রমজান জুড়ে বয়ে যাক বরকতের ধারা

0
64

আল্লাহ তায়ালা রমজানে সবাইকে বেশি বেশি দোয়া করার তৌফিক দান করুন, আমিন। ছবি: সংগৃহীত

হাদিস শরীফে ইরশাদ হচ্ছে, ‘রমজানের প্রথম দশক হলো রহমতের, মধ্য দশক হলো মাগফিরাতের, শেষ দশক হলো নাজাতের।’ সাধারণত বলা হয়ে থাকে প্রথম দশকে আল্লাহ তায়ালা তার বান্দাদের প্রতি রহমত বা দয়া বর্ষণ করতে থাকবেন। দ্বিতীয় দশকে আল্লাহ তায়ালা তার বান্দাদের ক্ষমা করতে থাকবেন। তৃতীয় দশকে আল্লাহ তাআলা তার বান্দাদের জাহান্নাম থেকে নাজাত বা মুক্তি দিতে থাকবেন।
প্রশ্ন হলো আল্লাহ যদি রহমত বা করুণা করতে চান, মাগফিরাত বা ক্ষমা করতে চান, নাজাত বা মুক্তি দিতে চান; তা যতসংখ্যক মানুষের জন্যই হোক না কেন এবং যে পরিমাণেই হোক না কেন; তা তো একমুহূর্তেই করতে পারেন, এতে ১০ দিন সময় কেন লাগবে? আসলে রমজানের রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বাহ্য অর্থ ছাড়াও এর রয়েছে তাত্ত্বিক এক নিগূঢ় রহস্য।

রমজান হলো তাকওয়া অর্জনের জন্য প্রশিক্ষণের মাস। তাই আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআন কারিমে বলেছেন: হে মুমিনগণ! তোমাদের প্রতি রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের প্রতি; আশা করা যায় যে তোমরা তাকওয়া অর্জন করবে। (সুরা বাকারার ১৮৩ নম্বর আয়াতে)। আল্লাহ চান তার বান্দা তার গুণাবলি অর্জন করে সে গুণে গুণান্বিত হোক।

আল্লাহ তায়ালা কোরআন মাজিদে বলেন: আমরা গ্রহণ করলাম আল্লাহর রং, রঙে আল্লাহ অপেক্ষা কে অধিকতর সুন্দর? এবং আমরা তারই ইবাদতকারী। (সুরা বাকারা, আয়াত: ১৩৮)। যেহেতু মানুষ আল্লাহর খলিফা বা প্রতিনিধি, তাই তাকে খেলাফতের দায়িত্ব পালনের যোগ্য হতে হলে অবশ্যই সেই গুণাবলি অর্জন করতে হবে। আল্লাহর রং বা গুণ কী? তা হলো আল্লাহ তাআলার ৯৯টি গুণবাচক নাম।