সাংবাদিক রোজিনার গলা চেপে ধরার ভিডিও ভাইরাল

0
78

স্বাধীন নিউজ ডেস্ক।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে স্বা’স্থ্য ম’ন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত স’চিব কাজী জেবুন্নেসা বেগম কর্তৃক দৈনিক প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের গ”লা চে”পে ধরার ভিডিও।

স’রকারের তথ্য চু”রি ও ছবি তোলার অ’ভিযোগে দৈনিক প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে সোমবার ম’ন্ত্রণালয়ে ৫ ঘণ্টা আ”টক রেখে রাতে পুলিশে দেয়া হয়। পরে এসব অ”ভিযোগে তার বি’রুদ্ধে মা’মলা হয়।

ম”ন্ত্রণালয়ে আ’টক রাখা অবস্থায় তাকে শা’রীরিক নি’র্যাতন করা হয় এবং স’রকারের উচ্চ পর্যায়ের কয়েকজন কর্মকর্তাও এই নি’র্যাতনে অংশ নেন। তেমনি একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

ভিডিওতে দেখা যায় স্বা’স্থ্য ম’ন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত স’চিব কাজী জেবুন্নেসা বেগম রোজিনা ইসলামের গ’লা বার বার চে’পে ধরছেন এবং তাকে শাসাচ্ছেন। আর ফেসবুক জুড়ে এই ঘটনার তীব্রনি”ন্দা ও প্র’তিবাদ জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে দৃষ্টান্তমূলক শা’স্তির দাবিও করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, একজন স’রকারি কর্মচারি হয়ে কিভাবে একজন মানুষের গ”লা চে”পে ধরতে পারেন। তিনি কোথায় এতো সাহস পেল গায়ে হাত দেবার। তার বিচার চাই। এরইমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কাজী জেবুন্নেসা বেগমের অ’বৈধ সম্পদের নানা খবর ছড়িয়ে পড়েছে। এছাড়া ব্যাংকে নামে বেনামে প্রায় শত কোটি টাকার খবরও দিচ্ছে অনেকে।

স্বা’স্থ্য স’চিবের পিএস সাইফুল ইসলামের রুমে ফাইল থেকে নথি সরানোর অভিযোগে রোজিনাকে পুলিশ দিয়ে ওই রুমে আ’টকে রাখা হয় এবং তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। একপর্যায়ে স্বা’স্থ্য ম’ন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত স’চিব কাজী জেবুন্নেসা বেগম রোজিনা ইসলামের গ’লা চে’পে ধরে তাকে শাসাচ্ছিলেন। এসময় তিনি সেখানে অ’সুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর রাত পৌনে ১২ টার দিকে রোজিনা ইসলামের বি’রুদ্ধে শাহবাগ থানায় একটি মা’মলা করা হয়েছে। মা’মলার নম্বর ১৬, দ’ণ্ডবিধি ৩৯৭ এবং ৪১১ অফিসিয়াল সিক্রেসি এক্ট ১৯২৩ এর ৩/ ৫ এর ধারা মা’মলা করেন স্বা’স্থ্যসেবা বিভাগের উপ-স’চিব শিব্বির আহমেদ ওসমানী।

মা’মলার অ’ভিযোগ পত্রে বলা হয়েছে, সোমবার দুপুর ২.৫৫ মিনিটে স্বা’স্থ্য ও পরিবার কল্যাণ ম’ন্ত্রণালয়ের স্বা’স্থ্য সেবা বিভাগের স’চিবের একান্ত স’চিবের দপ্তরে রোজিনা ইসলাম নামে একজন নারী প্রবেশ করেন। এসময় একান্ত স’চিব দাপ্তরিক কাজে স’চিবের কক্ষে অবস্থান করছিলেন। উক্ত নারী দাপ্তরিক গুরুত্বপূর্ণ কাগজ পত্র শরীরের বিভিন্ন স্থানে লুকান এবং মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ছবি তোলেন। এসময় স’চিব দপ্তরের দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য মো. মিজানুর রহমান খান বি’ষয়টি দেখতে পান এবং বা’ধা দেন এবং তিনি নির্ধারিত কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে কক্ষে কি করছেন মর্মে জানতে চান।

এসময় তিনি নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দেন। পরে অতিরিক্ত স’চিব কাজী জেবুন্নেসা বেগম, উপ-স’চিব জাকিয়া পারভিন, সিনিয়র সহকারী স’চিব শারমিন সুলতানা, স’চিবের একান্ত স’চিব মো. সাইফুল ইসলাম ভূঞা, সিনিয়র সহকারী স’চিব মোসাদ্দেক মেহেদী ইমাম, অফিস সহায়ক মোহাম্ম’দ মাহফুজুল ইসলাম, সোহরাব হোসেনসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও স্টাফরা ঘটনাস্থলে আসেন। অতিরিক্ত স’চিব কাজী জেবুন্নেসা বেগম তল্লা’শি করে তার কাছ থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র, ডকুমেন্টসের ছবিসহ মোবাইল উ’দ্ধার করেন। এতে প্রতিয়মান হয় যে, তিনি ডকুমেন্টসগুলো চু’রি করে নিয়ে যাচ্ছিলেন।

উল্লেখ্য, বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ভ্যাকসিন ক্রয়/সংগ্রহ সংক্রান্ত নেগোসিয়েশন চলমান রয়েছে এবং খসড়া সমঝতা স্মারক ও নন ডিসক্লোজার এগ্রিমেন্ট প্রণয়নের কাজ চলছে। সমঝতা স্বাক্ষর নিয়ে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে প্রতিনিয়ত পত্র ও ই-মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ হচ্ছে, যেখানে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সন্নিবেশিত রয়েছে।