সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং | পর্ব-৪

0
12

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিংঃ

ব্যাবসায়িক পণ্যের প্রচারের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া এরে চেয়ে ভালো জায়গা এখন ও নাই।এজন্য প্রয়োজনীয় এ্যাক্টিভ কমিউনিটি তৈরী করতে হবে যেন এতে সকল মেম্বার এ্যাক্টিভ থাকে।পণ্যের ফেসবুকে কমিউনিটি তৈরী করার জন্য গ্রুপ কিংবা পেইজ তৈরী করতে হবে।এভাবে টুইটার,গুগল প্লাস কিংবা লিংকডউইনে কমিউনিটি তৈরী করতে হবে।পণ্যের টার্গেটকৃত ক্রেতাদের সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে চালানো বিভিন্ন আলোচনাতে অংশগ্রহন করতে হবে।কাউকে ই-মেইল পাঠনোর ক্ষেত্রে নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়ার পেইজ কিংবা গ্রুপের লিংকগুলো সিগনেচার হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।নিজের ওয়েবসাইটে কিংবা কোন ব্লগে পোষ্ট দেয়ার ক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়ার লাইক বাটন যুক্ত করতে হবে।সকল সোশ্যাল মিডিয়াতে সক্রিয়ভাবে নিয়মিত অংশগ্রহনের জন্য ম্যানেজমেন্ট টুলস(HootSuite,TweetDeck)ব্যবহার করতে হবে।এটি সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং-এর সময়কে সর্বোচ্চ ব্যাবহারের মাধ্যমে ভালো ফলাফল বের করতে সাহায্য করবে।নিয়মিত রুটিন (যেমন,৩ দিন পর বা ১ সপ্তাহ পর) করে পোষ্ট দিতে হবে।ফলে এখানে নিয়মিত ভিজিটর আসবে নতুন কিছু পাওয়ার আশায়।

ডিজিটাল ডিসপ্লে বিজ্ঞাপনঃ

এটি ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি উপসেট মার্কেটিং ব্যবস্থা।সম্ভাব্য ক্রেতাদের লক্ষ্য করে ডিসপ্লে বিজ্ঞাপন ফরম্যাটের বিভিন্ন টুল ব্যবহার করতে হবে এক্ষেত্রে।এটি টেক্সট,ইমেজ,ব্যানার,ইন্টারঅ্যাক্টিভ বা ভিডিও বিজ্ঞাপন হতে পারে।আপনার পন্য সম্পর্কে আগ্রহ সৃষ্টিতে বা ক্রেতাদের টার্গেটের উপর ভিত্তি করে কন্টেন্টগুলো কাষ্টমাইজ করা যেতে পারে।তবে ডিজিটাল ডিসপ্লে বিজ্ঞাপন তূলনামূলক ব্যয়বহুল।এক্ষেত্রে ভালো ROI(Return Of Investment) পেতে বিশেষজ্ঞদের মতামত প্রয়োজন হতে পারে।

রিটার্গেটিং ও রিমার্কেটিং টেকনিকঃ

রিটার্গেটিং স্থির এবং রি মার্কেটিং একটি কৌশল যেখানে গ্রাহকরা আপনার ওয়েবসাইট কতবার ভিজিট করেছে সেটি যাচাই করা যাবে।এটা কুকি প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়।Retargeting একটি পছন্দের কৌশল যার মাধ্যমে ঐ গ্রাহকদের যাদের মাধ্যমে যারা ইতিমধ্যে পণ্য বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে তাদের পুনরায় টার্গেট হিসেবে আলাদা করা হয়।এজন্য সামাজিক নেটওয়ার্কে বা মোবাইলে ও সাইটের উপরে ও Retargeting ব্যবহার করা যাবে।

মোবাইল মার্কেটিংঃ

এস এম এস (SMS) মার্কেটিং,এস এম এস (MMS) মার্কেটিং,ব্লুটুথ মার্কেটিং,ইনফ্রারেড মাকেটিং প্রভৃতি মোবাইল মার্কেটিং এ অন্তর্ভুক্ত।আর এগুলোর মধ্যে এস এম এস মার্কেটিং পদ্ধতি খুবই গুরুত্বপূর্ন।ভার্চুয়াল বা ডিজিটাল জগতের সদস্য হিসেবে ফেসবুক,টুইটারে নিজের অনেক ফলোয়ার থাকতে পারে।তাদেরকে ম্যাসেজ অথবা টুইট করে মার্কেটিং করা যায়।আপনার Keyword গুলো দ্বারা তারা আপনার পণ্যের ওয়েবসাইটে পৌঁছে যেতে পারে।হয়তো তারা ও এস এম এসের মাধ্যমে আপনার প্রোডাক্টের সাবস্ক্রাইবার হতে পারে।যারা আপনার প্রোডাক্টের নিয়মিত সাবস্ক্রাইবার হয়েছে তাদেরকে আপনি আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কিত বিবরনের ম্যাসেজ পাঠাতে পারেন।ম্যাসেজ হবে সংক্ষিপ্ত তথা ১৬০ ওয়ার্ডের বেশী নয়।ম্যাসেজ হবে ফ্রেন্ডলি যাতে সাব্স্ক্রাইবার এমন মনে না করে যে আপনি আপনার কোম্পানির প্রোডাক্ট কেনার জন্য তাকে প্ররোচিত করেছেন।এই মার্কেটিং পদ্ধতিটি খুবই ফ্লেক্সিবল এবং এটি টাকা তৈরীর টুল হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

ইন্টারেক্টিভ মার্কেটিংঃ

পণ্যের ব্যবহার করে একটি ভিডিও তৈরি করে সেটা বিভিন্ন ভিডিও সাইটে (যেমন:ইউটিউব,ডেইলিমোশন,ভিমিও,রেভের, ইত্যাদি)শেয়ার করতে পারেন আপনার ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে ছড়িয়ে পড়ে অন্যের ওয়েবসাইটে ভিজিটর আসতে বাধ্য করবে।