যেসব খাতে ব্যয় হয় পাগলা মসজিদের দানের টাকা

এস কে রাসেল, কিশোরগঞ্জ

ঢাকা বিভাগের অন্তর্গত মুসলিম ঐতিহ্যসমৃদ্ধ এক জনপদের নাম কিশোরগঞ্জ। কিশোরগঞ্জ শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নরসুন্দা নদীর পাড়ে অবস্থিত ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ। বর্তমানে দেশের অন্যতম বৃহৎ আয়ের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এই মসজিদ। যাকে ঘিরে রয়েছে নানা আলোচনা ও গুঞ্জন।

প্রাচীন ও আধুনিক স্থাপত্যের বিখ্যাত নানা দর্শনীয় স্থান রয়েছে কিশোরগঞ্জে। প্রায় ২৫০ বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ তারই একটি। শহরের পশ্চিম পাশে হারুয়া নামক এলাকায় নরসুন্দা নদীর কোলঘেঁষে গগনচুম্বী মিনার নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে দুই শতাব্দী-পুরোনো এ মসজিদটি।

মসজিদটিতে রয়েছে আটটি লোহার দানবাক্স। প্রতি তিন মাস পরপর বাক্সগুলো খোলা হয়। কিন্তু বরাবরই দানবাক্সে পাওয়া টাকার পরিমাণ দেখে সবার চক্ষু চড়কগাছ হয়। আর দেশের সংবাদমাধ্যমগুলোয় উঠে আসে মসজিদের দানবাক্স থেকে পাওয়া কাঁড়ি কাঁড়ি টাকার তথ্য এবং বিভিন্ন রকমের দান ও মানতের চিত্র।

দানবাক্স থেকে নিয়মিত নগদ দুই কোটি থেকে তিন কোটি টাকা, বৈদেশিক মুদ্রা এবং স্বর্ণ ও রৌপ্যালংকারও পাওয়া যায়। জাতি-ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে এলাকা, দেশের দূরদূরান্ত থেকে আসা এমনকি বিদেশি পর্যটকদের মকসুদ (মনের আশা) পূরণের বিশ্বাস থেকে দেওয়া মানতের টাকা ও মূল্যবান অলংকারে কিছুদিনের মধ্যেই ভরে ওঠে আটটি দানবাক্স। এ ছাড়া মসজিদটিতে দান করা হয় গরু, মহিষ, ছাগল, হাঁস-মুরগিসহ প্রচুর গবাদিপশুও।

বিশ্বাস থেকে সব ধর্মের মানুষ পাগলা মসজিদে টাকা দান করেন, এমন একজন হলেন সনাতন ধর্মাবলম্বী বিনয় কুমার। তিনি বলেন, কয়েক মাস আগে আমি খুব বিপদে পড়ি। এ পরিস্থিতিতে আমার এক আত্মীয় এ মসজিদে মানতের কথা বলেন। আমি এসে এখানে মানত করি। কিছুদিনের মধ্যেই আমি সম্পূর্ণ বিপদমুক্ত হই। আজ আবার এখানে এসেছি মানত করতে। কী মানত করতে চান জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি তা প্রকাশ করে পাপ করতে চাই না।

পাগলা মসজিদ পরিচালনা পর্ষদের কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, দানবাক্স থেকে প্রাপ্ত বিপুল পরিমাণ অর্থের লভ্যাংশের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ মানবকল্যাণসহ জেলার বিভিন্ন মসজিদ-মাদরাসার উন্নয়নে ব্যয় করা হয়।

দানবাক্স থেকে প্রাপ্ত বিপুল পরিমাণ অর্থসম্পদের যথাযথ ব্যবহার ও সুষ্ঠু তদারকির জন্য কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে ৩১ সদস্যের একটি কমিটি রয়েছে। প্রশাসনের পক্ষে জেলা প্রশাসককে সভাপতি, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ও স্থানীয় দৈনিক পত্রিকার সম্পাদককে সহসভাপতি এবং গণপূর্ত অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী, নেজারত ডিপুটি কালেক্টর (এনডিসি), সদর মডেল থানার ওসি, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে এ কমিটি গঠিত। এ ছাড়া সুশীল সমাজের পক্ষে একজন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

