advertisement

মনোনয়ন জমা দিলেন কুষ্টিয়া উজানগ্রামের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নৌকা প্রতিকের প্রত্যাশী আবু বকর সিদ্দিক

মোঃ রবিউল ইসলাম হৃদয় (কুষ্টিয়া) :

কুষ্টিয়া সদর উপজেলার উজানগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক (বক্কার)চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী দলীয় নৌকা প্রতিকের প্রত্যাশী হিসেবে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন। সোমবার ২৯ শে নভেম্বর দুপুরে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রধান মনোনয়ন জমা দেন তিনি। উজানগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামীলীগকে নিজের দক্ষ নেতৃত্বের মাধ্যমে শত বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে একটি শক্তিশালী ইউনিট হিসেবে সুসংগঠিত করে রেখেছেন মোঃ আবু বকর সিদ্দিক। দলের চরম দুর্দিনে যখন ইউনিয়নের মাটিতে মুখ ফুটে কেউ আওয়ামিলীগের কথা বলার মত ছিলনা তখনো তিনি একা উজানগ্রাম ইউনিয়ন এর রাজপথ দখল করে রেখেছেন তার শক্তি এবং ক্ষমতা দিয়ে। তিনি ইউনিয়নের একজন সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান । দলের চরম দুর্দিনে বিএনপি-জামাতের ক্ষমতার সময় নানা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তিনি। তবুও হাল ছেড়ে যাননি।কারন তার রক্তে মিশে আছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ । জীবনে তিনি অনেক স্বনামধন্য পদের অধিকারী হয়েছেন৷ তিনি উজানগ্রাম ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক।
উজানগ্রাম ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক
সভাপতি । উজানগ্রাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান। বৃত্তিপাড়া বাজার বনিক সমিতির সাবেক উপদেষ্টা। টানা ৩ বার উজানগ্রাম আলীম মাদ্রাসার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে মহিষাডাংগা কওমী মাদ্রাসার উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন। এ ছাড়াও উজানগ্রাম ইউনিয়ন করোনা স্বেচ্ছাসেবক ফোর্স সংগঠনের প্রতিষ্টাতা তিনি ।
তিনি জন্মলগ্ন থেকে আওয়ামীলীগ রাজনৈতির সাথে জড়িত থাকার কারনে জীবনে অনেক বিপদের সম্মুখীন হতেও হয়েছে তাকে। ২০১৩ সালে দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর ফাসির রায়ের দিন হাজারেরো অধিক জামায়াত, শিবীর, বিএনপির সমর্থকেরা আওয়ামীলীগের ব্যানার ফেস্টুন ভাংচুর করে এবং আবু বকর সিদ্দিকীর বসত বাড়িতে হামলা চালিয়েছিলো। তার বড় ছেলে সৌরভ কুষ্টিয়া সদর উপজেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ২০১৪ সালে তার বড় ছেলে সৌরভ সিদ্দিককে বৃত্তিপাড়া বাজার থেকে জামাত শিবীর বিএনপির লোকজন গুলি করে হত্যার চেষ্টা করে। তবুও আওয়ামীলীগ রাজনৈতি ছেড়ে যাননি তিনি। সমাজের অসহায় নিপীরিত মানুষের প্রতিও রয়েছে তার ভালোবাসা।মহামারী করোনা ভাইরাসের দূর্যোগের মধ্যে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক ও কুষ্টিয়া ৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহাবুব উল হানিফের নির্দেশনায় সদর উপজেলার চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতার নেতৃত্বে তার নিজ অর্থায়নে ইউনিয়নের প্রতিটা ওয়ার্ডের মানুষের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী, ঔষধ ও নগদ অর্থ বিতরন করেছেন। করোনাকালীন সময়ে বিশেষ অবদান রাখায় ড. শহিদুল্লাহ গোল্ডেন এ্যাওয়ার্ড ২০২১ লাভ করেছেন। এ ছাড়াও সমাজ সেবায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য মাদার তেরেসা গোল্ডেন এ্যাওয়ার্ড ২০২১ লাভ করেছেন তিনি। এই রকম একজন গুনী মানুষকে কেই না চাই। তাই এবারের নির্বাচনে এলাকার সাধারন জনগন আবু বকর সিদ্দিককে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই এবং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা নৌকা প্রতিকের যোগ্য ব্যাক্তি হিসেবে আবু বক্কর সিদ্দিককেই চাই।

spot_imgspot_imgspot_imgspot_img
এই বিভাগের আরও খবর
- Advertisment -spot_img

সর্বাধিক পঠিত