advertisement

নেত্রকোণার জেলা প্রশাসক জনাব কাজি মোঃ আবদুর রহমান এর ডিজিটাল বাংলাদেশ পুরস্কার ২০২১ অর্জন

 

আব্দুর রহমান ঈশান বিশেষ প্রতিনিধি স্বাধীন নিউজ

নেত্রকোণা জেলার জেলা প্রশাসক জনাব কাজি মোঃ আবদুর রহমান “বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেচ্ছা মুজিব উইমেন্স কর্নার” শীর্ষক নারীদের জন্য বিশেষায়িত একটি প্ল্যাটফরম তৈরির জন্য “ডিজিটাল বাংলাদেশ পুরস্কার ২০২১” এ জেলা পর্যায়ে সাধারণ-সরকারি ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। তিনি আজ ১২ ডিসেম্বর ২০২১ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস ২০২১ এর উদ্বোধনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এমপি’র ভার্চুয়ালি উপস্থিতিতে এ পুরস্কার গ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য “বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেচ্ছা মুজিব উইমেন্স কর্নার” এর মাধ্যমে নেত্রকোণা জেলার যে কোন নারী যে কোন সময়, যে কোন স্থান হতে আবেদন করতে পারছেন। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আবেদন সমূহে জেলা প্রশাসক এবং জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে অন্য সংস্থার/বিভাগের নিকট প্রেরণ করা হলে প্রত্যেকটি আবেদনের উপর সে সকল সংস্থা কি ব্যবস্থা নিয়েছেন তা সংশ্লিষ্ট অংশীজন নিজ নিজ অফিসে বসে তথ্য প্রদান করছেন। ফলে আবেদন সমূহ যেমন সফটওয়্যারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট অংশীজনের নিকট প্রেরণ করা হয়েছে ঠিক তেমনি গৃহীত কার্যক্রমও সহজে জানা যাচ্ছে এবং সেবা প্রাপ্তির বিষয়টি চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। সেই সাথে সেবা গ্রহণকারী তার আবেদনের বিষয়ে সর্বশেষ অবস্থা ও ফলাফল সহজে এস এম এস এর মাধ্যমে জানতে পারছেন।
এ উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজের সকল শ্রেণী-পেশার নারীদের সেবা প্রদানের বিশেষ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। গত ৮মার্চ ২০২১ তারিখ আর্ন্তজাতিক নারী দিবসে এই উদ্যোগটি চালু করা হয়। ইতোমধ্যে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে যেমন ঋণের আবেদন, শিক্ষা সহায়তা, প্রশিক্ষণ, নারী নির্যাতন, আর্থিক সহায়তার জন্য প্রায় ১২০০ সেবা প্রার্থীর আবেদন ডিজিটাল রেকর্ডভূক্ত করে ১০০০ এর বেশী আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে। শ্রেণী বিন্যাস অনুযায়ী সেবা প্রাপ্তির বিষয়টি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডাটাবেইজে অন্তভূর্ক্ত হচ্ছে। ফলে কোন নারীর চাহিত সেবা বা আবেদন অনিষ্পন্ন থাকবেনা। সেবার প্রাপ্তির আবেদন ও গ্রহণ প্রক্রিয়া সহজলভ্য হওয়ায় এবং দ্রুততার সহিত ও নিশ্চিতভাবে সেবা পাওয়ার ফলে নারীগণ আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠছেন ও সাহস পাচ্ছেন। ফলে এ উদ্যোগটি নারী শিক্ষা, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র বিমোচন, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ও নারী উন্নয়ন এবং ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।
মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে জাতির পিতার সাথে সাথে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেচ্ছা মুজিবের অসামান্য অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং নারীদের জন্য সাহস ও অনুপ্রেরণার প্রতীক হিসেবে তুলে ধরার প্রয়াসে উদ্যোগটির নামকরণ “বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেচ্ছা মুজিব উইমেন্স কর্নার” করা হয়েছে।

spot_imgspot_imgspot_imgspot_img
এই বিভাগের আরও খবর
- Advertisment -spot_img

সর্বাধিক পঠিত