ফারাক্কায় ভেসে আসছে লা’শ, পদ্মায় কড়া নজরদারি!

0
34

করো’নার দ্বি’তীয় ঢে’উয়ে বে’সামাল ভা’রত। দেশটির অ’ন্যান্য রা’জ্যের মতো প’শ্চিমবঙ্গেও ছ’ড়িয়ে পড়েছে ভাই’রাসটির সং’ক্রম’ণ। আর প্রতিদিনই বাড়ছে মৃ’ত্যু ও শনা’ক্তের সংখ্যা। এর মধ্যেই বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মাল’দা ও মুর্শিদাবাদ জেলার ফারা’ক্কা পয়ে’ন্টে ভেসে আ’সছে অ’সংখ্য লা’শ। এসব লা’শ গঙ্গা নদী থেকে তুলে পুঁ’তে ফেলা হচ্ছে তী’রেই। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এমন খবর প্রকাশিত ও প্রচারিত হওয়ার পর পদ্মা নদীতে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

জানা গেছে, ফারাক্কা বাঁধের ১০ কিলোমিটার উজানে রা’জমহলে লা’শ ভা’সতে দেখলেই তা তুলে নদী তীরে পুঁ’তে ফে’লছেন ভার’তের পু’লিশ ও আ’ধাসাম’রিক বাহিনীর সদস্যরা। কয়েকদিনে ফা’রা’ক্কা বাঁধে আ’টকে পড়া অর্ধশ’তাধিক লা’শ উ’দ্ধারের খবর বি’জিবির কাছে এসেছে। মঙ্গলবার বিজিবির ৫৩ ব্যা’টালিয়নের অধি’নায়ক লে. কর্নেল সুরুজ মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, ফারা’ক্কার উজা’নে গঙ্গা ন’দীতে বিপুল’সংখ্যক লা’শ ভাসি’য়ে দেয়া হয়েছে।

ফারা’ক্কার তিনটি গে’ট খো’লা থাকায় এসব লা’শ পদ্মা ন’দীতে আ’সার আশ’ঙ্কা র’য়েছে। তাই পদ্মায় বাড়া’নো হয়েছে বি’শেষ নজর’দারি। তবে এখন পর্যন্ত কো’নো লা’শ পা’ওয়া যা’য়নি। স্থানীয় প্রশাসন থেকে নদী তীরবর্তী মানুষদের স’তর্ক ও স’জাগ থাকতে অনুরোধ করা হয়েছে। ভার’তের উত্তরাখ’ণ্ডের হ’রিদ্বার, উ’ত্তর প্রদে’শের বা’রানসী, কা’নপুর, এলাহাবাদ, বিহারের পাটনা, মুঙ্গের, ভাগলপুর এবং পশ্চিমবঙ্গের মালদা ও মুর্শিদাবাদ জে’লার বাসিন্দাদের গ’ঙ্গার পা’নি ব্যব’হার থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে দেশটির জনস্বাস্থ্য বিভাগ।

এ কারণে বাংলাদেশও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিস্তীর্ণ সীমা’ন্ত এলাকায় অ’নুপ্রবেশ রোধে ও প’দ্মায় নজ’রদারি রা’খতে বি’জিবির পক্ষ থেকে গ্রামে গ্রামে মাই’কিং করা হচ্ছে। এ সীমা’ন্ত দিয়ে কেউ যেন বাংলাদেশে ঢুকতে না পারে সেজন্য সতর্ক রয়েছে বিজিবি। চাঁপাইনবাবগঞ্জের ডিসি মঞ্জুরুল হাফিজ জানান, বিস্তীর্ণ সীমান্ত দিয়ে কেউ যেন বাংলাদেশে ঢুকতে না পারে সেজন্য বিজিবিকে বলা হয়েছে। সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদেরও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

সীমান্তবর্তী পাকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন বলেন, পদ্মায় লা’শ দেখা গেলে প্রশাসনকে খবর দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। লা’শ দেখ’লেই যেন জানানো হয় সেজন্য জেলেদের বলা হয়েছে । চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী পাকা ও মনোহরপুর এলাকা থেকে ফারাক্কার দূরত্ব ১৮ কিলোমিটার। এ এলাকা দিয়ে গঙ্গা নদী বাংলাদেশে ঢুকে পদ্মা নদী নাম ধারণ করে। এরপর চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে শুরু করে রাজশাহী, পাকশী (পাবনা) ও রাজবাড়ী জেলার ২৫৮ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে পদ্মা নদী বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। হিমালয়ের গাঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে জন্ম নেয়া গঙ্গা ভারতের চারটি রাজ্যের দুই হাজার ৫২৫ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানে পদ্মা নামে বাংলাদেশে ঢুকেছে।