৫২ কিলোমিটার যানজটে নাকাল সাভার-আশুলিয়া

0
10

মোঃ শান্ত খান ঢাকা জেলা প্রতিনিধি

একদিন পরেই পবিত্র ঈদুল আজহা। সবাই ছুটছেন বাড়ির পথে। পোশাক কারখানাগুলোও ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। কর্মরত শ্রমিকরাও নেমেছেন রাস্তায়। ফলে তীব্র যানজট দেখা দিয়েছে সাভার-আশুলিয়া সড়কে। এ সড়কের প্রায় ৫২ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে স্থির হয়ে পড়ে আছে সব ধরনের পরিবহন।

সোমবার সকাল থেকে এ সড়কের ওপর চাপ বাড়তে থাকে। ধীরে ধীরে গাড়িগুলো চললেও বিকেলে এসে তা যেন থমকে যায়। সর্বশেষ রাত ১০টার দিকে গাড়িগুলোকে স্থির দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। সাভার-আশুলিয়ার ৫২ কিলোমিটার সড়কজুড়ে এমন পরিস্থিতিতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গগামী লাখ লাখ মানুষ।

সরেজমিন দেখা যায়, সাভার থানাস্ট্যান্ড থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত অল্পকিছু অংশ বাদ দিয়ে ২৬ কিলোমিটার যানজট, এছাড়া নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের মোজারমিল এলাকা থেকে বাইপাইল-আশুলিয়া হয়ে আব্দুল্লাহপুর পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার সড়কে এক চুল পর্যন্ত নড়ছে না কোনো বাহন। তীব্র এ যানজটের প্রভাব পড়েছে আশুলিয়ার অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোতেও। আশুলিয়া বাজার থেকে বিরুলিয়া রোডের আক্রান পর্যন্ত ছয় কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট লক্ষ করা গেছে।

মারাত্মক এ গাড়ির জটে শিডিউল বিপর্যয়ে পড়েছে গণপরিবহনগুলো। চার থেকে ছয় ঘণ্টা দেরি করে কাউন্টারে পৌঁছাচ্ছে বিভিন্ন রুটের গাড়ি। টিকিট কেটে কাঙ্ক্ষিত গাড়ির অপেক্ষায় বসে থাকতে দেখা যায় হাজার হাজার যাত্রীকে। এরই মধ্যে বয়ে গেছে এক ঝাপটা বৃষ্টি। বৃষ্টির পর ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল রাস্তায় নামা মানুষগুলো।

তীব্র এ যানজট প্রসঙ্গে সাভার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ করিম বলেন, কয়েকদিন ধরে গরুর গাড়ির কারণে সড়কে অতিরিক্ত চাপ রয়েছে। আজ (সোমবার) কারখানা ছুটি হওয়ার পর যাত্রীবাহী গাড়ির চাপও বেড়েছে। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তবে গাড়িচালকদের বেপরোয়া ব্যবহারের কারণে জট লেগেই থাকছে। আশা করছি দ্রুতই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সড়কে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তারপরও যানজট নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন।