শয়তানের ক্ষতি থেকে বাঁচতে কোরআনের দিকনির্দেশনা

0
34

হাবিবুর রহমান সুজন স্বাধীন নিউজ ডটকম।

মহান আল্লাহ তাআলা কোরআনুল কারিমে শয়তানের ক্ষতির দিক ও তা থেকে বেঁচে থাকার উপায়গুলো সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন। ছবি: সংগৃহীত

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন প্রত্যেকের কাছে শয়তান এসে বলে, এটা কে সৃষ্টি করেছে? ওটা কে সৃষ্টি করেছে?’ এমনকি সে বলে, আল্লাহকে কে সৃষ্টি করেছে? এ পর্যন্ত পৌঁছালে যেন আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করে ও শয়তানকে অভিশাপ দেয়।’(সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩২৭৬) অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘সে যেন বলে আমি আল্লাহ ও তার রাসূলের ওপর ঈমান এনেছি।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১৩৪)
আল্লাহ তায়ালা শয়তানকে মানুষের প্রকাশ্য দুশমন হিসেবে ঘোষণা করেছেন। মানুষকে কেয়ামত পর্যন্ত সঠিক পথ থেকে দূরে সরিয়ে রাখার এবং ভুল পথে পরিচালিত করার ক্ষমতাও আল্লাহর কাছ থেকে চেয়ে নিয়েছে শয়তান। সে কারণেই মহান আল্লাহ তাআলা কোরআনুল কারিমে শয়তানের ক্ষতির দিক ও তা থেকে বেঁচে থাকার উপায়গুলো সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন। আসুন জেনে নিই- সেগুলো কী?

শয়তান পরকালের বিনিময় দুনিয়াকেই গ্রহণ করেছে। সৃষ্টির সময় থেকে মানবজাতির সঙ্গে শয়তানের শত্রুতার সূচনা। মহান আল্লাহর সামনে মানবজাতিকে সত্যচ্যুত করার অঙ্গীকার করে শয়তান। আল্লাহ তাআলা বলেন-

لَّعَنَهُ اللّهُ وَقَالَ لَأَتَّخِذَنَّ مِنْ عِبَادِكَ نَصِيبًا مَّفْرُوضًا – وَلأُضِلَّنَّهُمْ وَلأُمَنِّيَنَّهُمْ وَلآمُرَنَّهُمْ فَلَيُبَتِّكُنَّ آذَانَ الأَنْعَامِ وَلآمُرَنَّهُمْ فَلَيُغَيِّرُنَّ خَلْقَ اللّهِ وَمَن يَتَّخِذِ الشَّيْطَانَ وَلِيًّا مِّن دُونِ اللّهِ فَقَدْ خَسِرَ خُسْرَانًا مُّبِينًا
‘যার প্রতি আল্লাহ অভিসম্পাত করেছেন। শয়তান বলল: আমি অবশ্যই তোমার বান্দাদের মধ্য থেকে নির্দিষ্ট অংশ গ্রহণ করব। তাদেরকে পথভ্রষ্ট করব, তাদেরকে আশ্বাস দেব; তাদেরকে পশুদের কর্ণ ছেদন করতে বলব এবং তাদেরকে আল্লাহর সৃষ্ট আকৃতি পরিবর্তন করতে আদেশ দেব। যে কেউ আল্লাহকে ছেড়ে শয়তানকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করে, সে প্রকাশ্য ক্ষতিতে পতিত হয়।’ (সুরা নিসা : আয়াত ১১৮-১১৯)