রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে কৃষ্ণচূড়া

0
25

আশিক ইসলাম, রাবি

নয়নাভিরাম কৃষ্ণচূড়া ফুলের মায়ায় জড়িয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

গ্রীষ্মের তাপদাহে চারদিকে কাঠফাটা রোদ্দুর। প্রকৃতি তার রুক্ষতা ছাপিয়ে নিয়মমতো আপন মহিমায় নিজেকে মেলে ধরেছে। পসরা সাজিয়েছে বিভিন্ন রঙয়ের হাজারও ফুলে। সবুজ কচি পাতার ফাঁকে আগুন রূপের মোহময়তা নিয়ে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে কৃষ্ণচূড়া। চলতে পথে হঠাৎ করে পথিকের চোখে এনে দিচ্ছে শিল্পের দ্যোতনা। মন ছুঁয়ে রঙিন হয়ে যায়। অবাক হয়ে সে সৌন্দর্য উপভোগ করছে সবাই।

এমনই নয়নাভিরাম কৃষ্ণচূড়া ফুলের মায়ায় জড়িয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। এ যেন এক কৃষ্ণচূড়ার ক্যাম্পাস। গ্রীষ্মের শুরুতেই ক্যাম্পাস যেন লাল রঙে ছেঁয়ে গেছে। সূর্যের সবটুকু উত্তাপ কেড়ে নিয়েছে টুকটুকে লাল কৃষ্ণচূড়া। প্রখর রোদে পুড়ে জানান দিচ্ছে তার সৌন্দর্যের বার্তা। প্রকৃতিতে নীল আকাশের ক্যানভাসে জ্বলছে গাঢ় লাল রঙে। এ যেন লাল রঙের এক মায়াবী ক্যানভাস।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ছোট বড় কৃষ্ণচূড়া গাছগুলো আলোক ছটায় তার দ্যূতি বিলিয়ে দিচ্ছে। বিভিন্ন একাডেমিক ভবনের সামনে, পশ্চিমপাড়া, পরিবহন মাকের্টসহ রাস্তা পাশের গাছগুলোর নজর কাড়ছে সে দৃশ্যে। সবুজ সবুজ চিকন পাতা। ফাঁকে ফাঁকে লাল লাল কৃষ্ণচূড়া ফুল। তার ফাঁক গলিয়ে পাখিদের উড়াউড়ি। হালকা বাতাসে যখন ডালগুলো দোল খায় মনে দোলা দিয়ে যায়। লাল, কমলা, হলুদ ফুল এবং উজ্জ্বল সবুজ পাতা আকর্ষণ করে। কৃষ্ণচূড়ার ঝরে পড়া পাপড়িতে সবুজ ঘাসের উপর সৃষ্টি করেছে যেন রক্তলাল পুষ্পশয্যার। দেখলেই যেন চোখ জুড়িয়ে যায়।

‘কৃষ্ণচূড়ার আগুন রঙে পুড়ছে প্রেমিক মন, পুড়বে জেনেই অনল পানে পতঙ্গের আস্ফালন।’ কৃষ্ণচূড়ার রূপের আগুনে প্রকৃতি প্রেমিকদের হৃদয় ঠিকই পুড়ছে। এমন রূপের আগুনে আরও বেশি পুড়ে যেতে চায় ওই পোড়া হৃদয়গুলো। ‘কৃষ্ণচূড়া ঝরা পথে হাঁটবো দুজন একসাথে, হাতে রেখে হাত মনের সুখে।’ প্রেমিক হৃদয়ের সে ইচ্ছে এবার পূরণ হচ্ছে না বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায়। গাছগুলো ফুলে ফুলে ভরে উঠেছে ঠিকই। কিন্তু প্রেমিক হৃদয়ের আকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ।