লালপুরে “মেম্বারকে টাকা দিয়েও ভাতার কার্ড মেলেনি ” বক্তব্য অস্বীকার করেছে মাবিয়া

0
46

এস ইসলাম, নাটোর জেলা প্রতিনিধি।

লালপুরে “মেম্বারকে টাকা দিয়েও ভাতার কার্ড মেলেনি প্রতিবন্ধী মাবিয়ার” শিরোনামে গত ১১ মে স্থানীয় দৈনিক ও বিভিন্ন অনলাইনে খবর প্রকাশের পর উক্ত বক্তব্য অস্বীকার করেছে মাবিয়া বেওয়া। মাবিয়া বেওয়া গনমাধ্যমকে জানান, দুড়দুড়ীয়া ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বার আলতাব হোসেন আমার কাছ থেকে কোন টাকা নেয়নি বা আমিও তাকে কোন টাকা পয়শা দেয়নি।

এব্যাপারে দুড়দুড়ীয়া ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বার আলতাব হোসেন তার বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে বলেন, আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। আমি দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়ন পরিষদে মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষানিত হয়ে সমাজের কাছে হেয়পতিপন্ন করতে কুচক্রী মহল আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে সাজানো খবর প্রকাশ করেছে।

উল্লেখ্য গত ১১ মে স্থানীয় দৈনিক ও বিভিন্ন অনলাইনে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে লালপুরের দুড়দুড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার ভাতার কার্ড করে দিতে বিধবা প্রতিবন্ধী মাবিয়ার কাছ থেকে ৪ হাজার টাকা নিলেও তার ভাগ্যে জোটেনি ভাতার কার্ড।

জানা যায় , লালপুর উপজেলার দুড়দুড়ীয়া ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বার আলতাব হোসেন নওপাড়া গ্রামের প্রতিবন্ধী মাবিয়ার কাছ থেকে ৪ হাজার টাকা নিয়েছে ভাতার কার্ড করে দেওয়ার জন্য। বছর পার হয়ে গেছে টাকা নেয়া ভাতার কার্ড মেলেনি ।

মাবিয়া বেগম জানান , ৫ বছর আগে স্বামীর মৃত্যু হয়েছে , তাছাড়া আমি শারীরিক প্রতিবন্ধী মানুষ । নানা কষ্টের দিনপাত চলে , আলতাফ মেম্বার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছে ৪ হাজার, এখন সে কোন কার্ড করে দিচ্ছে না।

এ ব্যাপারে ইউপি মেম্বার আলতাফ হোসেন বলেন আমাদের মাধ্যম বাদ দিয়ে যারা ভাতা করে দিচ্ছে তারা টাকা নেয়, আমি টাকা নিই না। মাবিয়ার কার্ড অফিসে আছে দিব দিচ্ছে করে দিচ্ছে না।

এ ব্যাপারে জানতে দূড়দুড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নানের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও মোবাইল ফোন ধরেননি।