হিংসা-বিদ্বেষমুক্ত থাকতে যা করবেন

ইসলাম ডেস্ক |

হিংসা-বিদ্বেষমুক্ত অন্তর আল্লাহর রহমত ও নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুপারিশ পেয়ে ধন্য হবে। আর তা থেকে মুক্ত থাকতে হলে মুমিন মুসলমানের করণীয় কী?

হ্যাঁ, হিংসা-বিদ্বেষমুক্ত থাকতে মানুষের অন্তরে ইখলাস তথা একনিষ্ঠতা থাকা জরুরি। দুনিয়ার যাবতীয় ইবাদত-বন্দেগিতেও অন্তরকে ইখলাসে পরিপূর্ণ করে রাখতে হবে। যে অন্তরে ইখলাস তথা একনিষ্ঠতা থাকবে, সে অন্তরে হিংসা-বিদ্বেষ স্থান পাবে না।

আর হিংসা-বিদ্বেষমুক্ত অন্তরের অধিকারী ব্যক্তি আল্লাহর রহমত বরকত ও মাগফেরাত পেয়ে ধন্য হবে। বিদায় হজের ভাষণে প্রিয় নবি ঘোষণা করেন, ‘তিনটি বিষয়ে মুমিনের অন্তর খেয়ানত করে না-

১. ইখলাসের সাথে আমলসমূহ আল্লাহর জন্য নিবেদন করা;

২. মুসলিম নেতাদের কল্যাণ কামনা করা;

৩. মুসলিম জামাতের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ থাকা।( মুসনাদে আহমদ, ইবন মাজাহ)

কোনো ব্যক্তির অন্তরে যখন ইখলাস স্থান পায় তখন ওই ব্যক্তি অনেক বিপদ-আপদ, দোষ-ত্রুটি থেকেও মুক্ত থাকে।

হজরত ইবনে আবদুল্লাহ বার রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, উল্লেখিত তিনটি গুণ যার অন্তরে বিরাজমান থাকবে তার অন্তর কখনো দুর্বল হবে না। নিফাকী ও কপটতামুক্ত থাকবে তাদের অন্তর।

সুতরাং মুসলিম উম্মাহর উচিত, হিংসা-বিদ্বেষ থেকে মুক্ত থাকতে, অন্তরের মুনাফেকি ও কপটতা থেকে বিরত থাকা। সব কাজ ইখলাসের সঙ্গে পালন করা।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে হিংসা-বিদ্বেষমুক্ত থাকতে ইখলাসের সঙ্গে সব আমলগুলো করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

এই ওয়েবসাইটের সকল লেখার দায়ভার লেখকের নিজের, স্বাধীন নিউজ কতৃপক্ষ প্রকাশিত লেখার দায়ভার বহন করে না।
এই বিভাগের আরও খবর
- Advertisment -

সর্বাধিক পঠিত

- Advertisment -