Swadhin News Logo
বুধবার , ১৩ আগস্ট ২০২৫ | ১০ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. best
  2. cassinoBR
  3. আন্তর্জাতিক
  4. কৃষি ও প্রকৃতি
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. জোকস
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. দেশজুড়ে
  12. ধর্ম
  13. নারী ও শিশু
  14. প্রবাস
  15. বই থেকে

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হাতিয়ার মানুষের যাতায়াত, কবে মিলবে স্বস্তি?

প্রতিবেদক
Nirob
আগস্ট ১৩, ২০২৫ ৮:১৪ পূর্বাহ্ণ
জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হাতিয়ার মানুষের যাতায়াত, কবে মিলবে স্বস্তি?

নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়া। হাতিয়ার মূল ভূখণ্ড ছাড়াও বিচ্ছিন্ন চরগুলো মিলে প্রায় সাড়ে সাত লাখ মানুষের বসবাস। হাতিয়া ছেড়ে অন্যত্র যেতে এই মানুষগুলোর যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে নৌযান। কিন্তু প্রতিদিন ট্রলার মালিক ও চালকরা ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে যাতায়াত করছেন। এতে ঘটছে দুর্ঘটনা। বাড়ছে প্রাণহানি। প্রশাসন দেখেও ব্যবস্থা না নেওয়ায় এটি নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কবে মিলবে স্বস্তি, তা জানা নেই কারও।

যাত্রীরা জানিয়েছেন, ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে যাতায়াত করায় ট্রলার মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে আসছেন তারা। কিন্তু কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না প্রশাসন। প্রশাসন বলছে, মাঝেমধ্যে অভিযান চালানো হলেও সবসময় তা সম্ভব হয় না। এছাড়া বৈরী আবহাওয়ায় সি-ট্রাক ছাড়া অন্য কোনও নৌযান চলাচলের সুযোগ নেই।

সোমবার সরেজমিনে দেখা যায়, জেলার মূল ভূখণ্ড থেকে হাতিয়ায় যাওয়ার প্রধান ঘাট হলো চেয়ারম্যান ঘাট। এই ঘাট দিয়ে হাতিয়া, মনপুরা ও ভোলাসহ বিভিন্ন ঘাটের উদ্দেশ্যে প্রতিদিন ছেড়ে যায় কয়েকটি ট্রলার। চেয়ারম্যান ঘাট-নলচিরা রুটে যাত্রীদের পারাপারে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দুটি সি-ট্রাক থাকলেও সেগুলো প্রতিদিন একবার করে আসা-যাওয়া করে। কিন্তু দিনের বাকি সময় হাজার হাজার যাত্রীকে ট্রলার বা স্পিডবোটে যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু গত কয়েক মাস ধরে বৈরী আবহাওয়ার সমস্যা দেখিয়ে স্পিডবোটগুলো বন্ধ করে দেয় উপজেলা প্রশাসন। স্পিডবোট চলাচল বন্ধ হওয়ার সুযোগটি কাজে লাগিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেন ট্রলার মালিক ও চালকরা।

যাত্রীদের সঙ্গ কথা বলে জানা যায়, চেয়ারম্যান ঘাট-নলচিরা রুটে যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াতের জন্য সি-ট্রাক একমাত্র ভরসা। কিন্তু যাত্রীদের চাহিদামতো সেটি চলাচল না করায় মালবাহী ট্রলার ও স্পিডবোটে বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয়। বেশিরভাগ ট্রলার মূলত মালবাহী। এরই মধ্যে কয়েকটি ট্রলারে যাত্রী পারাপার করা হয়। সেগুলোতে আবার মালামালও তোলা হয় কয়েক টন। একটি ট্রলারে মালামাল উঠানোর পর যাত্রী ধারণক্ষমতা থাকে প্রায় ১০০ জনের মতো। কিন্তু ট্রলার মালিক ও চালকরা ১৫০-এর বেশি যাত্রী নিয়ে যাতায়াত করছেন। এসব নিয়ে যাত্রীরা প্রতিবাদ করলে তাদের মারধরসহ বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়। 

কয়েকজন যাত্রী জানিয়েছেন, জুলাই মাসের প্রথম থেকে বেশিরভাগ সময় আবহাওয়া অধিদফতর থেকে একাধিকবার ৩ নম্বর সংকেত দেওয়ার পর উপজেলা প্রশাসন নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করলেও সেটিকে উপেক্ষা করে ট্রলার চালান মালিক ও চালকরা। এতে বৈরী আবহাওয়ার সময় ঝুঁকি নিয়ে মেঘনা নদী পার হতে হয় হাজার হাজার যাত্রীকে। এসব বিষয়ে কোনও ব্যবস্থা না নিয়ে নীরব ভূমিকা পালন করছে প্রশাসন।

