হামাসের স্থাপনায় শতাধিক বিমান হামলা ইসরাইলের

0
68

জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ওআইসিসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং বিশ্ব নেতাদের যুদ্ধবিরতির আহ্বান উপেক্ষা করে ফিলিস্তিনি হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল।

বিবিসি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে গাজায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের অবকাঠামো লক্ষ্য করে একশ’র বেশি বিমান হামলা চালিয়েছে ইহুদিবাদী দেশটি। জবাবে ইসরাইলকে লক্ষ্য করে গাজা থেকে রকেটও ছোড়া হয়েছে।

ইসরাইলি বিমান হামলায় এখন পর্যন্ত ২২৭ ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে শতাধিক। অন্যদিকে গাজা থেকে ছোড়া রকেটের আঘাতে দুই শিশুসহ ১২ ইসরাইলি নিহত হয়েছে।

এদিকে চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাত বন্ধ করে অবরুদ্ধ গাজায় দুই-একদিনের মধ্যেই যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানো সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন হামাসের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

হামাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তা মুসা আবু মারজুক লেবাননের আল-মায়াদিন টেলিভিশনকে বলেন, আশা করছি দুই-একদিনের মধ্যেই যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানো যাবে আর যুদ্ধবিরতি হবে পারস্পারিক সম্মতিতে। আমার ধারণা যুদ্ধবিরতি নিয়ে চলমান উদ্যোগ সফল হবে।

বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। তবে বুধবার ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু বলেছেন, তার দেশের নাগরিকদের জন্য শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত হামলা অব্যাহত থাকবে।

অন্যদিকে চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাত বন্ধে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ওপর চাপ বাড়িয়ে যুদ্ধবিরতি চেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

বুধবার হোয়াইট হাউজের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাতে সহিংসতার মাত্রা উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কমে যাওয়া দেখতে চান প্রেসিডেন্ট।

সিএনএন জানায়, ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাতের শুরু থেকে বুধবার নিয়ে এ পর্যন্ত মোট চারবার নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন বাইডেন। এদিন বাইডেনের কথার সুরে বোঝা গেছে, তিনি নেতানিয়াহুকে নিয়ে ধৈর্য্য হারাচ্ছেন।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ফোনালাপে বাইডে নেতানিয়াহুকে বলেছেন, হামাসের সঙ্গে বাড়তে থাকা লড়াইয়ের প্রেক্ষাপটে আজ ইসরাইল যুদ্ধবিরতির পথে হেঁটে সহিংসতার মাত্রা যথেষ্ট কমিয়ে আনুক- সেটিই তিনি আশা করেন।

বাইডেন সহিংসতা কমিয়ে আনার একটি সময়সীমাও নির্ধারণ করেছেন বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। তবে সহিংসতার মাত্রা কমাতে কী করণীয় তা হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিকভাবে জানায়নি।