাগের আরও খবর
- Advertisment -

সর্বাধিক পঠিত

- Advertisment -