
আবদুল আউয়াল মিন্টুর সম্পদের পরিমাণ ৫০৭ কোটি
জার্নাল ডেস্ক 2026-01-04
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার লক্ষ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও দলীয় প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু। পেশায় ব্যবসায়ী মিন্টুর মোট সম্পদের পরিমাণ ৫০৭ কোটি ৮০ লাখ ৮ হাজার ১৭১ টাকা। তিনি আগে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বৈত নাগরিক ছিলেন, তবে ২০২৪ সালের ৯ ডিসেম্বর তা পরিত্যাগ করেন। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেওয়া তার হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, আবদুল আউয়াল মিন্টুর স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৩৩৩ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার ৭৭০ টাকা। এর মধ্যে অকৃষি জমির মূল্য ৭ কোটি ১৫ লাখ ৯০ হাজার ৬৯৫ টাকা, আবাসিক বা বাণিজ্যিক ভবন ৪২ লাখ ৫২ হাজার ১৩০ টাকা এবং বাড়ি ও অ্যাপার্টমেন্ট ৩০ লাখ ৪২ হাজার ৮৫৪ টাকা।
তার অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ১৭৪ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার ৪০১ টাকা। এর মধ্যে নগদ অর্থ ৩ কোটি ৩৬ লাখ ৫০ হাজার ৪৪১ টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ১ কোটি ৬ লাখ ৩৯ হাজার ৬১৬ টাকা, বন্ড, ঋণপত্র এবং স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত ও অতালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার ১৫১ কোটি ৩ লাখ ৯৯ হাজার ৮৩৮ টাকা। এছাড়া সঞ্চয়পত্র, স্থায়ী আমানত, ডাক সঞ্চয়পত্র ও ক্রিপটোকারেন্সিতে বিনিয়োগ রয়েছে ৭৪ লাখ ৩৮ হাজার ৩৬৩ টাকা, বিমা ও ট্রাস্ট থেকে ২৯ হাজার ৩৫০ টাকা, স্বর্ণ ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু ২ লাখ টাকা, ইলেকট্রনিক পণ্য ৮ লাখ ৮৮ হাজার ৮৫৮ টাকা, আসবাবপত্র ১৬ লাখ ৮ হাজার ৮০৯ টাকা এবং অন্যান্য সম্পদ ১৮ কোটি ২২ লাখ ২৫ হাজার ১২৫ টাকা।
গত অর্থবছরে দেশের ভেতরে তার বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৫০ লাখ ৭৯ হাজার ৮৯০ টাকা। হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, দেশের বাইরে থেকে তার কোনো আয় নেই।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে তিনি কৃষিখাত থেকে আয় করেছেন ৪ লাখ ৯৫ হাজার ৯০০ টাকা। বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, বাণিজ্যিক স্থানসহ অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তি থেকে ভাড়া পেয়েছেন ২৪ লাখ ৯৮ হাজার ৩৬৯ টাকা। শেয়ার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানত থেকে আয় হয়েছে ৩৯ লাখ ৬৪ হাজার ৪১৩ টাকা। চাকরি থেকে আয় দেখানো হয়েছে ৪২ লাখ টাকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে আয় ১ কোটি ৫০ লাখ ৭৯ হাজার ৮৯০ টাকা।
হলফনামায় নিজেকে ব্যবসায়ী হিসেবে উল্লেখ করলেও আয়ের উৎসে ব্যবসা খাত থেকে কোনো ধরনের আয়ের তথ্য দেননি মিন্টু। এছাড়া ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্নে উল্লেখিত তথ্য অনুযায়ী তার সম্পদের পরিমাণ ১১৬ কোটি ৯০ লাখ ৮৯ হাজার ১৫৯ টাকা এবং আয় ১ কোটি ১২ লাখ ১৬ টাকা। বিপরীতে তিনি আয়কর প্রদান করেছেন ৩৯ লাখ ৩২ হাজার ১৬ টাকা। হলফনামা অনুযায়ী, আবদুল আউয়াল মিন্টুর নিজের নামে কোনো ঋণ নেই। তবে তার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে ২৯৪ কোটি টাকা ঋণের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
