বগুড়ায় মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা সদর উপজেলা যুবদলের আহবায়ক অতুল চন্দ্র দাসকে (৪৮) কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে। বুধবার (৩০ জুলাই) রাতে সদর উপজেলার সাবগ্রাম বাজারে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
হামলার পর দুর্বৃত্তরা গুলিবর্ষণ করে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। হামলার প্রতিবাদে জেলা যুবদল বিকালে শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে।
পুলিশ ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বগুড়া সদর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক অতুল চন্দ্র দাস সদরের সাবগ্রাম এলাকার অতুল চন্দ্র দাসের ছেলে। তিনি বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বগুড়া শহরের নবাববাড়ি সড়কে বিএনপি দলীয় কার্যালয় থেকে মোটরসাইকেলে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে সাবগ্রাম বাজারে একটি দোকানে থেমে ওষুধ কিনছিলেন।
এ সময় চারটি মোটরসাইকেলে আসা মুখোশধারী আট দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। তারা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত করে। অতুলের আর্ত¥চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা আগ্নেয়াস্ত্র বের করে কয়েক রাউন্ড গুলি বর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে তাকে অচেতন অবস্থায় বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
বগুড়া জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান জানান, অতুলকে হত্যার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে হামলা করা হয়েছে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মাথায় আঘাত করা হয়। হামলাকারীরা দ্রুত গ্রেফতার না হলে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া হবে।
জেলা যুবদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম জানান, বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অতুল চন্দ্র দাসের অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে।
বগুড়া সদর থানার ওসি হাসানা বাসির জানান, যুবদল নেতা অতুল চন্দ্র দাসের ওপর হামলাকারী দুর্বৃত্তরা সবাই মুখোশধারী ছিল। তাদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। ঘটনাস্থলে হামলাকারীদের গুলিবর্ষণের অভিযোগ সঠিক নয়। বৃহস্পতিবার বিকাল পর্যন্ত এ ঘটনায় মামলা হয়নি। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
















