বাড়ির সামনে বর্জ্য ফেললে অধিক বর্জ্য ফেলবে ডিএনসিসি

0
9

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

কথা বলছেন মেয়র আতিকুল ইসলাম।

ঢাকা: কেউ যদি নিজের বাড়ির সামনে কোরবানির পশুর বর্জ্য ফেলে তাহলে সেই বাড়ির সামনে ময়লার গাড়ি দিয়ে আরো অধিক পরিমাণ বর্জ্য ফেলে আসা হবে। এমনই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (২০ জুলাই) রাজধানীর মহাখালীতে ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতালে বিজিএমইএ কর্তৃক করোনা রোগীদের জন্য জীবন রক্ষাকারী বাইপ্যাপ এবং হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা মেশিন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, ঈদুল আজহায় স্থানীয় কাউন্সিলরসহ সবার আন্তরিক সহযোগিতায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ করা হবে।

বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের আওতায় আসন্ন ঈদুল আজহায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে সর্বমোট ১১ হাজার ৫শ ৮ জন কর্মী কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কাজে নিয়োজিত থাকবে। কোরবানি পশুর বর্জ্য অপসারণে গুলশানের নগর ভবনে কন্ট্রোলরুম স্থাপন করা হয়েছে।

কন্ট্রোলরুমের নম্বরগুলো- ০২৫৮৮১৪২২০, ০৯৬০২২২২৩৩৩ এবং ০৯৬০২২২২৩৩৪। এরপরেও যদি কেউ বাড়ির সামনে রাস্তায় বর্জ্য ফেলে তাহলে সিটি কর্পোরেশনের গাড়ি দিয়ে তার বাড়ির সামনে বর্জ্য ফেলে আসা হবে।

আতিক আরো বলেন, কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্বারা যাতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের সৃষ্টি না হয় সেজন্য ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের মাধ্যমে নগরবাসীর মধ্যে ইতোমধ্যে ৬ লাখ ৫০ হাজার বর্জ্য ব্যাগ, ৫০ মেট্রিক টন ব্লিচিং পাউডার এবং ৫ লিটার আয়তনের ১০০৫ ক্যান স্যাভলন বিতরণ করা হয়েছে।

করণাকালে নগরীর সামর্থবানদের অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান আতিক।

প্রধান অতিথি হিসেবে নিজের বক্তৃতাশেষে ডিএনসিসি মেয়র বিজিএমইএ প্রদত্ত বাইপ্যাপ সুবিধাসহ ১৫টি হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা মেশিন এবং ৫০ হাজার মাস্ক হাসপাতালের পরিচালকের কাছে হস্তান্তর করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান, ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জোবায়দুর রহমান এবং হাসপাতালের পরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন।