টেকনাফের শিশুটি আইসিইউতে
মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে বিদ্ধ শিশু হুজাইফা আফনানকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে।
বাংলাদেশ
জার্নাল ডেস্ক 2026-01-11
মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে বিদ্ধ শিশু হুজাইফা আফনানকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৪টায় তাকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স হাসপাতালে পৌঁছায় বলে জানিয়েছেন মেডিকেল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আলাউদ্দিন তালুকদার
তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, বিকাল পৌনে ৫টায় শিশুটিকে হাসপাতালে আইসিইউতে নেওয়া হয়েছে।
এদিন সকাল ১০টার দিকে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের তেচ্ছাব্রীজ এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয় হুজাইফা আফনান। ৯ বছর বয়সি শিশুটি লম্বাবিল গ্রামের জসিম উদ্দিনের সন্তান। সে লম্বাবিল হাজি মোহাম্মদ হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী।
গুলিবিদ্ধ হওয়া শিশুটি মারা গেছে বলে প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানালেও পরে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শাহজালাল দুপুরে জানান, তথ্যটি সঠিক নয়।
জানতে চাইলে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) অলক বিশ্বাস দুপুর ২টার দিকে গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুটি গুলিবিদ্ধ হয়েছে। প্রথমে মারা যাওয়ার কথা শোনা গেলেও তা সঠিক নয়। তাকে চট্টগ্রামে মেডিকেলে নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে হুজাইফা আফনান গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছে। ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়।
হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ খোকন কান্তি রুদ্র জানান, সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে।
টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মি ও আরসার মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ চলছে। গত তিনদিন ধরে সীমান্তের ওপারে ব্যাপক গোলাগুলিতে এপারেও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
বাংলাদেশ জার্নাল/সিএম
(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){ (function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){ _atrk_opts = { atrk_acct:’lHnTq1NErb205V’, domain:’bd-journal.com’,dynamic: true};
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-103843996-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-115090629-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);
(function() { var as = document.createElement(‘script’); as.type=”text/javascript”; as.async = true; as.src=”https://certify-js.alexametrics.com/atrk.js”; var s = document.getElementsByTagName(‘script’)[0];s.parentNode.insertBefore(as, s); })();
