হাতিয়ার বাসিন্দা আবদুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের যাতায়াতের দুর্ভোগ দীর্ঘকালের। জেলা শহর থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ায় ট্রলার মালিক ও চালকরা ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী তোলেন। আমাদেরও ঝুঁকিপূর্ণভাবে যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না উপজেলা প্রশাসন।’

একই অভিযোগ করে ফিরোজ আলম বলেন, ‘হাতিয়ার বাসিন্দাদের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কেউ কোনোদিন চেষ্টাও করেনি। যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত করা না হলে এই দ্বীপের মানুষের ভাগ্যের কোনও পরিবর্তন হবে না। এমন যাতায়াত ব্যবস্থার কারণে বছরের পর বছর আমরা দুর্ভোগ পোহাচ্ছি। আমরা এর পরিবর্তন চাই। এখানে ফেরি চলাচল করলে আমাদের এ দুর্ভোগ অনেক কমে আসবে। দ্বীপে বিনিয়োগের অপার সম্ভাবনা থাকলেও যাতায়াত ব্যবস্থার কারণে বিনিয়োগকারীরা এগিয়ে আসার সাহস পাচ্ছেন না। কবে আমরা মুক্তি পাবো, তাও জানি না।’

হাতিয়ার বুড়িরচর ইউনিয়নের বাসিন্দা সৈকত হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দেশের অনেক দুর্গম দ্বীপে সরকার চলাচলের জন্য যাতায়াত ব্যবস্থা সুগম করলেও অদৃশ্যশক্তির কারণে আমাদের হাতিয়ায় যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নতি হয়নি। আমরা এ সমস্যা থেকে পরিত্রাণ চাই। আমরা অদৃশ্যশক্তির হাত থেকে মুক্তি চাই।’

নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলাউদ্দিন। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বৈরী আবহাওয়ার সময় মাঝেমধ্যে অসুস্থ রোগী পার করার প্রয়োজন পড়ে। তখন একজন যাত্রীর পক্ষে পুরো ট্রলারের বাড়া বহন করা সম্ভব না হওয়ায় ওই সময় অন্য যাত্রী বা ট্রলার মালিকরা সুযোগ নিয়ে নদী পার হন। বেশি যাত্রী নিলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক খন্দকার ইশতিয়াক আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘হাতিয়ার মানুষের এ সমস্যা দীর্ঘদিনের। বিষয়টি সরকারের ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে একাধিকবার জানানো হয়েছে। এ সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

সর্বশেষ - চাকরি

আপনার জন্য নির্বাচিত
নুরাল পাগলের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশদাতা গ্রেফতার

নুরাল পাগলের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশদাতা গ্রেফতার

আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলায় বাদীর উপস্থিতি চেয়ে আদালতের সমন

আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলায় বাদীর উপস্থিতি চেয়ে আদালতের সমন

নরসিংদীতে দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

নরসিংদীতে দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াতে সময় চান ট্রাম্প, হতাশ নেতানিয়াহু

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াতে সময় চান ট্রাম্প, হতাশ নেতানিয়াহু

টেকনাফে অপহরণ বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ

টেকনাফে অপহরণ বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ

গাইবান্ধায় সেতু আছে, নেই সংযোগ সড়ক—এলাকাবাসীর ক্ষোভ

গাইবান্ধায় সেতু আছে, নেই সংযোগ সড়ক—এলাকাবাসীর ক্ষোভ

সীমান্তে বিএসএফের হাতে আটক ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

সীমান্তে বিএসএফের হাতে আটক ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

দুর্গম পাহাড়ে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর অভিযান চলছে

দুর্গম পাহাড়ে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর অভিযান চলছে

ভারতে যে ক্যাফেতে ময়লা দিয়েই মেলে খাবার

ভারতে যে ক্যাফেতে ময়লা দিয়েই মেলে খাবার

মওলানা ভাসানী সেতুর ক্যাবল চুরির মামলায় গ্রেফতার দু’জন কারাগারে, একজনের দায় স্বীকার

মওলানা ভাসানী সেতুর ক্যাবল চুরির মামলায় গ্রেফতার দু’জন কারাগারে, একজনের দায় স্বীকার