হলফনামায় তার স্ত্রী নাসরিন ফাতেমা আউয়ালকে ব্যবসায়ী হিসেবে উল্লেখ করে তার মোট সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ৯৯ কোটি ২৪ লাখ ১৮ হাজার ৬৯৮ টাকা। এর মধ্যে স্থাবর সম্পত্তি ২৪ কোটি ৬৬ লাখ ৭৯ হাজার ৬৮৬ টাকা এবং অস্থাবর সম্পত্তি ৭৪ কোটি ৫৭ লাখ ৩৯ হাজার ১২ টাকা। এছাড়া ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে জমা দেওয়া আয়কর রিটার্নে তার সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ১৪ কোটি ৭৮ লাখ ৩৬ হাজার ৯৪৫ টাকা। আয় দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৬৩ লাখ ৬৬ হাজার ৩১৮ টাকা এবং আয়কর প্রদান করেছেন ২৮ লাখ ৭৩ হাজার ৮৭৪ টাকা।
অন্যদিকে নির্বাচনী হলফনামায় আবদুল আউয়াল মিন্টুর তিন পুত্র সন্তানের সর্বশেষ ২০২৫-২০২৬ করবর্ষের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বড় ছেলে, বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালের আয়কর রিটার্নে সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ৫৯ কোটি ৪২ লাখ ৪৩ হাজার ৭০৭ টাকা। তার আয় ১ কোটি ৬৭ লাখ ৪৯ হাজার ৫৩৬ টাকা এবং আয়কর প্রদান করেছেন ৫৭ লাখ ১৫ হাজার ১৭৩ টাকা।
তার মেজো ছেলে তাফসির মোহাম্মদ আউয়ালের সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ৪৯ কোটি ৩২ লাখ ১৬ হাজার ২২ টাকা। আয় দেখানো হয়েছে ৫৩ লাখ ৮১ হাজার ৮৯৫ টাকা এবং আয়কর প্রদান করেছেন ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৪৪৯ টাকা।
ছোট ছেলে তাজোয়ার মোহাম্মদ আউয়ালের সম্পদের পরিমাণ উল্লেখ করা হয়েছে ২৬ কোটি ১৮ লাখ ৩৭ হাজার ৫৩৭ টাকা। তিনি আয় দেখিয়েছেন ৪৯ লাখ ২৫ হাজার ৬২৯ টাকা এবং আয়কর প্রদান করেছেন ১৩ লাখ ৫৫ হাজার ৪৯৫ টাকা।
হলফনামায় আবদুল আউয়াল মিন্টুর বিরুদ্ধে রাজধানীর সিএমএম আদালতে দণ্ডবিধির ৩৮৫, ৩৮৬ ও ৩৮৭ ধারায় দায়ের করা একটি মামলার তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি উচ্চ আদালত থেকে ২০০৭ সালের ৪ নভেম্বর জামিন লাভ করেন এবং মামলাটি বর্তমানে স্থগিত রয়েছে। এর আগে তিনি ২৬টি মামলায় অভিযুক্ত হলেও সবগুলোতে নিষ্পত্তি ও অব্যাহতি পেয়েছেন।
হলফনামায় দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আবদুর আউয়াল মিন্টুর জন্ম ১৯৪৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি। তার পিতার নাম শফিউল্ল্যাহ। স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার আলাইয়াপুর ফরাজী বাড়ি। বর্তমানে তিনি রাজধানীর গুলশানে বসবাস করছেন। তার সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকোত্তর।
বাংলাদেশ জার্নাল/জে
(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-103843996-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);
(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-115090629-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);
_atrk_opts = { atrk_acct:’lHnTq1NErb205V’, domain:’bd-journal.com’,dynamic: true};
(function() { var as = document.createElement(‘script’); as.type=”text/javascript”; as.async = true; as.src=”https://certify-js.alexametrics.com/atrk.js”; var s = document.getElementsByTagName(‘script’)[0];s.parentNode.insertBefore(as, s); })();














