সিরাজগঞ্জে স্বামীকে পানিতে চুবিয়ে খুন শারীরিক চাহিদা মেটাতে অক্ষম!

 

 

 

জেলা প্রতিনিধি স্বাধীন নিউজ!

সিরাজগঞ্জে শরিফুল ইসলাম (৩১) নামের একজনকে হত্যায় দায় স্বীকার করেছেন তার স্ত্রী ফারজানা খাতুন (২০)। সোমবার (১৬ জানুয়ারি) আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে এ হত্যার দায় স্বীকার করেন তিনি।

জেলার শাহজাদপুর উপজেলার চর বেতকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। হত্যাকাণ্ডের চারদিন পর শনিবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় পার্শ্ববর্তী শিবরামপুর গ্রামের করতোয়া নদীর পোলঘাট এলাকায় শরিফুলের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পরে নিহতের মা সূর্য বানু খাতুন বাদী হয়ে ছেলের বউ ফারজানা খাতুনকে প্রধান করে অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের নামে হত্যা মামলা করেন।

মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শাহজাদপুর সার্কেল) হাসিবুল ইসলাম।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেড় মাস আগে শাহজাদপুর উপজেলার আগনুকালি গ্রামের মৃত আবু সামার ছেলে শরিফুলের (৩১) সঙ্গে বিয়ে হয় একই উপজেলার চর বেতকান্দি গ্রামের ফখরুল ইসলামের মেয়ে ফারজানা খাতুনের (১৮)।

বিয়ের পর থেকেই শরিফুলের শারীরিক অক্ষমতার কারণে অসুখী ছিলেন ফারজানা। শারীরিক অক্ষমতার কথা জানিয়ে বিচ্ছেদের কথা বললে তাকে গালমন্দ করতেন স্বজনরা। তাই পরিকল্পিতভাবে সোমবার (৯ জানুয়ারি)
সকালে স্ত্রী ফারজানা বাবার বাড়ি চলে যান।

পরে ওইদিন রাত ১১টার শ্বশুরবাড়ি ছুটে যান শরিফুল। এরপর শরিফুলকে কবিরাজের উছিলা দিয়ে বাড়ির পাশের করতোয়া নদীর পাড়ে নিয়ে যান ফারজানা।

পরে কবিরাজের বরাত দিয়ে বলেন, হাত-পা বাঁধা অবস্থায় নদীর স্রোতের পানি তুলে পান করলে শারীরিক অক্ষমতা দূর হবে তোমার।

শরিফুল তাতে সম্মতি দিলে তার পরনের লুঙ্গি ছিঁড়ে হাত ও পা বেঁধে দেন ফারজানা। এরপর একটি প্লাস্টিকের বোতল হাতে নিয়ে নদীর স্রোতের পানি তুলতে গেলে ফারজানা তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন এবং ঘাড় পানিতে চেপে ধরেন।

পরে জীবন বাঁচাতে ফারজানার হাতে কামড় দেন শরিফুল। এসময় স্ত্রী ফারজানা ক্ষিপ্ত হয়ে শরিফুলের ঘাড় মটকে দেন। পরে মৃত্যু নিশ্চিত হলে মরদেহ নদীতে থাকা নৌকার নিচে ঢুকিয়ে দেন।

 

 

এই ওয়েবসাইটের সকল লেখার দায়ভার লেখকের নিজের, স্বাধীন নিউজ কতৃপক্ষ প্রকাশিত লেখার দায়ভার বহন করে না।
এই বিভাগের আরও খবর
- Advertisment -

সর্বাধিক পঠিত

- Advertisment -