বাংলাদেশ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব সাধন চন্দ্র মজুমদার কে স্বাধীন নিউজের পক্ষ থেকে জন্মদিনের প্রীতি এবং শুভেচ্ছা।

0
12

সাব্বির হোসেন ,নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

খাদ্যমন্ত্রী বাবু সাধন চন্দ্র মজুমদার এর এই মুহূর্তে বয়স ৭১ বছর।
১৯৫০ সালের জুলাই মাসে এক সুন্দর সোমবারের এই পৃথিবীতে ভূমিষ্ঠ হয়েছিলেন তিনি। এরপরই তার জীবনের সঙ্গে লড়াই শুরু। শুরুর দিকটা খুব কষ্টসাধ্য ভাবেই কেটেছে তার। ভাত নাই, পানি নাই, খুব কষ্ট করে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সফল হয়েছে। আর তার এই সাফল্যের অন্যতম সেরা সূচনা টা হচ্ছে রাজনীতি নিয়ে।
সাধন চন্দ্র মজুমদার নতুন সরকারে খাদ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন । কৃষক পরিবারের সন্তান সাধন নিজেও একজন কৃষক। তাঁর চালের ব্যবসাও রয়েছে।

সাধন চন্দ্র মজুমদার নওগাঁ-১ (নিয়ামতপুর-পোরশা-সাপাহার) আসনের থেকে তিনবার নির্বাচিত হয়েছেন। পারিবারিক সূত্রেই ধান-চালের ব্যবসায় জড়িত তিনি।
সাধনকে চেনা নওগাঁর আওয়ামী লীগ নেতারা মন্তব্য করেছেন,তাকে খাদ্যমন্ত্রী করায় শেখ হাসিনা বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছেন বলে ।
৭১ বছর বয়সী সাধনের চার মেয়ে, স্ত্রী চন্দনা মজুমদার মারা গেছেন ১৯৯২ সালে। এখন নওগাঁ শহরের পাশাপাশি গ্রামের বাড়িতেও বসবাস করেন সাধন চন্দ্র মজুমদার। সেখানেই তাদের পারিবারিক চালের আড়ত রয়েছে।
১৯৫০ সালের ১৭ জুলাই জন্ম নেওয়া সাধন নওগাঁ ডিগ্রি কলেজ থেকে বিএ (স্নাতক) পাশ করার পর বাপ-দাদার পেশা কৃষি ও ধান-চালের ব্যবসা শুরু করেন।
ছাত্রজীবন থেকেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত সাধন চন্দ্র মজুমদার স্থানীয় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পদে থাকার পাশাপাশি জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
জনপ্রতিনিধি হিসেবে সাধনের যাত্রা শুরু হয় নিজের ইউনিয়ন হাজীনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে। এরপর আশির দশকে এরশাদ আমলে আওয়ামী লীগের সমর্থনেই নিয়ামতপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি।

জনপ্রতিনিধি হিসেবে সাধনের যাত্রা শুরু হয় নিজের ইউনিয়ন হাজীনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে। এরপর আশির দশকে এরশাদ আমলে আওয়ামী লীগের সমর্থনেই নিয়ামতপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি।
পরে কয়েক দফায় নওগাঁ-১ আসনে নৌকার প্রার্থী হিসেবে জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে গেলেও ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে সংসদে আসেন সাধন। পরে ২০১৪ সালের দশম সংসদ ও গত ৩০ ডিসেম্বরের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটের নির্বাচিত হন তিনি।
জেলার প্রবীণ নেতা ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এ কে এম ফজলে রাব্বি বলেন, “সাধন চন্দ্র মজুমদার কৃষক পরিবারেই বেড়ে উঠেছেন এবং তিনি নিজেও কৃষি পেশায় নিয়োজিত। কাজের উপযুক্ত ক্ষেত্র তিনি পেয়েছেন। তার হাত ধরে শুধু নওগাঁ নয়, সারা দেশে কৃষি ও কৃষকের ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হবে বলে আমার বিশ্বাস।”
বাংলাদেশের চালের যোগানের একটি বড় অংশ আসে উত্তরের জেলাগুলো থেকে, ওই জেলাগুলোর মধ্যে নওগাঁ অন্যতম। সেখান থেকে এই পেশায় জড়িত একজনকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া, তিনি পূর্বসূরিদের চেয়ে ভালো করবেন বলে মনে করছেন নওগাঁ ধান-চাউল আড়তদার ও ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি।
তিনি বলেন, “খাদ্য ভাণ্ডারের মধ্যেই তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা। তাকে খাদ্যমন্ত্রী নিয়োজিত করার বিষয়টি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। আমি মনে করি, ইতোপূর্বে দায়িত্বপ্রাপ্ত খাদ্যমন্ত্রীদের চেয়ে সাধন চন্দ্র মজুমদার অবশ্যই ভালো করবেন।”
নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার শিবপুর বলদাহাট গ্রামের প্রয়াত কামিনী কুমার মজুমদার ও সাবিত্রী বালা মজুমদারের ঘরের জন্ম সাধনের। নয় ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন অষ্টম।
সাধন চন্দ্র মজুমদার সাংসদ হওয়ার পর ‘ঠাঁ ঠাঁ বরেন্দ্র অঞ্চল’ হিসাবে পরিচিত নিয়ামতপুর-সাপাহার ও পোরশা এলাকায় বৃক্ষরোপনে জোর দেন। পাশাপাশি রাস্তা-ঘাঁট, ব্রিজ-কালর্ভাট, স্কুল-কলেজ মাদ্রাসাসহ অবকাঠামোগত উন্নয়নে এলাকায় প্রশংসিত হন তিনি। এলাকার মানুষের কাছে ভদ্র, বিনয়ী ও মিষ্ঠ ভাষী হিসেবে পরিচিতি রয়েছে ।

“তিনি খাদ্যমন্ত্রী হওয়ায় জেলার সাবির্ক উন্নযনসহ নওগাঁয় ধান-চালের উৎপাদন ঘিরে একটা শিল্প এলাকা হিসাবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।”
আর আজ সেই কৃষক ঘরের সন্তান সে নিজেও একটা কৃষক এবং বাংলাদেশ খাদ্য মন্ত্রণালয়ে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার কে স্বাধীন নিউজ এর পক্ষ থেকে জানাই জন্মদিনের প্রীতি এবং শুভেচ্ছা ।