1. mdsujan458@gmail.com : Habibur Rahman : Habibur Rahman
  2. hridoy@pipilikabd.com : হৃদয় কৃষ্ণ দাস : Hridoy Krisna Das
  3. taspiya12minhaz@gmail.com : Abu Ahmed : Abu Ahmed
  4. md.khairuzzamantaifur@gmail.com : তাইফুর রহমান : Taifur Bhuiyan
  5. admin@swadhinnews.com : নিউজ রুম :
শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ অপরাহ্ন

সিলেটে কালবৈশাখী ঝড় লন্ডভন্ড বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা, ক্ষয়ক্ষতি ব্যাপক

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৩১ মার্চ, ২০২১
  • ১৭৬ বার পঠিত

সিলেট ব্যুরো

কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সিলেটের বিভিন্ন স্থানে । গত দুই রাতে বয়ে যাওয়া এ ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়েছে বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট ব্যবস্থা। ক্ষতিগ্রস্থ স্থানগুলোতে প্রায় ২০ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হয় বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সুবিধা। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন এলাকার মানুষ।

জানা গেছে, পবিত্র শবে বরাতের রাত (সোমবার দিবাগত রাত) আড়াইটার দিকে প্রায় আধা ঘণ্টার কালবৈশাখী ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়ে যায় দক্ষিণ সুরমা, ওসমানীনগর ও গোলাপগঞ্জসহ বিভিন্ন উপজেলার অনেকগুলো ঘরবাড়ি। শিলা বৃষ্টিও হয় অনেক জায়গায়। কোথাও আধা-কাঁচা ঘরের টিন উড়ে যায় ও গাছ-পালা উপড়ে পড়ে। বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেটের তার ছিঁড়ে পড়ে দেখা দেয় বিভ্রাট। পরদিন (মঙ্গলবার) দুপুরের পরে এসব এলাকায় স্বাভাবিক হয় বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট ব্যবস্থা। সোমবার দিবাগত রাতের কালবৈশাখীর জের কাটতে না কাটতেই মঙ্গলবার সন্ধ্যারাত সাড়ে ৭টার দিকে সিলেটের বিভিন্ন স্থানে পুনরায় বয়ে যায় ধমকা হাওয়া ও বজ্রঝড় এবং শিলাবৃষ্টি। আধা ঘণ্টা ধরে বয়ে যাওয়া এই কালবৈশাখিতে আবারও ক্ষতিগ্রস্থ বিভিন্ন উপজেলার ঘরবাড়ি। একইভাবে বিপর্যস্ত হয় বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ।

সূত্র জানা যায়- দক্ষিণ সুরমা, ওসমানীনগর, বালাগঞ্জসহ সিলেটের দক্ষিণাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকা মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বুধবার (৩১ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত টানা ২০ ঘণ্টা ছিল বিদ্যুৎহীন। এতে ব্যাঘাত ঘটে দৈনন্দিন ও অফিসিয়াল কার্যক্রমে। এদিকে, দীর্ঘ ২০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উপর অনেকেই চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন । ভুক্তভোগীদের বক্তব্য- শুকনো মৌসুমে ঠিকমতো বৈদ্যুতিক খুঁটি-তার মেরামত ও লাইনের উপরের গাছ কর্তন করলে গ্রাহকদের এমন দুর্ভোগে পড়তে হতো না। বিদ্যুৎবিভাগের খামখেয়ালিপনাই এই পরিস্থিতির জন্য সম্পূর্ণ দায়ী।

ওসমানীনগরের তাজপুর জোনাল অফিসের বিদ্যুতের ডিজিএম জহিরুল ইসলাম বলেন, আমরা শুকনো মৌসুম শুরুর পর প্রায় ৬ মাস মেরামত কাজ করা হয়। ৬ মাসের শুরুতে যেসব এলাকায় কাজ করা হয় ৬ মাসের মাথায় সেসব এলাকায় লাইনের উপর গাছ-বাঁশ চলে আসে আবারও। ঝড়-বৃষ্টি হলেই গাছ-বাঁশ বৈদ্যুতিক খুঁটি ও তারের উপর আছড়ে পড়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় সংযোগ।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SwadhinNews.com
Design & Developed By : PIPILIKA BD