শাহজালাল মসলা মিলসে কাঠের গুড়া, রঙ ও পচা হলুদ দিয়ে চলছে ভেজাল মসলা তৈরি

0
11

মোঃ রবিউল ইসলাম হৃদয় :

কুষ্টিয়া বড় বাজার ঘোড়ার ঘাট সংলগ্ন শাহজালাল মসলা মিলসে ধানের গুড়া মিশিয়ে ও পচা হদুল এবং বিভিন্ন রকমের রঙ মিশিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ভেজাল মসলা। জানা যায়,শাহজাল মসলা মিলসের মালিক শাহজালাল দীর্ঘ দিন ধরে হলুদের গুড়া,মরিচের গুড়া, ও ধনিয়ার গুড়া মসলার সাথে ধানের গুড়া, কাঠের গুড়া, পঁচা হলুদ, ও মসলার কালার ভালো আনার জন্য ক্ষতিকর যুক্ত বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল রঙ মিশিয়ে মসলা তৈরী করে আসছে। যা তিনি খাদ্যে ভেজালের মত অপরাধ করছে।বর্তমানে দেশের আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং প্রশাসন খাদ্যে ভেজালের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। খাদ্যে ভেজালের জন্য জেল জরিমানা দুটোই নিয়ম রয়েছে। সেই আইন উপেক্ষা করে শাহজালাল অধিক লাভের আশায় রান্নার কাজে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ জিনিস মসলায় ভেজাল মেশাচ্ছে। এসব ভেজাল মসলা খেয়ে অনেকেই বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বলেও জানা গেছে। মসলায় কাঠের গুড়া, ধানের গুড়ার তুষ,পচা হলুদ,ও কেমিক্যেল যুক্ত রঙ মেশানোর কারনে মিলসের মালিক শাহজালালকে প্রশাসন ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে কয়েকবার লক্ষাধিক টাকার উর্ধে জরিমানা করেছে এবং মিলসের মালিক শাহজালালকে কে জেল হাজতেও প্রেরন করেছে। স্থানীয়রা জানান, পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে বাজারে ভেজাল মসলা ছড়িয়ে দিয়ে অধিক টাকা উপার্জনের আশায় শাহজালাল আবারো কঠের গুড়া,ধানের তুশ ও পঁচা হলুদ দিয়ে কেমিক্যাল এক্সুক্ত রঙ মিশিয়ে ভেজাল মসলা তৈরী করতে শুরু করেছে। এ বিষয়ে ডাক্তার এ এফ,এম আমিনুল হক রতনের সাথে কথা বললে তিনি জানান,এসব ভেজাল কেমিক্যাল যুক্ত মসলা মানুষের পেটে গেলে,ডায়ড়িয়া, এ্যাজমা,এলার্জি,স্বাসকষ্ট সহ ক্যান্সারের মত জটিল রোগও হতে পারে। এসব ভেজাল মসলা তৈরি ও বাজার জাত করন করায় মিলসের মালিকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করে মিলটি বন্ধ করে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। এ বিষয়ে মিলসের মালিক শাহজালালের সাথে মুঠোফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি আগে করতাম এখন আর করিনা। এগুলো পুরাতন অভিযোগ। এ বিষয়ে কুষ্টিয়া ভোক্তা অধিদপ্তরের পরিচালকের সহকারী পরিচালক কাজী রকিবুল হাসানের মুঠোফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, শাহজালাল মিলসে এর আগেও কয়েকবার অভিযান করা হয়েছে। পুনরায় খাদ্যে ভেজাল করলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো। বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখছি।