সাভার থানা যুবলীগের এক ত্যাগী কর্মী সান সরকার এর খোলা চিঠি

0
112

মোঃ শান্ত খান ঢাকা জেলা প্রতিনিধি

সাভার উপজেলার নৌকার ত্যাগী কর্মী ছিলেন, যুবলীগের নেতা সান সরকার । বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে এক ত্যাগী নেতা হ্দরোগের মধ্য দিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে বলা হচ্ছে, সাভার উপজেলার অন্তর্গত এক সময়ের দুর্দিনে আওয়ামী যুবলীগ সান সরকার এর কথা। সাভার থানা যুবলীগের ত্যাগী নেতা তিনি। তাকে সকলে সান সরকার নামে চিনে। দলের দুঃসময়ে পার্শ্বে থাকা নৌকার এই ত্যাগী কান্ডারী বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

সম্প্রতি তার সাথে কথা হয় সাংবাদিকদের। পাঠকের জন্য সাক্ষাৎকারটি হুবহু তুলে ধরা হল: আপনার পরিবারে কে কে আছে? আমার পরিবারের ৫ জন সদস্য আছে। আপনি কর্মজীবনে কি কি করতেন? আমার কর্মজীবনে ব্যবসা ছিল কিন্তু কিছু কুচক্রীমহলের কারণে আমি সফল হতে পারিনি উল্টো ব্যবসায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি সাধন হয়েছে। আর আমি ১৯৯৭ সালে কর্মজীবনে আসছি।

শুরুতে বেকার ছিলাম। কুচক্রীমহলের চক্রান্তে পড়ে আমি জীবন যুদ্ধে নেমে গিয়েছিলাম। তাতে এক পর্যায়ে আমি অসহায় হয়ে পড়ি। আপনি কত সালে রাজনীতি শুরু করেন? আমি ২০০৪ সালে রাজনীতি শুরু করি। পরে ২০০৫ সাল থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত কেউ না থাকার কারণে আমি নিজের খরচে চা খরচ থেকে শুরু করে সবকিছু চালায়ছি। তখন আমি ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা খেয়েছিলাম ৩ টি। এ মামলা ২০০৮ সালে খালাস হয়ে যায়।

আমি দলের সকল কর্মকাণ্ড গুরুত্ব দিয়ে সততার সহিত পালন করতাম। নিজের খরচে মিটিং মিছিল করার পাশাপাশি সকলের আপ্যায়ন খরচও চালাতাম। আপনি দলের জন্য অনেককিছু করার পরেও কি কারণে দল থেকে সরে গেলেন বা আরও গুরুত্বপূর্ণ কোন পদ পাননাই কেন? আমি হলাম একজন ত্যাগী আওয়ামী যুবলীগ নেতা।

দলের জন্য আপনি কি কি করেছেন? আমি দলের সকল কর্মসূচি আন্তরিকতার সহিত পালন করতাম। আমি দায়িত্বে ত্যাগী নেতা সময় দলের জন্য যে ত্যাগ দিয়েছি তা তৎকালীন দায়িত্বে থাকা দলের লোকজনের সাথে কথা বললে সত্যতা মিলবে।

আপনার এখন কি অবস্থা? এক সময় দলের জন্য অনেক কিছু ত্যাগ করেও আমি এখন কষ্টে আছি। মানবেতর জীবনযাপন করছি। আমি এখন সীমাহীন অসুস্থ আছি। কখন যে মরে যায় তারও ঠিক ঠিকানা নাই। সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন। আপনি দলীয় লোক হয়েও কোন সুযোগ সুবিধাদি পেয়েছেন কিনা? না, কোন সুবিধা পাচ্ছিনা। সুবিধা পাওয়া ত দূরের কথা। আমার আরো উল্টো কোটি টাকার ক্ষতি সাধন হয়েছে। যা আপনারা সাংবাদিকরা তদন্ত করলে সত্যতা পাওয়া যাবে।

আসলে আপনার মূল চাওয়াটা কি? আমি জেলেদের জেলে কার্ড ও সুবিধাদি দেওয়ার দাবী নিয়ে, ইয়াবা ও মানবপাচার নির্মূলের দাবী নিয়ে, ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়নের দাবী নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর সুদৃষ্টি দিতে জোর দাবী জানাচ্ছি। পাশাপাশি তিনি বলেন, আমি আজীবন ষড়যন্ত্রের শিকার। তারপরেও আমি মৃত্যুর আগপর্যন্ত অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে যাব। এ ব্যাপারে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ পুরো প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।

পাশাপাশি দেশ ও দলের সেবা করাই হল আমার মূল কাজ। আপনি প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার মাধ্যমে কার সহযোগিতা কামনা করেন? আমি প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সম্মানিত সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার জরুরী সহযোগিতা কামনা করে ওনার সাথে দেখা করতে অধীর আগ্রহে ইচ্ছুক হয়ে অপেক্ষায় আছি। কারণ যদি আল্লাহর হুকুমে দেখা করার সুযোগ হয় তখন আমি আওয়ামীলীগের স্বার্থে কয়েকটি বিষয়ে অবহিত করা হবে!