মুছাপুরের অগ্নিকান্ডে পরিদর্শন করেন ইউএনও জিয়াউল হক মীর

0
84

এম.এস আরমান,নোয়াখালী।

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর বাংলাবাজার সওদাগর মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিয়াউল হক মীর।

রবিবার (২ মে ) সকাল ১১ টায় অগ্নিকান্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শণ শেষে ক্ষতিগ্রস্ত ৬ ব্যবসায়ীকে বিধি অনুযায়ী সরকারি সহায়তা প্রদান করা হবে মর্মে আশ্বস্ত করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিয়াউল হক মীর।

জানা যায়,শনিবার (১ মে) দিবাগত রাত পোনে ২ টায় অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুনে ফুল দোকান,দুটি মুদি দোকানের গোডাউন, প্লাস্টিক পণ্যের দোকান, ফার্মেসি, ফাস্ট ফুড ও কম্পিউটার দোকানসহ মোট ছয়টি দোকানের মালামাল ও নগদ অর্থ পুড়ে যায়। এতে প্রায় ঘরসহ এক কোটি টাকার মালামাল পুড়ে গেছে বলে ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, মুছাপুর পূর্ব বাংলা বাজার সওদাগার মার্কেট রাত পৌনে ২টার দিকে হঠাৎ করে আগুনের লেলিহান শিখা দেখে সবাই চিৎকার শুরু করেন। এ সময় আশপাশের লোকজন ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। পরে স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।
কোম্পানীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার জামিন মিয়া বলেন, সওদাগর মার্কেটে আগুন লেগে মুহূর্তের মধ্যে আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় ছয়টি দোকান পুড়ে যায়।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। আবার অনেকে জানান প্রথমে বৈদ্যুতিক সর্টসাকিট পরে ক্ষতিগ্রস্থ মুদি ব্যাবসায়ী আলমগীরের গুদাম ঘরে বিক্রির জন্য আনা গ্যাস সিলিণ্ডার বিষ্ফোরণ হওয়ায় আগুনের এই ব্যাপকতা পায় ।যার ফলে ক্ষতির সম্মূখীন বেশি হয় ।এই অগ্নিকাণ্ডে প্রায় এক কোটি টাকার মতো ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান ।