পটুয়াখালীতে র্যাবের মিনিবাস ও একটি যাত্রীবাহী লোকাল বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে র্যাবের বাসের চালকসহ দুজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩০ জন। শনিবার (১১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের ফতুল্লা বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহতরা সিএমএইচ হাসপাতাল, পটুয়াখালী ও বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক ।
নিহতরা হলেন– যাত্রী পিয়াম (২) এবং র্যাবের ওই মিনিবাসের চালক এএসআই আবদুল আলীম (৩৩)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ধানসিড়ি পরিবহন নামের বাসটি কুয়াকাটা থেকে পটুয়াখালীর দিকে যাচ্ছিল। আর র্যাবের মিনিবাসটি বরিশাল থেকে কুয়াকাটার দিকে যাচ্ছিল। ফুতল্লা বাজার এলাকায় পৌঁছলে ওই বাস এবং মিনিবাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে কমপক্ষে ৩০ জন আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে পটুয়াখালী সদর হাসপাতাল নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশু সিয়ামকে মৃত ঘোষণা করেন। আর র্যাবের গাড়িচালক আবদুল আলীমকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।
পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক বেলাল উদ্দিন বলেন, ‘দুর্ঘটনাস্থল থেকে আমরা র্যাবের গাড়ি থেকে ১৩ জনকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছি।’
পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তামান্না রহমান বলেন, ‘দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে আহতদের ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে একজন শিশু হাসপাতালে আসার আগেই মারা গেছে। গুরুতর আহতদের বরিশালসহ অন্যান্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন খালেদুর রহমান মিয়া বলেন, ‘দুর্ঘটনার পর পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ২৯ জন আহত হয়ে এসেছেন। গুরুতর আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল সিএমএইচ ও শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত এই দুর্ঘটনায় পটুয়াখালীতে দুজন নিহত হয়েছেন।’
পটুয়াখালী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাজেদুল ইসলাম সজল বলেন, ‘লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। সড়কের চলাচল স্বাভাবিক করতে গাড়ি দুটো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।’

















