Swadhin News Logo
Wednesday , 3 September 2025 | [bangla_date]
  1. best
  2. cassinoBR
  3. আন্তর্জাতিক
  4. কৃষি ও প্রকৃতি
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. জোকস
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. দেশজুড়ে
  12. ধর্ম
  13. নারী ও শিশু
  14. প্রবাস
  15. বই থেকে

বাকৃবি প্রশাসনের ডাকে আসেনি শিক্ষার্থীরা, ক্যাম্পাস ও হল খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা

প্রতিবেদক
Nirob
September 3, 2025 9:42 pm

ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে টানা ৪ ঘণ্টা ফলপ্রসূ আলোচনা হলেও বুধবার প্রশাসনের ডাকে আসেননি শিক্ষার্থীরা। এতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা ক্যাম্পাস ও হলসমূহ খোলার বিষয়ে আবারও অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো শহীদুল হক এবং আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী এহসানুল হক হিমেলের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে এসব তথ্য।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আলোচনায় বসেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। টানা ৪ ঘণ্টার ওই বৈঠকে দুই পক্ষের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো বন্ধের আদেশ প্রত্যাহারসহ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য বুধবার জরুরি সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রশাসনের ডাকে শিক্ষার্থীরা না আসায় সিন্ডিকেট সভায় উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় দালিলিক প্রস্তাবনা তৈরি করা সম্ভব হয়নি। ফলে সিন্ডিকেট সভাটি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

এই তথ্য নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো শহীদুল হক এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, মঙ্গলবার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনায় যেসব সিদ্ধান্ত ও দাবিতে আমরা একমত হয়েছিলাম- সেগুলো লিখিত আকারে সিন্ডিকেটে উত্থাপন করতে হবে। কিন্তু সেই লিখিত পত্রে স্বাক্ষর করতে আসার জন্য শিক্ষার্থীদের বলা হলেও তারা এখনও আসেননি। আমরা দীর্ঘক্ষণ ধরে তাদের জন্য অপেক্ষা করছি। এমতাবস্থায় সিন্ডিকেট মিটিংয়ে লিখিত কোনও কিছু পেশ করার সুযোগ না থাকায় মিটিং আয়োজন করা সম্ভব হয়নি।

ড. শহীদুল হক আরও বলেন, যেহেতু সিন্ডিকেট মিটিং হয়নি, সুতরাং গতকাল রাতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় গৃহীত সিদ্ধান্তের কোনও কার্যকরিতা থাকবে না। ফলে কর্তৃপক্ষ চাইলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো বন্ধের আদেশ প্রত্যাহার করা সম্ভব হয়নি। কারণ সিন্ডিকেট সভা না হওয়া পর্যন্ত এখনও বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনশৃঙ্খলার বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনের কাছে ন্যস্ত।

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী এহসানুল হক হিমেল বলেন, স্যাররা আমাদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেছিলেন, আমরা মঙ্গলবার মিটিংয়ে যারা উপস্থিত ছিলাম, তাদের সবাই স্বাক্ষর করেছি, তাহলে আবার নতুন করে কেন স্বাক্ষর করতে হবে। তাই আমরা তাদের কথার সঙ্গে এখন আর একমত নই। ফলে পরবর্তী কী কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে, তা জানানো হবে সবার সাথে আলোচনার মাধ্যমে।

এর আগে মঙ্গলবার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রশাসনের আলোচনায় চারটি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল। সেগুলো হলো- সিন্ডিকেট মিটিংয়ের মাধ্যমে হল বন্ধের নোটিশ প্রত্যাহার, আন্দোলনরত কোনও শিক্ষার্থী (সব ফ্যাকাল্টির) ভবিষ্যতে একাডেমিক বা প্রশাসনিক হেনস্তার শিকার হবে না মর্মে প্রশাসন কর্তৃক লিখিত স্টেটমেন্ট দেওয়া, আগামী ৭ দিনের মধ্যে ক্লাস ও পরীক্ষা পুনরায় শুরু করা এবং বুধবার বিকাল ৫টার মধ্যে লিখিত বিবৃতি প্রকাশ করা।

এর আগে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পশুপালন ও ভেটেরিনারি অনুষদকে একীভূত করে কম্বাইন্ড ডিগ্রির দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর গত ৩১ আগস্ট রাতে বহিরাগতরা হামলা চালায়। এই হামলার পরে ছয় দফা দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে।

সর্বশেষ - চাকরি