নারীরা কখন থেকে ব্যায়াম করবেন প্রসবের পর

 

স্বাধীন নিউজ ডেস্ক!

নারীরা গর্ভাবস্থার সময়কে বেশ উপভোগ করে। তবে এই সময় শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যেরও অনেক পরিবর্তন হয়। বিশেষ করে অনেক শারীরিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যেতে হয় নারীকে।

শরীরে ব্যথা, দুর্বলতা, মুটিয়ে যাওয়া এমন কিছু প্রভাব পড়ে এই সময়। এরপর সিজারিয়ান ডেলিভারী হলে তো কথাই নেই। নারীরা অনেক দিন পর্যন্ত চলাফেরায় স্বাভাবিক হতে পারে না।

শারীরিরভাবে তারা আরও দুর্বল হয়ে পড়ে। সি-সেকশন অর্থাত্ সিজারিয়ান প্রসব হলে নারীদের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে বেশ কষ্ট হয়।

সিজারিয়ান ডেলিভারির পর মায়েরা নিজেদের শারীরিক অবস্থা নিয়েও হতাশায় পড়ে যান।অস্বাভাবিক মুটিয়ে যাওয়া নিয়ে রীতিমতো চিন্তায় থাকেন। এই অবস্থায় অনেক নারী কিছুদিন পরই ব্যায়াশ শুরু করেন।

তবে এটি ক্ষতিকর হতে পারে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, নরমাল ডেলিভারি এবং সি-সেকশনের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে।

নরমাল ডেলিভারিতে কিছুদিনের মধ্যে ব্যায়াম শুরু করা গেলেও সিজারিয়ান ডেলিভারির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

চলুন জেনে আসি, বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী সিজারিয়ান ডেলিভারির কত দিন পর, ব্যায়াম শুরু করা যেতে পারে।

মা হওয়ার পর নারীদের শরীরের গঠন ভিন্ন হয়ে যায়। এই অবস্থায় নারীরা সি-সেকশনের পরে ব্যয়াম শুরু  করতে পারবেন কি না তা নিয়ে দ্বিমত রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা জানান, সিজারিয়ান ডেলিভারির পর  যোগব্যায়াম শুরু করতে পারবেন কিনা তা শরীর কত দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছে এর উপর নির্ভর করবে।

তবে অপারেশনের ৩ মাসের মধ্যে কোনও ধরণের ব্যায়াম করা উচিত নয় বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

এই সময় শরীর দুর্বল থাকে। তাই খাওয়া দাওয়া আর বিশ্রামের মাধ্যমে শরীরকে ফিট রাখতে হবে।

শুধু তাই নয়, স্বাভাবিক প্রসবের পরও মায়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি দেখেই ব্যায়াম শুরু করা উচিত বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

তারা বলেন, ব্যয়ামে শারীরিক পরিশ্রম হয়। শরীরের ওপর চাপ পড়ে। তাই মায়ের সার্বিক সুস্থার পরই ব্যায়াম শুরু করা ঠিক হবে।

বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, সি-সেকশন বড় একটি অপারেশন। এতে যাতে মাংসপেশি কাটা হয়। শরীর থেকে প্রচুর রক্ত ​​বেরিয়ে যায়। এই অবস্থায় ক্ষত সম্পূর্ণ নিরাময় এবং সেলাই দ্রবীভূত না হওয়া পর্যন্ত ব্যায়াম শুরু করা ঝুঁকিপূর্ণ হবে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সব নারীর পুনরুদ্ধারের সময় আলাদা হয়। তাই তাদের ব্যায়াম করার উপযুক্ত  সময়ও আলাদা হতে পারে। এক্ষেত্রে যোগব্যায়াম শুরু করার আগে ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ নেওয়া উচিত।

মায়ের শারীরিক অবস্থা ও মাংসপেশির নমনীয়তা পরীক্ষা করে সঠিক পরামর্শ দিবেন। সেই অনুযায়ী মায়েরা ব্যায়াম শুরু করবেন।

 

 

 

এই ওয়েবসাইটের সকল লেখার দায়ভার লেখকের নিজের, স্বাধীন নিউজ কতৃপক্ষ প্রকাশিত লেখার দায়ভার বহন করে না।
এই বিভাগের আরও খবর
- Advertisment -

সর্বাধিক পঠিত

- Advertisment -