ভোটে নারী প্রার্থী ‘৪%’, উদ্বেগ সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নারী প্রাথীর সংখ্যা ‘অশানুরূপ না হওয়ায়’ ক্ষোভ ও উদ্বেগ জানিয়েছে নারী, মানবাধিকার ও উন্নয়ন বিষয়ক ৭১টি সংগঠনের প্ল্যাটফর্ম— সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি।
বাংলাদেশ
জার্নাল ডেস্ক 2026-01-12
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নারী প্রাথীর সংখ্যা ‘অশানুরূপ না হওয়ায়’ ক্ষোভ ও উদ্বেগ জানিয়েছে নারী, মানবাধিকার ও উন্নয়ন বিষয়ক ৭১টি সংগঠনের প্ল্যাটফর্ম— সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) কমিটির বিবৃতিতে বলা হয়, এবার ২ হাজার ৫৬৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ১০৯ জন, অর্থাৎ ৪ দশমিক ২৪ শতাংশ নারী রয়েছেন, যা নারী-পুরুষের সংখ্যার অনুপাতে ‘বিশাল ভারসাম্যহীন চিত্র’।
‘বিস্ময় প্রকাশ’ করে প্ল্যাটফর্মটি বলছে, অধিকাংশ রাজনৈতিক দল থেকে কোনো নারীকেই মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। এমনকি যে রাজনৈতিক দল তাদের নেতৃত্বের ৪০ ভাগ নারী বলে প্রকাশ্যে দাবি করেছে, তাদের দল থেকেও কোনো নারীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি।
যে ১০৯ জন নারী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন, তাদের মধ্যে ৭২ জনকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, বাকি ৩৭ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী।
এই হিসাব তুলে ধরে সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি বলেছে, ক্ষমতার কাঠামোতে নারীর অংশগ্রহণ ‘এখনও একটি বড় চ্যালেঞ্জ’।
একটি প্রতিকূল পরিবেশে প্রতিটি পদক্ষেপে লড়াই করে নারীকে রাজনৈতিক অঙ্গনে জায়গা করে নিতে হয়। অনেক বিধিনিষেধ ও চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও অর্থনীতি ও জাতীয় উন্নয়নে নারীর অংশগ্রহণ যতটা পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে পেরেছে, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নারীর অংশগ্রহণ রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে ততোটা গুরুত্ব পায়নি।
সমাজে নারীবিদ্বেষী সংস্কৃতি যেভাবে চলমান, সেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নারীরা নির্বাচনে অংশগ্রহণে ‘শঙ্কা বোধ করছেন’ মন্তব্য করে বিবৃতিতে বলা হয়, “এটি সমাজে পুরুষতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির চিত্রের প্রতিফলন এবং একইসঙ্গে পুরুষতান্ত্রিক রাজনীতি টিকিয়ে রাখার একটি কৌশল।
এ অবস্থায় নির্বাচনি রাজনীতিতে নারীর দৃশ্যমান অংশগ্রহণের লক্ষ্যে সকল রাজনৈতিক দল এবং নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি বলছে, একটি গণতান্ত্রিক, সমতাপূর্ণ সমাজ কাঠামো তৈরী করতে হলে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় নারীর সমঅংশীদারত্ব নিশ্চিত করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন হবে। মনোনয়নপত্র জমার পর বাছাইয়ে ১৮৪২ জন বৈধ প্রার্থী ছিলেন।
শনি ও রোববার নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানির প্রথম দুইদিনে ১০৯ জনের প্রার্থিতা ফিরে পান; আর বৈধতা হারান একজন প্রার্থী। ফলে সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত বৈধ প্রার্থী দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৫০ জন।
এবার ৬৪৫টি আপিল আবেদন জমা পড়েছে। ১৭ জানুয়ারির মধ্যে শুনানি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
তফসিল অনুযায়ী, ২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময়। পরদিন চূড়ান্ত প্রার্থী নির্ধারিত হবে এবং প্রতীক বরাদ্দ হবে।
বাংলাদেশ জার্নাল/সিএম
(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){ (function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){ _atrk_opts = { atrk_acct:’lHnTq1NErb205V’, domain:’bd-journal.com’,dynamic: true};
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-103843996-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-115090629-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);
(function() { var as = document.createElement(‘script’); as.type=”text/javascript”; as.async = true; as.src=”https://certify-js.alexametrics.com/atrk.js”; var s = document.getElementsByTagName(‘script’)[0];s.parentNode.insertBefore(as, s); })();














