1. smdsagor24@gmail.com : 01815334574 :
  2. habiburrahmansujon@gmail.com : হাবিবুর রহমান সুজন : হাবিবুর সুজন
  3. : স্বাধীন নিউজ আমাদের : স্বাধীন আমাদের
  4. abdishan123@gmail.com : Abdur Rahman Ishan : Abdur Rahman Ishan
  5. arif.kfj333@gmail.com : Ariful islam :
  6. kmazim1995@gmail.com : Azim Hossen Imran Khan : Azim Hossen Khan
  7. mdsujan458@gmail.com : অ্যাডমিন : Habibur Rahman
  8. hmnaiemsurma@gmail.com : hmnaiem7510 :
  9. holysiamsrabon@gmail.com : Holy Siam Srabon :
  10. mintu9250@gmail.com : kishor01875 :
  11. md.khairuzzamantaifur@gmail.com : Khairuzzaman Taifur : Khairuzzaman Taifur
  12. liakatali870a@Gmail.com : Liakat :
  13. liakatali880a@Gmail.com : Liakat ali :
  14. mirajshakil34@gmail.com : Mahadi Miraj : Mahadi Miraj
  15. niazkhan.tazim@gmail.com : Md. Mehedi Hasan Niaz :
  16. mdnazmulhasanofficial7@gmail.com : Md.Nazmul Hasan :
  17. mdnazmulofficial10@gmail.com : Md Nazmul Hasan : Md Nazmul Hasan
  18. mdtowkiruddinanis@gmail.com : Md Towkir Uddin Anis : Md Towkir Uddin Anis
  19. : Meharab Hossin Opy : Meharab Opy
  20. eng.minto@live.com : Mintu Kanti Nath : Mintu Nath
  21. insmonzur5567@gmail.com : Monzur Liton : Monzur Liton
  22. robiulhasanctg5@gmail.com : Rabiul Hasan :
  23. : Rabiul Hasan : Rabiul Hasan
  24. : Rabiul Hasan : Rabiul Hasan
  25. rubelsheke@gmail.com : Rubel Sk : Rubel Sk
  26. smhasan872@gmail.com : S.M. Mehedi Hasan :
  27. sayedtamimhasan@gmail.com : sayedtamimhasan@gmail.com :
  28. sheikhshouravoriginal@gmail.com : Sheikh Shourav : Sheikh Shourav
  29. admin@swadhinnews.com : নিউজ রুম :
  30. h.m.tawhidulislam@gmail.com : tawhidul : tawhidul
  31. wadudhassan503@gmail.com : Wadud hassan :
  32. Wadudtkg@gmail.com : Wadud khn :
মুকুট মণি শেখ হাসিনাকে জানাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা। - স্বাধীন নিউজ
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ১০:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
একটি হারানো বিজ্ঞপ্তি- মান্দায় ইউপি নির্বাচনে নৌকার প্রতীক পেলেন যারা আমরা বিপ্লবী নই, গণতন্ত্রে বিশ্বাসী : মির্জা ফখরুল আগৈলঝাড়ায় নূর মোহাম্মদ গাজী স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত। চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উযাপন পরিষদের জে এম সেন হলে আলোক প্রজ্জ্বলিত প্রতিবাদ ও মানববন্দন। বড় মৌকটলা যুব কাফেলার পরিচালনায় যথাযথ মর্যাদায় ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত ছুটির দিনে পর্যটকে ঠাসা কক্সবাজার সৈকত শ্রমিক ও পর্যটকদের জন্য খুলছে মালয়েশিয়ার দুয়ার মানুষ মানুষের জন্য সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে হুইল চেয়ার বিতরণ। বড়লেখা নারী শিক্ষা একাডেমি কলেজে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পেয়েছেন এ কে এম হেলাল উদ্দিন

মুকুট মণি শেখ হাসিনাকে জানাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা।

প্রতিবেদক
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৬০ বার পড়া হয়েছে।

নাইম ইসলাম নিবির

আজ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ কন্যা, স্বাধীন বাংলাদেশে ’৭৫ পরবর্তী সময়ে ইতিহাসের সবচেয়ে সফল রাষ্ট্রনায়ক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মুকুট মণি জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার জন্মদিন।২৮ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭ সালে টুঙ্গিপাড়া গ্রামে তাঁর জন্ম হয়। পিতা শেখ মুজিব তখন কলকাতায় ভারত ভাগের পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি, দাঙ্গা প্রতিরোধ এবং লেখাপড়া নিয়ে মহাব্যস্ত। দাদা ও দাদীর স্নেহ-আশীর্বাদ নিয়ে শেখ হাসিনার জীবন শুরু হয়। দাদা তার নাম রাখেন ‘হাসিনা’। জন্মের খবর পেয়ে পিতা একদিন হঠাৎ বাড়ি এসে মেয়েকে কোলে তুলে নিয়ে ‘হাচুমণি’ ডেকে আনন্দ প্রকাশ করে কপালে চুম্বন এঁকে দিলেন। বঙ্গবন্ধুর সেই আদরের নয়নমণি ছোট্ট ‘হাচুমণি’ আজ বাংলাদেশের জনগণের প্রিয় নেত্রী হয়ে উঠলেন এবং ধীরে ধীরে বিশ্বনেত্রীর মর্যাদায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করলেন। গ্রামের নদী-নালা-খাল-বিলের স্রোতের শব্দ এবং সবুজ প্রকৃতির গন্ধ মেখে তার শৈশব কাটে। সেখানেই তার শিক্ষা জীবন শুরু হয়।

১৯৫৪ সালের নির্বাচনে শেখ মুজিবুর রহমান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য (এমপিএ) নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি তাঁর পরিবারকে ঢাকায় নিয়ে আসনে। পুরানো ঢাকার মোগলটুলির রজনী বোস লেনে বসবাস শুরু করেন। পরে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার সদস্য নির্বাচিত হলে আবাস স্থানান্তরিত হয় ৩ নম্বর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে। ১৯৫৬ সালে শেখ হাসিনা ভর্তি হন টিকাটুলির নারীশিক্ষা মন্দির বালিকা বিদ্যালয়ে। ধানমণ্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বর রোডের বাড়িতে বসবাস শরু করেন ১৯৬১ সালের ১ অক্টোবর। এ সময় শেখ হাসিনা ১৯৬৫ সালে আজিমপুর বালিকা বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯৬৭ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন ঢাকার বকশী বাজারের পূর্বতন ইন্টারমিডিয়েট গভর্নমেন্ট গার্লস কলেজ (বর্তমান বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয়) থেকে। কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি কলেজ ছাত্র সংসদের সহ-সভানেত্রী (ভিপি) পদে নির্বাচিত হন। একই বছর ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মানের নির্মাতা। হিমাদ্রী শিখর সফলতার মূর্ত-স্মারক, উন্নয়নের কাণ্ডারি। উন্নত সমৃদ্ধ ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার। বাঙালির আশা-আকাঙ্ক্ষার একামাত্র বিশ্বস্ত ঠিকানা, বাঙালির বিশ্বজয়ের স্বপ্নসারথী। বিশ্বরাজনীতির উজ্জ্বলতম প্রতীক, বিশ্ব পরিমণ্ডলে অনগ্রসর জাতি-দেশ-জনগোষ্ঠীর মুখপাত্র, বিশ্বনন্দিত নেতা। বারবার মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসা ‘নীলকণ্ঠ পাখি’, মৃত্যুঞ্জয়ী মুক্তমানবী। তিমির হননের অভিযাত্রী, মাদার অব হিউম্যানিটি। আত্মশক্তি-সমৃদ্ধ সত্য-সাধক। প্রগতি-উন্নয়ন শান্তি ও সমৃদ্ধির কারিগর। সমুদ্র সমান অর্জনে সমৃদ্ধ শেখ হাসিনার কর্মময় জীবন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেধা-মনন, সততা, নিষ্ঠা, যোগ্যতা, প্রাজ্ঞতা, দক্ষতা, সৃজনশীলতা, উদারমুক্ত গণতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গী ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে উন্নীত হয়েছে। এক সময়ের কথিত ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ দারিদ্র্য-দুর্ভিক্ষে জর্জরিত। বাংলাদেশকে অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম করতে হয়েছে জননেত্রী শেখ হাসিনার কল্যাণমুখী নেতৃত্বে। সেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বজয়ের নবতর অভিযাত্রায় এগিয়ে চলছে অবিরাম। বাংলাদেশ আজ বিশ্বসভায় আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

রাজনৈতিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করায় কিশোর বয়স থেকেই বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার রাজনীতিতে পদচারণা শুরু হয়। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে সর্ববৃহৎ ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের নেত্রী হিসাবে তিনি আইয়ুব-বিরোধী আন্দোলন এবং ৬-দফা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু উত্থাপিত ৬-দফা দাবিতে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানে এক অভূতপূর্ব গণজাগরণ সৃষ্টি হয়। শাসকগোষ্ঠী ভীত-সন্তস্ত হয়ে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে। শুরু হয় প্রচণ্ড দমন-নির্যাতন-নিপীড়ন। আটক থাকা অবস্থাতেই বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী দায়ের করে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা। তাঁর জীবন ও পরিবারের ওপর নেমে আসে গভীর শঙ্কা, অনিশ্চয়তা ও অসহনীয় দুঃখ-কষ্ট। এই ঝড়ো দিনগুলিতেই, কারাবন্দি পিতার আগ্রহে ১৯৬৭ সালের ১৭ নভেম্বর পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম. এ ওয়াজেদ মিয়ার সাথে শেখ হাসিনা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের কিছুদিন পর শুরু হয় বাঙালি জাতির ১১-দফা আন্দোলন ও ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কাল রাতে বঙ্গবন্ধুকে যখন পাকহানাদার বাহিনী গ্রেপ্তার করে পাকিস্তানের করাচিতে নিয়ে যায় তখন বঙ্গবন্ধুর গোটা পরিবারকে ঢাকায় ভিন্ন একটি বাড়িতে গৃহবন্দি করে রাখা হয়। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের ২৭ জুলাই গৃহবন্দি থাকাবস্থায় শেখ হাসিনার প্রথম সন্তান সজীব ওয়াজেদ জয় জন্ম গ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালের ১৭ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পর পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথে তিনি মুক্ত হন। ১৯৭২ সালের ৯ ডিসেম্বর তার কন্যা সন্তান সায়মা ওয়াজেদ পুতুল জন্ম লাভ করেন। ১৯৭৩ সালে শেখ হাসিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট কালরাতে ঘাতকের নির্মম বুলেটে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হন। এসময় বিদেশে থাকায় পরম করুণাময় আল্লাহর অশেষ রহমতে প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা।

১৯৮১ সালের ১৪, ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার ইডেন হোটেলে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক কাউন্সিল অধিবেশনের মধ্য দিয়ে জাতির এক ক্রান্তিলগ্নে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাঁকে সংগঠনের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। ডাক আসে দেশ-মাতৃকার সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের হাল ধরার। সামরিক শাসকদের রক্তচক্ষু ও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ১৯৮১ সালের ১৭ মে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। এরপর দীর্ঘ ২১ বছর ধরে সামরিক জান্তা, স্বৈরশাসন ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে চলে একটানা অকুতোভয় সংগ্রাম। জেল-জুলম, অত্যাচার কোনোকিছুই তাঁকে এক বিন্দুও থামাতে পারেনি।

১৯৯৬ সালের ১২ জুনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়ের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনা প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। তাঁর সরকারের আমলেই ভারতের সাথে স্বাক্ষরিত হয় ঐতিহাসিক গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি। সম্পাদিত হয় পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি। বাংলাদেশ অর্জন করে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা। জাতীয় প্রবৃদ্ধি ৬.৪ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়। মুদ্রাস্ফীতি নেমে আসে ১.৫৯ শতাংশে। দারিদ্র্য হ্রাস পায়। খাদ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ক্রীড়াসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। বাংলাদেশের ইতিহাসে শেখ হাসিনার প্রথমবারের (১৯৯৬-২০০১) শাসনকাল চিহ্নিত হয় ’৭৫ পরবর্তী সময়ের স্বর্ণযুগ হিসেবে।

২০০১ সালের ষড়যন্ত্র ও কারচুপির নির্বাচনের পর বিএনপি-জামাত অশুভ জোট ক্ষমতা গ্রহণ করে। এ সময় দমন-নিপীড়নের মাধ্যমে জোট সরকার সারাদেশে কায়েম করে ত্রাসের রাজত্ব। হত্যা করা হয় ২১ হাজার দলীয় নেতা-কর্মীকে। ২০০৪ সালের একুশে আগস্ট তদানীন্তন বিএনপি-জামাত জোটের সরকারি মদদে আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশে চালানো হয় পরিকল্পিত নারকীয় গ্রেনেড হামলা; যার প্রধান লক্ষ্য ছিল শেখ হাসিনাকে হত্যা করা। গুরুতরভাবে আহত হলেও আল্লাহর অশেষ রহমতে তিনি প্রাণে বেঁচে যান। তবে এই হামলায় আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন নেতা-কর্মী নিহত হন। চিরতরে পঙ্গুত্ব বরণ করেন অসংখ্য নেতা-কর্মী। বাংলাদেশ পরিণত হয় এক মৃত্যু উপত্যকায়। বিএনপি-জামাত জোট সরকারের মদদে সারাদেশে ধর্মীয় জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের ব্যাপক উত্থান ঘটে। আর তাদের এই দুঃশাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় অকুতোভয় শেখ হাসিনা। বাংলার আপামর মানুষ তাঁর আহ্বানে রাজপথে নেমে আসে। ২০০৬ সালে ২৮ অক্টোবর বিএনপি-জামাত জোট সরকারের শাসনের অবসান হলেও সংবিধান লঙ্ঘন করে বিএনপির রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দীন আহমেদ নিজেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার পদ দখল করেন। হাওয়া ভবনের নির্দেশে চলতে থাকে ইলেকশনের পরিকল্পনা এবং নির্বাচনী প্রহসনের প্রস্তুতি। গর্জে উঠে বাংলাদেশ। জননেত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। শুরু হয় গণ-আন্দোলন। বাতিল হয় পাতানো নির্বাচন। প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হন ইয়াজউদ্দিন। ঘোষিত হয় জরুরি অবস্থা। ফখরুদ্দীন আহমেদের নেতৃত্বে গঠিত হয় নতুন তত্ত্বাবধায়ক সরকার।

১/১১-এর পর শুরু হয় নতুন ষড়যন্ত্র। শেখ হাসিনাকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেয়ার জন্য হাজির করা হয় ‘মাইনাস টু ফর্মুলা’। শেখ হাসিনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য সফর শেষে দেশে ফিরে আসার সময় বেআইনীভাবে নিষেধাজ্ঞা জারি করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার। কিন্তু সাহসী জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারি নিষেধাজ্ঞা, ষড়যন্ত্র ও মৃত্যুভয় উপেক্ষা করে ২০০৭ সালের ৭ মে ফিরে আসেন প্রিয় স্বদেশের ভূমিতে। কিন্তু এর মাত্র দু’মাস পর ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই নিজ বাসভবন সূধাসদন থেকে শেখ হাসিনাকে দানবীয় কায়দায় গ্রেপ্তার করা হয়। জাতীয় সংসদ এলাকায় একটি অস্থায়ী কারাগারে তাঁকে বন্দি করে রাখা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা হয় একের পর এক ষড়ন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা। কারাগারে তাঁর জীবননাশের ষড়যন্ত্র চলে। তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। জীবন মৃত্যুকে পাদাঘাত করে চলতে থাকে গণসংগ্রাম ও আইনি লড়াই। আওয়াজ ওঠে শেখ হাসিনাকে বাদ দিয়ে কোনো নির্বাচন নয়। বদলে যায় দৃশ্যপট। জননেত্রী শেখ হাসিনাসহ রাজনৈতিক নেতাদের মুক্তি দিতে বাধ্য হয় সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয় নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। অর্জিত হয় ঐতিহাসিক বিজয়। এককভাবে আওয়ামী লীগই লাভ করে তিন চতুর্থাংশের বেশি আসন। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি দ্বিতীয়বারের মতো দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বভার গ্রহণ করেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। গঠিত হয় মহাজোট সরকার। জননেত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন ও অমিত সম্ভবানার শক্তিশালী ভীত রচিত হওয়ায় জনপ্রিয়তার অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে যান শেখ হাসিনা। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার আজ সফলতার সাথে টানা তৃতীয় মেয়াদে চতুর্থবারের মতো দেশ পরিচালনা করছেন। সরকারের গৃহীত পদক্ষেপে দেশবাসী আজ সুফল পাচ্ছে। অমিত সম্ভাবনার দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে এক অপ্রতিরোধ্য গতিতে। বঙ্গবন্ধুকন্যার নেতৃত্বে সকল প্রতিবন্ধকতা সমস্যা-সংকট ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বাংলাদেশ আজ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে উন্নীত হয়েছে। ২০০৯ থেকে বিগত এক দশকে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের বিনির্মাণের অভিযাত্রায় যুক্ত হয়েছে অজস্র সাফল্য-স্মারক। তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার সকল কর্মসুচি তৃনমূল থেকে শুরু করেন। দেশে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং তার সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচন করে তিনি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথকে উদার করে দিয়েছন। এর পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও কর্মসংস্থানের ব্যাপক উন্নয়নের মাধ্যমে দেশকে আজ মডেল হিসেবে বিশ্বনেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণে সমর্থ করে তোলেন। এছাড়া তার শাসনামলে নারীর ক্ষমতায়নও বিশ্বে এক বিশেষ উদাহরণ স্থাপন করেছে। শেখ হাসিনার প্রতি তাকিয়ে আছে শুধুমাত্র বাংলাদেশ নয়, দক্ষিণ এশিয়া ও দরিদ্র অনুন্নত দেশের মানুষরাও। বর্তমান বিশ্বে যখন অর্থনৈতিক মন্দা চলছে, দেশে দেশে মূল্যবৃদ্ধি ও বেকার সমস্যা জটিল হচ্ছে তখন তিনি বাংলাদেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করেছেন। মানুষের জীবিকা নির্বাহে নুন্যতম উপায় সৃষ্টি করেছেন যা শেখ হাসিনার কৃতিত্বের নির্দেশক। তিনি গভীর আন্তরিক বলেই যেকোনও ভালো উদ্যোগকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করতে জানেন। বিশেষ করে কৃষি খাতের উন্নয়নে তাঁর কোন বিকল্প আজও আমরা দেখতে পাই না। জাতীয় অর্থনীতি আগের চেয়ে অনেক শক্তিশালী। দারিদ্রের হার বর্তমানে অনেক কমে এসেছে। দেশের মানুষ আজ শান্তি ও স্বস্তিতে জীবনযাপন করছে। এর প্রধান কারণ দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রন ও ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি।

তিনি তরুনদের কাছে প্রযুক্তি ব্যবহারের অবাধ সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করেছেন। শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বাসোপযোগী করার উদ্যোগ নিয়েছেন যেখানে শিক্ষা-স্বাস্থ্য-কর্মসংস্থান ছাড়াও সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের বিরাট সম্ভাবনা থাকবে। শেখ হাসিনার মতো জনদরদী ও মমতাময়ী নেত্রী ভবিষ্যতে আসবে কি না সেটা ইতিহাস সাক্ষ্য দেবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মই মূল্যায়ণ করবে।

বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার চুড়ান্ত নিষ্পত্তি, একাত্তরের ঘাতক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্য সম্পন্ন করা, সংবিধান সংশোধনের মধ্য দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, ভারত ও মিয়ানমারের সাথে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি ও সমুদ্রবক্ষে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে ব্লু ইকোনমির নতুন দিগন্ত উন্মোচন, বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট সফল উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে মহাকাশ জয়, সাবমেরিন যুগে বাংলাদেশের প্রবেশ, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণ, মেট্রোরেল, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন, কর্ণফুলী টানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, নতুন নতুন উড়াল সেতু, মহাসড়কগুলো ফোর লেনে উন্নীত করা, এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৯০৯ ডলারে উন্নীত, প্রবৃদ্ধি ৮.১ শতাংশ, দারিদ্র্যের হার হ্রাস, বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২২ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যাওয়া, ৯৪ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ-সুবিধার আওতায় আনা, যুগোপযোগী শিক্ষানীতি প্রণয়ন, স্বাক্ষরতার হার ৭৩.৯ শতাংশে উন্নীত করা, বছরের প্রথম দিনে প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত সকল শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যে নতুন বই পৌঁছে দেওয়া, মাদ্রাসা শিক্ষাকে মূলধারার শিক্ষার সাথে সম্পৃক্ত করা ও স্বীকৃতি দান, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, প্রত্যেকটি জেলায় একটি করে সরকারি/বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ, নারী নীতি প্রণয়ন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ, ফোর-জি মোবাইল প্রযুক্তির ব্যবহার চালুসহ ফাইভ-জি যুগে প্রবেশের পরিকল্পনা অসংখ্য ক্ষেত্রে কালউত্তীর্ণ সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ।

শেখ হাসিনা বাঙালি জাতির কান্ডারী হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন তার মেধা, সাহস ও সততার কারণে, বর্তমান বাংলাদেশের অস্তিত্বের প্রতীক বলা হয় তাকে। বাঙালির জাতি সত্ত্বা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধ বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে স্বাধীনতার পরাজিত শক্তিরা নস্যাৎ করতে সর্বাত্বক প্রচেষ্টা চালিয়েছিল। তাদের সঙ্গে মহা উৎসাহে যোগ দিয়েছিল ক্ষমতালোভী ও সুবিধাভোগী রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবী ও ব্যবসায়ী সমাজ। বঙ্গবন্ধুর বাঙালি জাতি তখন ছিল অসহায়, নির্যাতিত, অপমানিত, নিপীড়িত। ধর্মের দোহাই দিয়ে বাঙালির চিরশত্রু পাকিস্তানের স্বৈর সামরিক শাসকরা দেশকে এক অন্ধকারাচ্ছন্ন গর্তের ভেতর ফেলে দিয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্নকে ভেঙ্গে চুরমার করে এক জঙ্গী ও সাম্প্রদায়িক শাসন কায়েমের ভিত রচনা করে। কিন্তু সেইসব লোভী ও বিশ্বাসঘাতকরা বঙ্গবন্ধুর পবিত্র রক্ত মেখে নিজেরাই হয়েছিল ঘাতক ও খুনী, তাই সেই ভিত শক্তিশালী হতে পারেনি। তাদের পাপী হৃদয়ের লালসা চরিতার্থ করতে পারেনি। খুনী মোশতাক-জেনারেল জিয়া ও জেনারেল এরশাদ বাঙালির অস্তিত্বকে মুছে ফেলার অপচেষ্টার প্রয়াস চালিয়েছিল। এসব তো আমরা চোখের সামনে দেখেছি। তাদের উচ্ছিষ্টভোগী লোভীরা কেউ কেউ তলে তলে তাদেরই সমর্থন করে গিয়েছে। বাঙালি বাংলাদেশ বিশ্বে তখন মাথা নীচু করেই ছিল। ক্যূ-পাল্টা ক্যূ, গুম ও হত্যার মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের অপচেষ্টা, গণতন্ত্র এবং রাজনীতিকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র চলছিল। সুশাসনকে বুটের তলায় নিস্পেষিত করে দুর্নীতি ও দু:শাসনের রাজত্ব কায়েম করা হয়েছিল। একদিকে মুষ্টিমেয় উচ্ছিষ্টভোগীরা ধনী থেকে ধনী হচ্ছিল, আর একদিকে গরীব আরও গরীব হয়ে পড়ছিল। দারিদ্র -দুর্ভিক্ষ অভাব অনটনে মানুষ আরও অসহায় হয়ে পড়ছিল। মুক্ত বাতাস নেবার মত পরিবেশ ছিল না দেশে।

এক বর্ণাঢ্য সংগ্রামমুখর জীবন জননেত্রী শেখ হাসিনার। সাফল্য গাঁথা এই কর্মময় জীবন কুসমাস্তীর্ণ ছিল না, ছিল কণ্টকাপূর্ণ। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস তিনি গৃহবন্দি থেকেছেন। সামরিক স্বৈরশাসনামলেও বেশ কয়েকবার তাকে কারানির্যাতন ভোগ ও গৃহবন্দি থাকতে হয়েছে। বার বার তাঁর জীবনের ওপর ঝুঁকি এসেছে। অন্তত ২০ বার তাঁকে হত্যার অপচেষ্টা করা হয়েছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়েও তিনি অসীম সাহসে তাঁর লক্ষ্য অর্জনে থেকেছেন অবিচল।

সহজ সারল্যে ভরা তাঁর ব্যক্তিগত জীবন। মেধা-মনন, সততা, কঠোর পরিশ্রম, সাহস, ধৈর্য্য, দেশপ্রেম ও ত্যাগের আদর্শে গড়ে উঠেছে তাঁর আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব। পোশাকে-আশাকে, জীবন-যাত্রায় কোথাও কোন প্রকার বিলাসিতা বা কৃত্রিমতার কোনো প্রকার ছাপ নেই শেখ হাসিনার লাইফস্টাইলে। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠাবান ও ধার্মিক। নিয়মিত ফজরের নামাজ ও কোরান তেলওয়াতের মাধ্যমে তাঁর দিনের সূচনা ঘটে। পবিত্র হজ্জ্বব্রত পালন করেছেন কয়েকবার।

একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তাঁর অবদান আজ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। ইতোমধ্যে তিনি শান্তি, গণতন্ত্র, স্বাস্থ্য ও শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস, তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার, দারিদ্র্য বিমোচন, উন্নয়ন এবং দেশে দেশে জাতিতে জাতিতে সৌভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার জন্য ভূষিত হয়েছেন অসংখ্য মর্যাদাপূর্ণ পদক, পুরস্কার আর স্বীকৃতিতে। এসডিজির অগ্রগতির জন্য জাতিসংঘ কর্তৃক ভূষিত হয়েছেন মুকুট মণি উপাধিতে।

নিখাদ দেশপ্রেম, দূরদর্শিতা, দৃঢ় মানসিকতা ও মানবিক গুণাবলি তাঁকে আসীন করেছে বিশ্ব নেতৃত্বের আসনে। তিনিই বাঙালির জাতীয় ঐক্যের প্রতীক এবং বাঙালি জাতির সকল আশা-ভরসার নিরাপদ আশ্রয়স্থল। ’৭৫ পরবর্তী বাঙালি জাতির যা কিছু মহৎ অর্জন তা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই অর্জিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার জন্মদিন আজ গোটা বাঙালি জাতির জন্য একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। আর এই তাৎপর্যপূর্ণ দিনে আমাদের প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে তাকে ও দেশবাসীকে জানাই অনেক অনেক শুভেচ্ছা। একইসাথে মহান আল্লাহর নিকট মুকুট মণির জন্য দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করছি।

নাইম ইসলাম নিবির : রাজনীতিক ও কলামিস্ট
nayemulislamnayem148@gmail.com

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

আলোচিত সংবাদ

© All rights reserved © 2021 Swadhin News
Design & Developed By : PIPILIKA BD