পিরোজপুরে দুই সন্তানের জননী প্রবাসীর বউ, সন্তান রেখে ছাত্র নেতার সাথে চম্পট

 

 

পিরোজপুরে প্রতিনিধি:-

 

পিরোজপুর সদরের ১ নং শিকদার মল্লিক ইউনিয়নের ৬ ওয়ার্ডের জুজখোলা গ্রামের দুই সন্তানের জননী শুকতারা বেগম-২৮
স্বামী প্রবাসী মোঃ আজিজ শেখ ৩২ এর বউ, সন্তান রেখে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি সরদার সিরাজুল ইসলাম (সেজান ):এর সাথে পালিয়ে যায়।

গত মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি)
আ: আজিজ শেখ এর নিজ বাড়ি থেকে নগদ তিন লক্ষ টাকা দুই ভরি স্বর্ণালংকার সহ দুই অটো মালামাল ভরে নিয়ে নিরুদ্দেশ হয় শুকতারা বেগম,

এলাকার সূত্রে জানা যায় এক অটো মালমাল সহ তার বড় ছেলে তাহসিন ৯ কে শুকতারা তার বাবার বাড়ি নাজিরপুরের কুমারখালীর গোদারা গ্রামের পাঠিয়ে দেয়।

আর এক অটো মালামাল এবং নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার সহ ছোট সন্তান মোঃ তানজির ( ২ ) কে নিয়ে সে তার প্রেমিক এর সাথে আত্মগোপনে চলে যায়।

তার বাবার বাড়ির লোকজন ও তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে পিরোজপুর সদর থানা একটি সাধারণ ডায়েরি করে।

পরে শুকতারার বাবার বাড়ির লোকজন জানতে পারে যে ,সে এক ছেলের সাথে চলে গিয়েছে,
সে ওই একই গ্রামের ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি সেজান ২৫
বাবার নাম সরদার নজরুল ইসলাম চাঁন ।
পরে সেজানের সাথে শুকতারার বাবা মোঃ ওয়াহিদ কবিরাজ যোগাযোগ করলে শুকতারার কথা জিজ্ঞেস করায় সেজান অস্বীকার করেন, এবং একপর্যায়ে স্বীকার করেন। শুকতারার বাবাকে শুকতারার কথিত প্রেমিক সেজান জানান
প্রায় চার মাস পূর্বে নোটারির মাধ্যমে মোঃ আব্দুল আজিজ কে ডিভোর্স দিয়েছিল শুকতারা, তখন শুকতারার বাবা সেজানের কাছে আব্দুল আজিজ এর ছোট সন্তান দাবি করলে সেজান থানার অভিযোগ উঠিয়ে নেওয়ার শর্তে ছোট সন্তান আর বাবার কাছে ফেরত দেয়।

পরে পিরোজপুরে বৈদ্য বাড়ির মোড় থেকে শুকতারার বাবার কাছে আ: আজিজ ২ বছর বয়সী ছেলেকে শুকতারা র কথিত প্রেমিক ফেরত দেন।

এই প্রতিবেদককে মুঠোফোনে
মোঃ আব্দুল আজিজ বলেন আমার সাজানো সংসার সেজান নষ্ট করে দিয়েছে আমি এর উপযুক্ত বিচার চাই,
শুকতারার বাবা মোঃ ওয়াহিদ কবিরাজ বলেন আমার মেয়ে কোথায় আছে আমি জানি না,
তবে সেজান আমার মেয়ের ছোট সন্তানকে আমার কাছে দিয়েছে ।
আমার ধারণা মেয়ে সেজানের কাছেই আছে, আব্দুল আজিজ এর বাবা মোঃ হেমায়েত শেখ পুরো ঘটনার জন্য সেজনকে দায়ী করেন।

ঘটনার বিবরনে জানা যায় আজ থেকে চার মাস পূর্বে নোটারির মাধ্যমে আব্দুল আজিজ কে ডিভোর্স দিয়েছিল শুকতারা ,তারপরও সে আজিজের ঘরে থেকে প্রেম চালিয়ে গেছে। পালিয়ে যাবার পর সে ডিভোর্সের কথা স্বীকার করে।

এ ব্যাপারে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ জ ম মাসুদ উজ্জামান বলেন আমরা অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নিব, তবে শুনেছি মেয়েটি তার স্বামীকে চার মাস আগেই ডিভোর্স দিয়েছে।

 

পিরোজপুর সংবাদদাতা

এই ওয়েবসাইটের সকল লেখার দায়ভার লেখকের নিজের, স্বাধীন নিউজ কতৃপক্ষ প্রকাশিত লেখার দায়ভার বহন করে না।
এই বিভাগের আরও খবর
- Advertisment -

সর্বাধিক পঠিত

- Advertisment -