এ ছাড়া রয়েছে ওয়াকফ স্টেটের অডিটর কর্তৃক সাংবাৎসরিক অডিট ব্যবস্থা। বর্তমানে এটি পাগলা মসজিদ ইসলামিক কমপ্লেক্স রূপে পরিচালিত হচ্ছে।

সরেজমিনে পরিদর্শনকালে পাগলা মসজিদ কমপ্লেক্সের ব্যাপক উন্নয়নকাজ চোখে পড়ে। মসজিদ ও মসজিদ কমপ্লেক্স উন্নয়নের পাশাপাশি নির্মিত হয়েছে দৃষ্টিনন্দন তোরণ ও প্রাচীর। ব্যবস্থা করা হয়েছে শৈল্পিক আলোকসজ্জার। এসব উন্নয়নকাজে ব্যয় হয়েছে ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এ শৈল্পিক ও নয়নাভিরাম আলোকসজ্জা দেখতে রাতের বেলা ভিড় জমে হাজারো মানুষের।

এ মসজিদে নারীদেরও নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা রয়েছে। নারীরা মসজিদের পৃথক স্থানে নামাজ আদায় করেন। প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজে প্রচুর লোকসমাগম হয়। সেদিন দান-খয়রাতও বেশি করে লোকজন। তা ছাড়া প্রতি মাসে প্রায় ১৫০ মণ বাতাসা বিক্রি করা হয়, যা থেকে আসে প্রায় ৪৫ হাজার টাকা।

জানা যায়, মানবকল্যাণসহ জেলার বিভিন্ন মসজিদ-মাদরাসার উন্নয়নে পাগলা মসজিদের দানের বিপুল পরিমাণ অর্থের লভ্যাংশের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ব্যয় হয়ে আসছিল। তবে এক বছর ধরে জেলার বিভিন্ন মসজিদ ও মাদরাসার উন্নয়নকাজে টাকা বরাদ্দ বন্ধ রয়েছে। কারণ, পাগলা মসজিদ কমপ্লেক্সেকে আন্তর্জাতিক মানের একটি ইসলামিক কমপ্লেক্সে নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।

২০২১ অর্থবছরে ১২৪ জন দুরারোগ্য ব্যধিতে (ক্যানসার, ব্রেনস্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক, কিডনি রোগ, প্যারালাইসিস ইত্যাদি) আক্রান্ত দরিদ্র ও দুস্থকে চিকিৎসার জন্য এবং দরিদ্র ও দুস্থ মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়ার খরচ বাবদ ১৭ লাখ ৬৩ হাজার টাকা পাগলা মসজিদ থেকে অনুদান দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া করোনাকালীন শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। আর প্রতি মাসে পাগলা মসজিদের স্টাফ খরচ বাবদ ব্যয় হয় ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, শহরের হয়বতনগর জমিদার পরিবারের দেওয়ান আয়েশা আক্তার কর্তৃক ওয়াকফ করে দেওয়া ১০ শতাংশ জমির ওপর পাগলা মসজিদের গোড়াপত্তন হয়। বর্তমানে প্রায় চার একর জমির ওপর মসজিদ কমপ্লেক্স এবং তিন একর জমির ওপর পাগলা মসজিদ গোরস্তান প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। মসজিদের ব্যয়ে ২০০২ সালে মসজিদের পাশেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে একটি হাফেজিয়া মাদরাসা। আর এ বিপুল আয়-ব্যয় প্রতিবছর ওয়াকফ স্টেটের অডিটর কর্তৃক নিয়মিত নিরীক্ষা করা হয়।

বছরের সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর মাসে অডিট করা হয়। অডিট কাজ করেন জেলা ওয়াকফ স্টেটের পরিদর্শক ও অডিটর জোবায়ের হোসাইন। তিনি ঢাকা পোস্টকে জানান, পাগলা মসজিদটি বাংলাদেশ ওয়াক্‌ফ প্রশাসনের তালিকাভুক্ত একটি প্রতিষ্ঠান। তিনি ৯ বছর ধরে পাগলা মসজিদ কমপ্লেক্সের অডিট করছেন। এ পর্যন্ত তিনি হিসাবে তেমন কোনো ত্রুটি-বিচ্যুতি পাননি।

তার দাবি, সুষ্ঠু তদারকি ও ব্যবস্থাপনার কারণে প্রতিষ্ঠানটি একটি আদর্শিক ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে গেছে।

বাক্স খুললেই মেলে টাকা আর টাকা
এবার সর্বশেষ চার মাস ১৭ দিন পর গত ৬ নভেম্বর দানবাক্স খোলা হয়েছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে গণনা। সিন্দুকগুলোতে পাওয়া যায় রেকর্ড ৩ কোটি ৭ লাখ ১৭ হাজার ৫৮৫ টাকা এবং বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণ-রৌপ্য। এর আগের বার গত ১৯ জুন এসব দানবাক্স খুলে পাওয়া যায় ২ কোটি ৩৩ লাখ ৯৩ হাজার ৭৭৯ টাকা এবং বিদেশি মুদ্রা ও স্বর্ণালংকার। এ ছাড়া পাওয়া যায় স্বর্ণ বিদেশি মুদ্রাসহ রুপার অলংকার। দানবাক্স খোলার পর কমিটির উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দায়িত্বশীল লোকজনের উপস্থিতিতে ব্যাংকের কর্মকর্তা, মসজিদ কমপ্লেক্সের মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা টাকা গোনার কাজে অংশ নেন।

মসজিদ কমপ্লেক্সে প্রতিষ্ঠিত নূরুল কোরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ মাওলানা মো. আব্দুল কাদির বলেন, পাগলা মসজিদের অর্থে এই মাদরাসার ১৩০ জন অসহায়, পিতৃ-মাতৃহীন এতিম শিক্ষার্থী এখানে লেখাপড়া করে। প্রতি মাসে ১ থেকে দেড় লাখ টাকা শুধু শিক্ষার্থীদের খাবারের পেছনে ব্যয় হয়। শিক্ষার্থীদের যাবতীয় ভরণপোষণ ব্যয়ও নির্বাহ করা হয় মসজিদের দান থেকে পাওয়া অর্থে। প্রতিবছরই মসজিদের অর্থায়নে নতুন জামাকাপড় দেওয়া হয় তাদের।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম জানান, দানবাক্স থেকে প্রাপ্ত বিপুল পরিমাণ অর্থের লভ্যাংশের একটি বিশেষ অংশ দুরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত দরিদ্র, অসহায়-দুস্থ ও এতিম লোকজনের চিকিৎসার জন্য এবং এ ধরনের শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার জন্য সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি অন্যান্য মসজিদ-মাদরাসার উন্নয়নে অনুদান হিসেবে দেওয়া হয়।

২০২১ অর্থবছরে ১২৪ জন দুরারোগ্য ব্যধিতে (ক্যান্সার, ব্রেনস্ট্রোক,হার্ট স্ট্রোক, কিডনি রোগ,প্যারালাইসিস ইত্যাদি) আক্রান্ত দরিদ্র ও দুস্থকে চিকিৎসার জন্য এবং দরিদ্র ও দুস্থ মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়ার খরচ বাবদ ১৭ লাখ ৬৩ হাজার টাকা পাগলা মসজিদের ফান্ড থেকে অনুদান দেয়া হয়েছে। এছাড়াও করোনাকালীন সময়ে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে ৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। আর প্রতি মাসে পাগলা মসজিদের স্টাফ খরচ বাবদ ব্যয় হয় ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এম এ আফজল বলেন, একসময় পাগলা মসজিদের এ বিপুল অর্থ স্থানীয় ব্যবস্থাপনা কমিটির লোকজন কর্তৃক লুটপাটের অবকাশ থাকত। আর এ অবস্থা আঁচ করতে পেরে ১৯৭৯ সালে তদানীন্তন এসডিও পরবর্তীতে এখানে ডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী বর্তমান পরিকল্পনামন্ত্রী আবদুল মান্নান পাগলা মসজিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ওয়াকফ করে নিয়ে প্রশাসন ও সুশীল সমাজের লোকজনকে দিয়ে ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করেন। তখন থেকেই পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলার পর হিসাব করে বিপুল পরিমাণ অর্থ মিলতে থাকে।

