ভ্যাপসা গরমে নাকাল রাজধানীবাসী

0
45

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: রাজধানীর বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৪ শতাংশ। ফলে বেড়েছে ভ্যাপসা গরম।

আর এতে রীতিমত নাকাল ঢাকাবাসী। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বর্ষাকালীন নিম্নচাপের সম্ভাবনা রয়েছে।

ফলে ভ্যাপসা গরম কমতে পারে সপ্তাহের শেষ নাগাদ।
আবহাওয়াবিদ একেএম রুহুল কুদ্দুছ জানান, উত্তর বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপের সৃষ্টি হচ্ছে।

এটি নিম্মচাপে পরিণত হলে পরিবেশ ঠাণ্ডা হয়ে আসবে। তবে ঘূর্ণিঝড়ের কোনো শঙ্কা নেই।
বৃষ্টিপাত বাড়বে দু’দিন পর থেকে।
আবহাওয়া অফিস জানায়, শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ঢাকায় ৩৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তার সঙ্গে দক্ষিণ-পূর্ব মৌসুমী বায়ু যোগ হয়ে বেড়েছে বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ। ফলে বেড়েছে ভ্যাপস গরম।

শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে হালকা বাতাস থাকলেও গরম অনুভূত হচ্ছে খুব বেশি। দুপুরে সামান্য বৃষ্টি হলেও অবস্থার কোনো উন্নতি নেই।

বর্তমানে মৌসুমী বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ ভারতের রাজস্থান, মধ্য প্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল অবস্থায় রয়েছে।

এ অবস্থায় রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল নাগাদ রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

ঢাকায় দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ থাকবে ৮ থেকে ১৫ কি.মি.।

সোমবার নাগাদ উত্তর বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের সৃষ্টি হতে পারে এবং বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে।

এদিকে কুমিল্লা, ঢাকা, মাদারীপুর, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কি.মি. বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া আকারে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। তাই এসব এলাকার সব নদীবন্দরকে এক নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।