ভাসানচরের ছয় মৌজা হাতিয়া নয়, সন্দ্বীপের অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত
ভাসানচরের ছয়টি মৌজা নোয়াখালীর হাতিয়া নয়, চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার অন্তর্ভুক্ত হবে বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জেলা-উপজেলা
জার্নাল ডেস্ক 2026-01-17
ভাসানচরের ছয়টি মৌজা নোয়াখালীর হাতিয়া নয়, চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার অন্তর্গত হবে বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের জরিপ শাখা সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কাছে চিঠি দিয়েছে।
শনিবার সন্দ্বীপের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মং চিনু মারমা গণমাধ্যমকে বলেন, ভাসানচরকে সন্দ্বীপের অধীনে রাখার দাবি ছিল এলাকাবাসীর। র্দীঘ প্রক্রিয়া শেষে ভাষানচরের ছয়টি মৌজা সন্দ্বীপের সঙ্গে যুক্ত হবে।
‘‘এজন্য ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।‘‘
গত ১৩ জানুয়ারি ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া নির্দেশনায় বলা হয়, “আন্তঃজেলা সীমানা বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে গঠিত কারিগরি টিম যে প্রতিবেদন দিয়েছে, তার আলোকে ছয়টি মৌজা সন্দ্বীপ উপজেলায় অর্ন্তভুক্ত করতে প্রয়োনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হলো।”
২০১৬-১৭ সালের দিয়ারা জরিপ অনুসারে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের অদূরে বঙ্গোপসাগরে জেগে ওঠা চর ‘ভাসানচরকে’ নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলায় অধিভুক্ত করা হয়। ওই চরে এখন মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের রাখা হয়েছে।
জেগে ওঠা ওই চরকে সন্দ্বীপের বলে দাবি করেন সেখানকার লোকজন। তারা আরএস ও সিএস জরিপের ভিত্তিতে ভাসানচরের বেশির ভাগ অংশ অতীতে দ্বীপটির ভেঙ্গে যাওয়া অংশ বলে দাবি করেন। এ নিয়ে উচ্চ আদালতে একটি রিট আবেদনও হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর দুই পক্ষের বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারকে দায়িত্ব দেয়।
এরপর চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. নুরুল্লাহ নুরীকে প্রধান করে ১৯ সদস্যের একটি কমিটি করা হয়। কমিটি বিভিন্ন সময়ে উভয়পক্ষের যুক্ত-তর্কও শোনে।
এ নিয়ে গঠিত কারিগরী কমিটি সরেজমিন পরিদর্শন এবং সামগ্রিক বিষয় বিবেচনা করে ভাসানচরের ছয়টি মৌজা সন্দ্বীপের অর্ন্তগত বলে প্রতিবেদন দেয়।
সূত্র: বিডি নিউজ
বাংলাদেশ জার্নাল/এনএম
(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-103843996-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);
(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-115090629-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);
_atrk_opts = { atrk_acct:’lHnTq1NErb205V’, domain:’bd-journal.com’,dynamic: true};
(function() { var as = document.createElement(‘script’); as.type=”text/javascript”; as.async = true; as.src=”https://certify-js.alexametrics.com/atrk.js”; var s = document.getElementsByTagName(‘script’)[0];s.parentNode.insertBefore(as, s); })();













