সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বলন

নিজস্ব প্রতিবেদক |

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বলন ও পদযাত্রা করেছে ঢাকা আহছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টর। রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর শ্যামলী পার্কে মোমবাতি প্রজ্বলন করা হয়। মোমবাতি প্রজ্বলন শেষে শ্যামলী মাঠ থেকে একটি পদযাত্রা শুরু হয়ে মিরপুর রোডে এসে শেষ হয়। মোমবাতি প্রজ্বলন ও পদযাত্রা কর্মসূচিতে আহছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরের কর্মকর্তারা প্ল্যাকার্ডের মাধ্যমে দুর্ঘটনা কমানোর জন্য দাবি জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা আহছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য ও ওয়াস সেক্টরের পরিচালক ইকবাল মাসুদ, সহকারী পরিচালক মো. মোখলেছুর রহমানসহ স্বাস্থ্য সেক্টরের বিভিন্ন ইনিস্টিটিউট ও প্রকল্প প্রধান, কর্মকর্তা, চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সেবাকর্মী। এছাড়া কর্মসূচিতে গ্লোবাল রোড সেফটি অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড গ্র্যান্ট প্রোগ্রাম ম্যানেজার তাইফুর রহমান, গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটরের বাংলাদেশ কান্ট্রি কো-অডিনেটর ড. মো. শরিফুল আলম, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ন্যাশনাল কনসালটেন্ট নন কমিউনিকেবল ডিজিজের খন্দোকার মো. ওয়াতিন আলমসহ পথচারীরা অংশ নেন।

বিশ্বে সড়ক দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু অষ্টম বৃহত্তম কারণ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গ্লোবাল স্ট্যাটাস রিপোর্ট অব রোড সেফটি ২০১৮-এর তথ্য অনুসারে প্রতি বছর বিশ্বে ১৩ লাখ ৫০ হাজার মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। ৫-২৯ বছর বয়স সীমার মানুষের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ সড়ক দুর্ঘটনা। আর এসব মৃত্যুও ৯০ শতাংশ নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশে সংগঠিত হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য মতে, প্রতি বছর বাংলাদেশে প্রায় ২৫ হাজার মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান।

মহাসড়কে যত দুর্ঘটনা ঘটে, তার শতকরা ৮০ ভাগ ঘটে চালকদের বেপরোয়া গাড়ি চালানোর জন্য। গাড়ির গতি ঘণ্টায় ১ কিলোমিটার বাড়লে ৪-৫ শতাংশ দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। যানবাহনের গতি যত বেশি কম হবে, পথচারীদের জন্য আহত ও মৃত্যু-ঝুঁকি তত বেশি কম হবে। ৩০ কিলোমিটার ঘণ্টা বেগে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ৯৯ শতাংশ। ৫০ কিলোমিটার ঘণ্টা বেগে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ৮০ শতাংশ।

spot_imgspot_imgspot_imgspot_img
এই বিভাগের আরও খবর
- Advertisment -

সর্বাধিক পঠিত

- Advertisment -