মনের অনুভুতি প্রকাশের সর্বোত্তম মাধ্যম হলো সাহিত্য-জেলা প্রশাসক সহিদুজ্জামান

 

জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধিঃ

 

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে বাংলা একাডেমির সহযোগিতায় খাগড়াছড়িতে দুই দিন ব্যাপি সাহিত্য মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে।

বুধবার (২৮ ডিসেম্বর ২০২২ইং) সকালের দিকে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে টাউন হলে দুই দিন ব্যাপি সাহিত্য মেলা শুরু হয়েছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক ও খাগড়াছড়ি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত হয়ে মেলার উদ্বোধন করেন খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক বলেন, সব মানুষের জীবনেই সুখ-দুঃখ আনন্দ-বেদনা, হাসি-খুশীর বিষয়-আশয় থাকে। কবি সাহিত্যিকরা সেসব বিষয় হৃদয়গ্রাহী করে সবার কাছে বোধগম্য করে তোলেন।

সাহিত্য কখনো কখনো জাতীয় জীবনের উত্থান-পতনেও ভূমিকা রাখে। যেমন আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে কবি-সাহিত্যিক-সাংবাদিক ও শিল্পীদের অসামান্য অবদান ছিলো।
তিনি খাগড়াছড়ির সাহিত্যসেবীদের উন্নয়ন এবং সাহিত্যচর্চার অগ্রগতিতে জেলা প্রশাসনের অব্যাহত ভূমিকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

 

স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বাংলা একাডেমি’র উপ-পরিচালক- খ্যাতিমান গবেষক ড. সাইমন জাকারিয়া।

এসময় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোছাম্মৎ সুস্মিতা ইসলাম, খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার কার্যালয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এইচ এম এরশাদ বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন।

 

দীপালোক আবৃত্তি কুঞ্জ’র সংগঠক প্রতিভা ত্রিপুরার উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন যথাক্রমে বিশিষ্ঠ লেখক ও কবি মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা,খাগড়াছড়ি সরকারি মহিলা কলেজ’র শিক্ষক কৃতি চাকমা এবং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ’র জনসংযোগ কর্মকর্তা ও প্রাবন্ধিক চিংলামং চৌধুরী।

 

পরে মঞ্চে চর্যাপদের গান পরিবেশন করেন, লালন ঘরানার সুখ্যাত শিল্পী সাধিকা সৃজনী তানিয়া এবং স্থানীয় নৃত্য-গীত ও আবৃত্তি শিল্পীরা।আগামীকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দুই দিনের জেলা সাহিত্য মেলা শেষ হবে বলে জানান সাহিত্য মেলার আয়োজকরা।

এই ওয়েবসাইটের সকল লেখার দায়ভার লেখকের নিজের, স্বাধীন নিউজ কতৃপক্ষ প্রকাশিত লেখার দায়ভার বহন করে না।
এই বিভাগের আরও খবর
- Advertisment -

সর্বাধিক পঠিত

- Advertisment -