নবগঠিত মন্ত্রিপরিষদে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আজ (১৭ ফেব্রুয়ারি) শপথ নিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক। শপথ গ্রহণের পরপরই নতুন প্রতিমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।
এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বাফুফে জানায়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের পক্ষ থেকে এবং আমি ব্যক্তিগতভাবে আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও উষ্ণ অভিনন্দন জ্ঞাপন করছি। আপনার নিষ্ঠা, অসামান্য কর্মদক্ষতা, নেতৃত্বগুণের মাধ্যমে ক্রীড়া ক্ষেত্রে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়েও আপনি সফল হবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। আপনার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব, মেধা ও প্রজ্ঞার মাধ্যমে দেশের ক্রীড়াঙ্গন আরও গতিশীল হবে এবং বাংলাদেশ ক্রীড়াঙ্গনে নিজের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করবে এই কামনা করছি।
ক্রীড়াঙ্গন থেকে অনেকেই সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রী হয়েছেন। তবে সাবেক কোনো ক্রীড়াবিদের টেকনোক্র্যাট হিসেবে মন্ত্রী হওয়ার রেকর্ড নেই বললেই চলে। বলতে এবারই প্রথম টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হলেন আমিনুল হক।
সাধারণত বিশিষ্ট ব্যক্তি যাদের বিশেষ বিষয়ে অভিজ্ঞতা, অসাধারণ দক্ষতা ও দলের ত্যাগী নেতাদের টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী করা হয়। কোনো সাবেক ক্রীড়াবিদ নির্বাচনে পারাজিত হয়ে কিংবা টেকনোক্র্যাট কোটায় এর আগে কখনও মন্ত্রী হননি, আমিনুল হকই এবার প্রথম।
নব্বই দশকের মাঝামাঝিতে ফুটবলার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন আমিনুল হক। মোহামেডান, আবাহনী, ফরাশগঞ্জ, মুক্তিযোদ্ধাসহ দেশের শীর্ষ ক্লাবগুলোতে খেলেছেন তিনি। গোলকিপার হয়েও ঘরোয়া ফুটবলে দীর্ঘদিন সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত ফুটবলার ছিলেন আমিনুল।
২০০৩ সালে সাফ জয়ের অন্যতম নায়ক ছিলেন তিনি। ২০১০ সালে এসএ গেমসে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক ছিলেন। আন্তর্জাতিক অনেক ম্যাচে গোলকিপার হিসেবে অসাধারণ দক্ষতা দেখিয়েছেন আমিনুল হক।
স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে সাবেক তারকা ফুটবলারদের মধ্যে মেজর হাফিজই প্রথম মন্ত্রিত্ব পেয়েছিলেন। এরপর দীর্ঘদিন পর আরেক সাবেক জাতীয় ফুটবলার আরিফ খান জয় ক্রীড়া উপমন্ত্রী হয়েছিলেন। তৃতীয় সাবেক ফুটবলার হিসেবে মন্ত্রীর দায়িত্ব নিলেন আমিনুল হক।
বাংলাদেশ জার্নাল/এমপি

