পাগলা মসজিদ কমপ্লেক্সের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাবেক আনসার-ভিডিপি অফিসার মুক্তিযোদ্ধা শওকত উদ্দিন ভূঁইয়া ঢাকা পোস্টকে বলেন, এ মসজিদ সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের মধ্যে অভূতপূর্ব এক সেতুবন্ধ তৈরি করেছে। আর এ ইতিহাস প্রায় আড়াইশ বছরেরও বেশি সময়ের বলে জানা যায়

পাগলা মসজিদ নিয়ে জনশ্রুতি
জনশ্রুতি রয়েছে, একসময় এক আধ্যাত্মিক পাগল সাধকের বাস ছিল কিশোরগঞ্জ শহরের হারুয়া ও রাখুয়াইল এলাকার মাঝপথে প্রবাহিত নরসুন্দা নদীর মধ্যবর্তী স্থানে জেগে ওঠা উঁচু টিলাকৃতির স্থানটিতে। মুসলিম ও হিন্দুনির্বিশেষে সবার যাতায়াত ছিল ওই সাধকের আস্তানায়। ওই পাগল সাধকের দেহাবসানের পর তার উপাসনালয়টিকে কামেল পাগল পীরের মসজিদ হিসেবে ব্যবহার শুরু করেন এলাকাবাসী।

পাগলা মসজিদ নিয়ে প্রবীণদের কথা
কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান ও পাগলা মসজিদ কমপ্লেক্সের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শওকত উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, বারো ভূঁইয়াপ্রধান মসনদে আলা বীর ঈশা খাঁর ষষ্ঠ পুরুষ শহরের হয়বত নগরের জমিদার দেওয়ান হয়বত দাদ খানের ভ্রাতুষ্পুত্রই ছিলেন কামেল পাগলা পীর। আর তার নাম ছিল দেওয়ান জিলকদ দাদ খান। তিনি সংসার ও শানশৌকত ত্যাগ করে নরসুন্দা নদীর মাঝপথের একটি ছোট্ট ঘরে ধ্যানমগ্ন থাকতেন। কিন্তু ওই আধ্যাত্মিক সাধকের দেহাবসানের পর থেকে আশ্চর্যজনকভাবে এলাকা এমনকি দেশ-বিদেশের লোকজনের ভিড় বাড়তে থাকে।

মানত বা দানখয়রাত করলে গোপন বাসনা পূরণ হয়, এমন বিশ্বাস থেকে ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে নারী-পুরুষরা মানত নিয়ে আসেন এই মসজিদে। তারা টাকাপয়সা, স্বর্ণ-রুপার পাশাপাশি গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগিও দান করেন। বিশেষ করে প্রতি শুক্রবার মানত নিয়ে বেশি আসেন নারী-পুরুষরা।

পাগলা মসজিদের সেবায় আছেন যারা
পাগলা মসজিদ কমপ্লেক্স ও মাদরাসার সেবায় নিয়োজিত রয়েছেন ১ জন প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ১ খতিব, ১ পেশ ইমাম, ৩ মুয়াজিন, ৭ শিক্ষক, ১ অফিস সহকারী, ১ সিসিটিভি ও কম্পিউটার অপারেটর, ২ বাবুর্চি, ৮ পরিচ্ছন্নতাকর্মী, ১০ আনসার ও নিজস্ব ১৩ জন নিরাপত্তাকর্মী। বিভিন্ন পর্যায়ে ৩৩ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী রয়েছেন এ কমপ্লেক্সটিতে।

পাগলা মসজিদের নিরাপত্তা
পাগলা সমজিদের নিরাপত্তার জন্য মসজিদটি ৬০টি সিসি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এ ছাড়া ১০ সদস্যের সশস্ত্র আনসার টিম সর্বদা নিরাপত্তায় নিয়োজিত রয়েছে। মসজিদটির সার্বিক তদারকির জন্য ৩৪ সদস্যের একটি দল কাজ করে।

এই ওয়েবসাইটের সকল লেখার দায়ভার লেখকের নিজের, স্বাধীন নিউজ কতৃপক্ষ প্রকাশিত লেখার দায়ভার বহন করে না।
এই বিভাগের আরও খবর
- Advertisment -

সর্বাধিক পঠিত

- Advertisment -